মনিপুরের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া সেই দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা

যুক্তরাজ্যে মনিপুরের স্বাধীনতা ও প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা দেওয়া দুই রাজনীতিকের বিরুদ্ধে ভারতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) একটি তদন্তের জন্যও রাজ্য সরকার অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রকে। মঙ্গলবার লন্ডনে নির্বাসিত দুই মনিপুরি নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিত রাজ্যটির স্বাধীনতা ও প্রবাসী সরকার ঘোষণা করেন।

লন্ডনের প্রবাসী সরকারের নাম দেওয়া হয়েছে মনিপুর স্টেট কাউন্সিল। কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ইয়ামবিন বিরেন-কে। আর পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন নরেংবাম সমরজিত। তারা দুইজনই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তারা দাবি করেন, মনিপুরের মহারাজা লিয়েশেম্বা সানাজায়োবার হয়ে তারা এই ঘোষণা দিয়েছেন।

দুই নেতার বিরুদ্ধে ‘রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার’ অভিযোগে পুলিশের কাছে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিং। তিনি আরও জানিয়েছেন, রাজ্যের অপরাধ শাখা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। এছাড়া রাজ্য সরকার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে ঘটনাটি জানিয়েছে এবং এনআইএ’র তদন্ত চেয়ে অনুরোধ করেছে।

এদিকে, মনিপুরের রাজা লেইশেম্বা সানাজাওবা তার পক্ষ থেকে প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, তার পক্ষ থেকে কাউকে কথা বলার দায়িত্ব তিনি দেননি। তিনি শুধু ব্রিটিশ শাসনামলের কিছু নথি সংগ্রহ করতে বলেছিলেন।

৩ নভেম্বর কমলগঞ্জে ইন্দো-বাংলা কালচারেল এক্সচেঞ্জ অনুষ্ঠান

রফিকুল ইসলাম জসিম

বাংলাদেশ পোরৈ অপোকপা মরুপ এর আয়োজনে ও ইপসা এর সহযোগিতায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ইন্দো-বাংলা কালচারেল এক্সচেঞ্জ অনুষ্ঠান আগামী রবিবার ৩ নভেম্বর উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের হোমেরজান ইমা লইমরেন সিদাবী মন্দিরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জওহরলাল নেহেরু মণিপুর ড্যান্স একাডেমি, ওয়ার্ল্ড থাং টা ফেডারেশন এবং লোক সংগীত শিল্পী দোনা নারেঙবাম ও লানসানা চানুসহ শিল্পীরা মণিপুরী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করবেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বেগম নাজিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (উপ-সচিব) সন্দ্বীপ কুমার সিংহ, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক, ইন্টারন্যাশনাল পিস এণ্ড সোস্যাল এ্যাডভান্সমেন্ট, মণিপুর এর সভাপতি জয়চন্দ্র কনথৌজাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আশরাফুজ্জামান, সাধনা সংস্কৃতি কেন্দ্রের শিল্পনির্দেশক ও পরিচালক লুবনা মরিয়ম, কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, জওহরলাল নেহরু মণিপুর ড্যান্স একাডেমির পরিচালক এল উপেন্দ্র শর্মা এবং আদমপুরস্থ মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্স এর আহবায়ক জয়ন্ত কুমার সিংহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ পোরৈ অপোকপা মরুপ এর সভাপতি কংখাম নীলমণি সিংহ।

মণিপুরের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা-সতর্কতা জারি! 

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেওয়ার প্রায় তিন মাস পরে ওই রাজ্য এখন আর রাজ্য থাকল না।জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নামে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে এর আলাদা পরিচিতি দাঁড়াল। গতকাল বুধবার সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুসারে, দুটি অঞ্চল হিসেবে সেখানে কেন্দ্রের আইন জারি হয়।

জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নামে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে এর আলাদা পরিচিতি দাঁড়াল। গতকাল বুধবার সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুসারে, দুটি অঞ্চল হিসেবে সেখানে কেন্দ্রের আইন জারি হয়।

