মনিপুরী সমাজ কল্যাণের- নেশামুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার! 

মনিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে আজ মাদক এর ক্ষতিকর প্রভাব বিষয়ে সচেতনতামূলক এক আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মণিপুরী সমাজ কল্যান সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আনন্দমোহন সিংহ, কেন্দ্রীয় সাধারন সম্পাদক কমলাবাবু সিংহ, অর্থ সম্পাদক পুনিল সিংহ, সহ সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্রসিংহ, জয় সিংহ, বাংলাদেশ মণিপুরী যুব কল্যাণ সমিতির সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি নিখিল সিংহ, মনিপুরী সমাজ কল্যাণ সমিতি জুড়ী বড়লেখা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ও বাংলাদেশ মণিপুরী যুব কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য বিজন সিংহ সহ আরো অনেক সুধীজন। আলোচনায় আসন্ন দূর্গাপূজায় প্রজন্মকে নেশামুক্ত রাখার বিভিন্ন দিক নিয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। প্রয়োজনবোধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সর্বোপরি নেশা সমাজ, রাষ্ট্র ও মানবদেহের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব ফেলায় নেশামুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় ।

মণিপুরে বৃন্দা থোনাজাম কে সেরা পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে ভূষিত!

আজ ২৬ সেপ্টেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার, অতিরিক্ত এসপি, এনএবি মণিপুর, থোনোজাম ব্রিন্ডাকে তার ৬ষ্ঠ সংস্করণে হায়াত রিজেন্সি, নয়াদিল্লিতে এফআইসিসিআই ক্যাসকেড (ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি) দ্বারা পরিচালিত চোরাচালান ও জাল ব্যবসায়ের বিরুদ্ধে সেরা পারফর্মিং অফিসারের জন্য ভূষিত করা হয়েছিল। জিডি বিড়লা এবং পুরুষসুম দাসের দ্বারা মহাত্মা গান্ধীর পরামর্শে এফআইসিসিআই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ভারতের বৃহত্তম, প্রাচীনতম এবং শীর্ষ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। FICCI ক্যাসকেড 2019 পাচার এবং জালিয়াতি কার্যক্রমের বিরুদ্ধে শীর্ষ শিল্প কমিটি গত দেড় বছরে, বৃন্দা রাজ্যের বেশ কয়েকটি বড় ওষুধের কার্টেলকে ফাঁস করেছে। তিনি উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদদের সহ বেশ কয়েকটি শক্তিশালী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছেন।

বৃন্দা থোনাজাম এই পুরষ্কারের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং মণিপুর সরকার, বিশেষত মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র বিভাগ এবং নাগরিক সমাজগুলিকে রাজ্যে মাদকের বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে প্রচুর সমর্থন করার জন্য কৃতিত্ব প্রকাশ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে মাদকবিরোধী যুদ্ধ বর্তমান সরকার চালু করেছে এবং এটি দানবটির বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াইয়ের মাত্র এক সূচনা যা যুব প্রজন্মকে একসাথে মুছে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে। অফিসারকে 2018 সালে মুখ্যমন্ত্রীর গ্যালান্ট্রি পদক এবং মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তার অবদানের স্বীকৃতি হিসাবে এই বছর মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা সনদ দেওয়া হয়েছে।

এই সেই আবাবিল পাখি, যার কথা পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে!

এই সেই আবাবিল পাখি, যার কথা পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে!

মক্কা নগরীতে অবস্থিত কাবা শরীফের ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্য ও পবিত্রতায় মুগ্ধ হয়ে মানুষ যখন দলে দলে কাবা ঘরের দিকে আসতে থাকে তখন ইয়েমেনের রাজা আব্রাহা ঈর্ষাণিত হয়ে কাবা ঘর ধ্বংস (নাউজুবিল্লাহ) করার পরিকল্পনা করেন। আব্রাহা এই উদ্দেশ্যে ৬০ হাজার সৈন্য ও কয়েক হাজার হাতি নিয়ে মক্কার দিকে রওয়ানা হন।