আজ বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক বহু প্রতীক্ষিত নাগা শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত পর্বটি হওয়ার অপেক্ষা।

নয়াদিল্লিতে বেলা ১১টার পর থেকেই নাগা শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত বৈঠক শুরু হচ্ছে বলেই জানা যায় গণমাধ্যমে।

এদিকে নাগা শান্তি চুক্তি ঘিরে উত্তর পূর্বাঞ্চলের নাগাল্যান্ড ও মণিপুরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত। এই চুক্তির একটি ভাগে বৃহত্তর নাগালিম অর্থাৎ স্বশাসিত নাগা এলাকা গঠনের কথা বলা হয়েছে। আর সেটা করা হবে মণিপুরের কিছু অংশ কেটে নিয়ে। এই কারণে মণিপুরে ছড়িয়েছে ক্ষোভ।

ভারতের মণিপুর রাজ্যেকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করলেন প্রদেশটির রাজনৈতিক নেতারা। একই সাথে তারা প্রবাসী সরকারও গঠন করেছেন। মণিপুর রাজ্য কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ামবেন বীরেন এবং বিদেশ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নরেংবাম সমরজিৎ এই ঘোষণা দেন।

২৯ অক্টোবর, মঙ্গলবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মনিপুর রাজ্যের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা ও ভারতের গণমাধ্যম দি নিউজ এমন খবর প্রকাশ করেছে।

মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আশঙ্কা, মায়ানমার সীমান্তের দিক থেকে হামলা চালাতে পারে এনএসসিএন খাপলাং শিবিরের জঙ্গিরা। সেনাবাহিনি, অসম রাইফেলসের জওয়ানরা রুট মার্চ শুরু করেছেন।

কোনওভাবেই মণিপুরের কোনও অংশ কাটা যাবে না বলে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে আন্দোলনে নেমেছে বিভিন্ন সংগঠন। এর জেরে মণিপুরি ও নাগাদের মধ্যে জাতিগত সংঘাত তৈরির সম্ভাবনাও প্রবল। ফলে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি। পাশাপাশি উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও জারি হয়েছে বিশে, সতর্কতা।

ভারত থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা মণিপুর, বিস্মিত স্বয়ং রাজাই

ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন মণিপুর রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা করা হল লন্ডনে। ব্রিটেনে রাজধানীতে বসে মণিপুরের রাজার প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা স্বাধীন রাষ্ট্রের ঘোষণা করলেন। তবে এই বিষয়ে তাঁর কিছুই জানা নেই, এবং এই ঘটনায় তিনি বিস্মিত বলে জানিয়েছেন মণিপুরের প্রাক্তন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা।

মঙ্গলবার লন্ডনে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে মণিপুরের দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়েমবেন বীরেন ও নারেংবাম সমরজিৎ নিজেগদের মণিপুরের রাজার প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করে ‘মণিপুর স্টেট কাউন্সিল’ গঠনের কথা ঘোষণা করেন। তাঁরা নিজেদের যথাক্রমে কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিদেশ বিষয়ক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। ২০১৯ সালে এই দুইজনকে ব্রিটেন রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল।

তাদের দাবি ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল মণিপুর। তবে ভারতের সঙ্গে যোগ দেয়নি। ১৯৪৬ সালের ২৭ ডিসেম্বরই ব্রিটিশ রাজ ভারত থেকে মণিপুরকে বিচ্ছিন্ন করেছিল। কিন্তু ১৯৪৯ সালে সেই আইন লঙ্ঘন করে ভারত মণিপুর রাজ্যকে কব্জা করেছিল। কাজেই স্বাধীন মণিপুর রাষ্ট্রের গঠন হেছিল অনেকদিন আগেই। সেই রাষ্ট্রকেই পুনরুদ্ধার করতে চাইছে তারা। তাঁরা জানিয়েছেন এখন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে তাঁরা স্বাধীন মণিপুর রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য আবেদন জানাবেন। তারপর রাষ্ট্রসঙ্ঘের দ্বারস্থ হবেন।

এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা স্বয়ং। যেভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাতে তিনি বিস্মিত। জানিয়েছেন কড়া ভাষায় এর নিন্দা করছেন তিনি। সমাজে এতে করে নেতিবাচক প্রভাব বাড়বে বলে মত দিয়েছেন তিনি।

বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজ্য প্রশাসনও। মুখ্য়মন্ত্রী এন বীরেন সিং জানিয়েছেন, ওই দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার বিরুদ্ধে রাজ্য প্রশাসন রাষ্ট্রে বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা অভিযোগে মামলা করেছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের বিশেষ শাখা বিষয়টি দেখছে। বিশদ তথ্যাদি পেলে মামলাটি ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি বা এমনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে জানতেন না মনিপুরের রাজা, দাবি ভারতীয় গণমাধ্যমের

লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ইয়াম্বেন বাইরেন ও পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নারেংবাম সমরজিত রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবায়ের পক্ষ থেকে মনিপুরকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করেন (ছবি : দ্য হিন্দুস্থান টাইমস)

লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ইয়াম্বেন বাইরেন এবং পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নারেংবাম সমরজিত বুধবার রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবার পক্ষে ভারত থেকে মনিপুরকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করেছেন। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। মনিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণার সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেছেন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দুস্থান টাইমস’ প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, যে রাজার নামে ভারত থেকে মনিপুর রাজ্যকে স্বাধীন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সে রাজাই এই বিষয়ে কিছু জানেন না। এমনকি এমন ঘোষণায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা।

বুধবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তার বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি।

‘দ্য হিন্দুস্থান টাইমসের’ দাবি- ওই ভিডিও বার্তায় রাজা লেইসেম্বা জানান, লন্ডনে বসে ইয়ামবিন বিরেন এবং নারেংবাম সমরজিত নামের যে দুইজন মনিপুর নিয়ে বিতর্কিত দাবি করেছেন তাদের অনুরোধে কিছু কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন তিনি। লন্ডনে কিছু ঐতিহাসিক দলিল ও ছবি নিয়ে গবেষণার জন্য ওই কাগজে রাজার স্বাক্ষর দরকার বলে জানিয়ে তার থেকে সই নেওয়া হয়েছিল।

ওই ভিডিও বার্তায় লেইসেম্বা আরও বলেন, স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ফেরার পর ভারত থেকে মনিপুরের স্বাধীন হওয়ার খবরটি জানতে পারেন তিনি। এটা শুনে তিনি খুবই বিস্মিত হয়েছেন।

ভারত ভেঙে স্বাধীনতা ঘোষণা করল মণিপুর রাজ্য!

ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির মনিপুর রাজ্য। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে এ ঘোষণা দেয়ার পাশাপাশি তারা প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা দেন।

ওই দুই নেতা দাবি করেন, তাদের এ ঘোষণা রাজা লেইশেম্বা সানাজাওবার পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, লন্ডনে বসবাসরত দুই মনিপুরী নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিৎ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ‘প্রবাসী মনিপুর সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিরেনকে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ও সমরজিৎ নবগঠিত সরকারের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাজ্যে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে কিংবা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মুখ খোলেননি মনিপুরী রাজাও।

নরেংবাম সমরজিৎ বলেন, তারা জাতিসংঘে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা চালাবেন।

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন দেশের কাছে স্বাধীনতার স্বীকৃতি চাইব… জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার জন্য। আমরা আশা করছি, অনেক দেশ আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে।

মনিপুর ভারতের সবচেয়ে ছোট রাজ্যগুলোর একটি। এর জনসংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ।

ভারত ভেঙ্গে স্বাধীনতা ঘোষণা করল মনিপুর রাজ্য!

ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির মনিপুর রাজ্য। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে এ ঘোষণা দেয়ার পাশাপাশি তারা প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা দেন।

ওই দুই নেতা দাবি করেন, তাদের এ ঘোষণা রাজা লেইশেম্বা সানাজাওবার পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, লন্ডনে বসবাসরত দুই মনিপুরী নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিৎ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ‘প্রবাসী মনিপুর সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিরেনকে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ও সমরজিৎ নবগঠিত সরকারের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাজ্যে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে কিংবা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মুখ খোলেননি মনিপুরী রাজাও।

নরেংবাম সমরজিৎ বলেন, তারা জাতিসংঘে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা চালাবেন।

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন দেশের কাছে স্বাধীনতার স্বীকৃতি চাইব… জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার জন্য। আমরা আশা করছি, অনেক দেশ আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে।

মনিপুর ভারতের সবচেয়ে ছোট রাজ্যগুলোর একটি। এর জনসংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ।

ভারতের মণিপুর রাজ্য যে কারণে নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে!

উত্তর পূর্ব ভারতের ৭ রাজ্যকে বলা হয় সেভেন সিস্টার। এই ৭ রাজ্যের কেউ কেউ স্বাধীনতাকামী তার মধ্যে অন্যতম মণিপুর রাজ্যটি। মূলত স্থানীয় আদিবাসী রাজারা এই রাজ্যগুলো শাসন করেন। এখানকার লোক অনেকদিন ধরেই স্বাধীনতার দাবি জানিয়ে আসছে কখনো প্রত্যক্ষ কখনো পরোক্ষভাবে।

এই তো এইবছরেরই ঘটনা। ভারতের স্বাধীনতা দিবসে মণিপুর রাজ্যে কয়েক হাজার লোক নাগা পতাকা উড়িয়ে স্বাধীন ভূমির পক্ষে সমর্থন দেয়। নিজেদের পতাকা উড়িয়ে তারা নিজেদের স্বতন্ত্রতা জানান দিয়েছিলেন।

কিছুদিন আগে জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতাকে মোদী সরকার বিলোপ করলেন ৩৭০ ধারা বাতিল করে, এরকম বিশেষ কিছু সুবিধা ভোগ করে উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিও। ৩৭১ ধারার অধীনে নাগাল্যান্ড, মণিপুর, আসাম, সিকিম সহ কয়েকটি রাজ্যকে বিশেষ সুবিধা দেয়া আছে। কিন্তু, ৩৭০ ধারা বাতিলের ধরণ ও মোদী সরকারের আচরণে তারা উদ্বিগ্ন তো বটেই, বিচ্ছিন্নতাবাদীদের স্বাধীনতার দাবিও জোরালো হচ্ছিলো এতে।

আর গতকালই আকস্মিকভাবে লন্ডন থেকে মণিপুর রাজ্যের স্বাধীনতাকামীদের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা আসে। তারা নিজেদের স্বাধীন ঘোষণা দেন, এমনকি ইতিমধ্যে তারা লন্ডনে অন্তর্বর্তীকালীন প্রবাসী সরকারও গঠন করে ফেলেছেন।

রাজ্যটি ভারতের সাথে যুক্ত হয়েছিল ১৯৪৯ সালে। কিন্তু সবসময়ই এখানে একপক্ষ স্বাধীনতার দাবিতে সক্রিয় ছিলেন। ক্ষুদ্র এই রাজ্যটিতে ২৮ লক্ষ মানুষের বসবাস। এখানে ভারতীয় মিলিটারির অবস্থান সার্বক্ষণিক এবং মণিপুরের সাথে মায়ানমারের সীমান্ত আছে। নৃশংসতা এখানকার নিত্যদিনকার ঘটনা।

বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী এখানে বাস করে, তাদের সংস্কৃতিও ভিন্ন। কিন্তু, তারা মনে করছে নিয়ন্ত্রণমূলক যে জীবনে তারা বাধ্য এতে করে তাদের সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাদের ইতিহাস বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে তারা স্বতন্ত্র জাতি হিসেবেও বিলুপ্ত হয়ে যাবে, বিলুপ্ত হবে নিজস্ব সংস্কৃতিও। তাই তারা স্বাধীনতার দাবি তুলেছেন মূলত।