যখন তারা মসজিদুল হারাম শরীফের কাছাকাছি পৌছান তখন আল্লাহ হাজার হাজার আবাবিল পাখি প্রেরণ করেন। পাখিগুলো আল্লাহর নির্দেশে পায়ের তালুতে ২ টি ও মুখের মধ্যে ১ টি করে পাথর নিয়ে আব্রাহার হাতি বাহিনীর উপর নিক্ষেপ করতে থাকে এবং তাদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।

এই ঘটনার কথা আল্লাহ পবিত্র কোরআনে সূরা আল ফীলে বর্ণনা করেছেন। পবিত্র কা’বা শরীফে এখনও এই আবাবিল পাখি দেখা যায়। রাত গভীর হলে যখন চারদিকে নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে তখন এই আবাবিল পাখির ডাক শুনা যায়। মসজিদের ভিতর ছাঁদে হেরেমের ভিতর এদের সুন্দর বাসা সবার নজরে আসে।

কোরআন নিয়ে মহাকাশে আমিরাতি নভোচারী

মহাকাশ যাত্রার আগে হাজজা আল মানসুরি (ডানে) –

সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের ‘মিশন-১’ মহাকাশ কর্মসূচির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে (আইএসএস) প্রথমবারের মতো নিজেদের নাম লিখিয়েছে। এটি আরব আমিরাতের জন্য এক বিশেষ অর্জন এবং এর মাধ্যমে মহাকাশে দেশটির পতাকা উড্ডয়নের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে।

আমিরাতের প্রধান নভোচারী হাজজা আল মানসুরি রাশিয়ার কমান্ডার ওলেগ স্ক্রিপোচকা এবং নাসা নভোচারী জেসিকা মেয়ারের সাথে থেকে সয়ুজ এমএস -১৫ মহাকাশযানে করে বুধবার সন্ধ্যা ৭.৫৬ মিনিটে (বাংলাদেশ সময়) মহাকাশ স্টেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
কাজাখস্তানের বাইকনুর কসমোড্রোম মহাকাশ পোর্ট থেকে তাদের যাত্রা শুরু হয়, এখান থেকেই ১৯৬৯ সালের এপ্রিল মাসে রাশিয়ান মহাকাশচারী ইউরি গ্যাগারিন প্রথম মানুষ হিসেবে মহাকাশে যাত্রা করেছিলেন।

এই নভোচারীদের বহনকারী যানটি মহাকাশ স্টেশনে পৌঁছাতে প্রায় ছয় ঘন্টা সময় নেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ থেকে বেরিয়ে যেতে তাদের সময় লেগেছে মাত্র নয় মিনিট।

এটিই হচ্ছে প্রথম কোনো আরব দেশ হিসেবে আমিরাতের মহাকাশ যাত্রা। ১৯তম দেশ হিসেবে তারা এই গৌরব অর্জন করতে যাচ্ছে। নভোচারী হাজজা আল মানসুরি ২৪০তম দর্শনার্থী হিসাবে মহাকাশে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিত্ব করছেন।

এই মহাকাশ যাত্রায় রিজার্ভ নভোচারী হিসেবে বাইকনুর কসমোড্রোমে উপস্থিত ছিলেন আরেক আমিরাতি নভোচারী সুলতান আল নেয়াদি সহ নাসার টমাস মার্শবার্ন এবং রাশিয়ান কমান্ডার সের্গেই রাইহিকোভ।

এর আগে আমিরাতের প্রধান নভোচারী হাজজা আল মানসুরি এফ-১৬ জেটের মিলিটারী পাইলট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ৪০২২ জন প্রার্থীর মধ্যে থেকে তিনি আরব আমিরাতের প্রথম নভোচারী হিসেবে নির্বাচিত হন। আল মানসুরি ২০০৪ সালে আবুধাবির খলিফা বিন জায়েদ এয়ার কলেজ থেকে বিমান সায়েন্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

আল মানসুরি তার এ মহাকাশ যাত্রায় সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন পবিত্র কুরআনের একটি কপি, শতভাগ রেশম দ্বারা তৈরি সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি পতাকা, আল গাফ গাছের ৩০টি বীজ ,আমিরাতি খাবার, তার পরিবারের ছবি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত জিনিসপত্র।

হাজজা আল মানসুরি আট দিন মহাকাশে অবস্থান করবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩ অক্টোবর বিকেলে তিনি পৃথিবীতে ফিরে আসবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

Design a site like this with WordPress.com
Get started