প্রবাসী সরকার মণিপুরে মানবাধিকার লঙ্গনের কথা তুলে ধরেছে। তাদের দাবি গত ১০ বছরে মণিপুরে ৪৫০০ মানুষকে বিচারবহির্ভূতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারা মণিপুরের আরো সমস্যার কথা তুলে ধরে বলেন, ভারতে থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা দিলে ভারত সরকার দ্বারা নির্যাতন বা গুম খুনের সম্ভাবনা থাকত। তাই তারা প্রবাসী সরকার গঠন করে রাজ্যের রাজার অনুমোদনে স্বাধীনতার ঘোষণা দিচ্ছেন।

মণিপুর রাজ্যের রাজার পক্ষে মণিপুরের স্বাধীনতার দাবিটি ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী ইয়ামবেন বিরেন ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সমরজিত।
মণিপুরের প্রবাসী সরকারের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী সমরজিত জানান, তারা জাতিসংঘে মণিপুরের স্বাধীনতার স্বীকৃতি আদায়ের জন্যে চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তারা প্রত্যাশা করছেন বিশ্ববাসী মণিপুরকে স্বীকৃতি দিবে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে, এই লক্ষ্যে তারা কূটনৈতিক চেষ্টা চলমান রাখবেন।

লন্ডন থেকে স্বাধীন মণিপুরের ঘোষণা

ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেন মণিপুরের নেতারা। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাধীন মণিপুর স্টেট কাউন্সিল গঠন করার কথাও জানিয়েছেন তারা। খবর জিও নিউজ, আল জাজিরা, দ্য হিন্দু, হিন্দুস্থান টাইমস, বিজনেস রেকর্ডার।

সংবাদ সম্মেলনের ঘোষণা মতে ঘোষিত স্বাধীন মণিপুরের সরকার লন্ডনে নির্বাসিত থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত প্রতিনিধিরা মণিপুরের মহারাজার একটি অফিস আদেশ দেখান। ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত একটি চিঠির মাধ্যমে মণিপুরের রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য দুজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তারা হলেন ইয়ামবেন বাইরেন ও নারেংবাম সমরজিত।

সংবাদ সম্মেলনে তারা জানিয়েছেন, যেহেতু ভারতে অবস্থান করে স্বাধীনতার ঘোষণা দিলে তাদেরকে নানারকম হয়রানিসহ হত্যা করার সম্ভাবনাও ছিল, তাই তারা গত সেপ্টেম্বরেই যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন।

তারা আরও জানান, মণিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছ থেকে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য এই সময়টাকেই তাদের সর্বোত্তম মনে হয়েছে। তবে তারা আরও বড় পরিসরে জাতিসংঘের কাছে এই নতুন রাষ্ট্রের স্বাধীনতার ব্যাপারে আলোচনা শুরু করবেন।

উল্লেখ্য ৩০ লাখ মণিপুরের মানুষ স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি চায়। তারা ভারতের সাথে মিলেমিশে একটি প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে থাকতে চায়। ঘৃণা এবং জিম্মি করে রাখার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে তারা নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে আগ্রহী।

পালিয়ে বিয়ে করতে চাইলে সহায়তা দেবে পুলিশ!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পারিবারিক আপত্তিসহ নানা কারণে যারা বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছেন তাদের পাশে দাঁড়াবে পুলিশ। সম্প্রতি এমনই জানানো হয়েছে ভারতের রাজস্থান পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পারিবারিক আপত্তির কারণে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করতে হচ্ছে যে সব জুটিকে, তাদের পাশে এসে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছে রাজস্থান সরকারের পুলিশ দফতর।

ওই খবরে বলা হয়েছে, পলাতক দম্পতিদের জন্য ‘শেল্টার হোম’ তৈরির কথা ভাবছে রাজস্থান পুলিশ। সংবাদমাধ্যমকে দেয়া এক সক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল অব পুলিশ জঙ্গা শ্রীনিবাস রাও।

তিনি জানান, পলাতক দম্পতিদের যাতে কোনো বিপদে পড়তে না হয়, সেই কারণেই এই ‘শেল্টার হোম’ ভাবনা।

তিনি আরও জানান, রাজ্য পুলিশের সদর দফতর থেকে সব জেলার পুলিশ সদস্যদের জানানো হয়েছে, রাজ্যের যে কোনো প্রান্তে এমন সমস্যায় পড়া সদ্যবিবাহিতদেরযেন সর্বতোভাবে সাহায্য করা হয়। রাজস্থান হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক পলাতক দম্পতিদের জীবনের সুরক্ষা দেয়া একান্ত কর্তব্য।

এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, পলাতকদের সাহায্যের জন্য রাজ্যের সব পুলিশ রেঞ্জ ও জেলায় সিনিয়র স্তরের মহিলা পুলিশ অফিসার রাখা হবে।

প্রসঙ্গত, এই শেল্টার হোম ও অন্যান্য পদক্ষেপ সেই রাজ্যে ক্রমবর্ধমান অনার কিলিং বন্ধ করার সহায়ক হবে বলেই ধারণা রাজস্থান পুলিশের।

মণিপুরি মুসলমান কবি আবদুর রহমানের জীবন ও সাহিত্যকর্ম    

রফিকুল ইসলাম জসিম

যারা শুধু লিখতে এসেছিলেন, লেখার সঙ্গে জীবনকে বেঁধে ফেলেছিলেন, লেখার জন্য নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন, যাদের জীবন ও লেখা একাকার হয়ে গিয়েছিল, যাদের সৃষ্ট চরিত্রের সঙ্গে তাদের জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছিল- তাদেরই একজন আবদুর রহমান।

রহমান শৈশব থেকেই গদ্য ও কবিতা রচনা শুরু করেছিলেন। একটি নিখুঁত গবেষকও ছিলেন। শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির এমন কোন শাখা নেই যেখানে তার বিচরণ ছিল না। আসাধারণ তার সাহিত্যকর্ম। তার অতূলনীয় সাহিত্যকর্ম বা সৃষ্টি সম্পর্কে স্বল্প পরিসরে বর্ণনা সম্ভব নয়। তিনি অন্যের সংস্কৃতিতে আগ্রহী হন এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে সমান আচরণ করেন। তাঁর কাছে মানুষের উচ্চ ও নিম্ন শ্রেণির কোনও বিভাজন নেই। তিনি ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী। সমাজ ও মনোবাস্তবতার রূপকার আবদুর রহমান। সাহিত্য সাধনায় তিনি ছিলেন সৎ পথের সন্ধানী। স্বপ্ন-বিলাসী মন তাঁর ছিল না, বরং সবরকম শোষণ, উৎপীড়ন ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন সোচ্চার। তাই সাহিত্য জীবনের প্রথম পর্বে মধ্যবিত্তের উপরিস্তরের আবরণকে তিনি উন্মোচন করেছেন অত্যন্ত সার্থকতার সঙ্গে।

মুহাম্মদ আবদুর রহমান ২ শে জানুয়ারী, ১৯৩৫ সালে ইম্ফাল পূর্ব জেলার ক্ষেত্রীগাও গ্রামে মণিপুরি মুসলমান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি কুঠিবেম সিফাত উল্লাহ (পিতা) এবং কুঠিবেম (ওঙ্গবি) মৈনাম জুহরা বিবি (মাতা) -এর জন্মগ্রহণ করেন। তার মা তিনটি সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন, যার মধ্যে রহমান বড় ছিলেন। তাঁর বাবা সিফাতুল্লাহ একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক ছিলেন এবং যিনি গজলের শিক্ষক হওয়ায় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি গভীর আগ্রহী ছিলেন এবং মেয়েদের শিক্ষার জন্য কেইখু বালিকা নিম্ন প্রাথমিক মাদ্রাসা (১৯৮৬) প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

শিক্ষা জীবন:

এম আবদুর রহমান ৪ থেকে ৫ বছর বয়সে আরবি কায়দা (ভিত্তি) দিয়ে ধর্মীয় শিক্ষা শুরু করেছিলেন। তাঁর বাবা ছিলেন তাঁর প্রথম শিক্ষক। আরবী ভাষা শেখার কারণ হ’ল পবিত্র কুরআন পাঠ করা, নামাজ (দৈনিক প্রার্থনা) করা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা করা সক্ষম করা।

এরপরে, তিনি খেরগাও নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিখতে শুরু করেছিলেন। তিনি ১৯৪২ সালে পোরম্প্যাট নিম্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাথে মিলিত হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের স্লেটে উত্তর লেখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল (হার্ড ফ্ল্যাট উপাদানের পাতলা টুকরো) এবং পরীক্ষার একই দিনে তাকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পাসের ঘোষণা করা হয়েছিল। তিনি চুরচাঁদ উচ্চ বিদ্যালয়ে তৃতীয় থেকে দশম (১৯৪৩থেকে ১৯৫০) পর্যন্ত ক্লাস করতে পারতেন।

পরে, তিনি গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত ১৯৫১ সালে ম্যাট্রিক পরীক্ষা শেষ করতে পারেন। তারপরে, তিনি আইএ (ইন্টারমিডিয়েট অফ আর্টস) পড়ার জন্য ইম্ফালের ডিএম কলেজে ভর্তি হন। দারিদ্র্যের কারণে কলেজের কোর্স শেষ করতে পারেননি তিনি। তবে তিনি স্ব-অধ্যয়ন এবং স্ব-গবেষণা বন্ধ করেননি। তিনি হিন্দি ভাষার কোর্স ‘প্যারীচাই’ এবং ‘কোবিড’ সম্পন্ন করেছিলেন তাই তিনি উর্দু, হিন্দি এবং ইংরেজি বিষয়ে দক্ষ জ্ঞান অর্জন করতেন।

তিনি একজন সাহিত্যপ্রেমী ও পাঠক ছিলেন এবং তাঁর আগ্রহের অনেকগুলি বিষয় পড়তেন। তিনি জার্নাল / মাসিক যেমন পড়তেন। জাগ্রত (ট্রান্সওয়াল, দক্ষিণ আফ্রিকা), ইসলামিক পর্যালোচনা (ওকিং, ইংল্যান্ড), আল ইত্তেহাদ (ইউএসএ), দ্য লাইট (লাহোর, পাকিস্তান), ইসলামিক ভয়েস (ব্যাঙ্গালোর, ভারত), দ্য রেডিয়েন্স (নয়াদিল্লি, ভারত) ইত্যাদি তাঁর উত্তর তাঁর যোগ্যতা সম্পর্কে এক প্রশ্নের মুখে হাসি হ’ল, “আমি এখনও একজন ছাত্র”। তবুও তিনি খুব কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং তিনি বিশ্বাস করেন যে এটি তার জ্ঞান বৃদ্ধি করেছে।

জীবন সংগ্রাম:

দারিদ্র্যের কারণে তিনি চাকরি সন্ধান করতেন। তিনি ইম্ফল পোস্ট অফিসে চাকরি পেয়েছিলেন এবং ক্ষেত্রীগাওয়ের ব্রাঞ্চ পোস্ট অফিসে কাজ শুরু করেন। কয়েক বছর পর তাকে জোড়াহাট পোস্ট অফিসে স্থানান্তর করা হয়। ততক্ষণে জোড়াহাট ডাকঘরটি ইম্ফল পোস্ট অফিসের অধীনে ছিল। বাড়িতে জনবলের অভাবে তিনি জোড়াহাটে যাননি। এইভাবে, তিনি তার কঠোর উপার্জনের কাজটি ছেড়ে দিয়েছেন। পরে তিনি ১৯৫৪ সালে ফাতেমা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসাবে যোগদান করেন। এখন, বিদ্যালয়ের অস্তিত্ব নেই।

অবশেষে তিনি কৃষি বিভাগে নিম্ন বিভাগের কেরানী হয়েছিলেন কেবল পরে অ্যাকাউন্ট অফিসার হওয়ার জন্য। তিনি হিসাবরক্ষণের ক্ষেত্রে অ্যাকাউন্টিং জেনারেল, শিলং (১৯৬৫-৬৬৬৬), সচিবালয় প্রশিক্ষণ ও পরিচালনা ইনস্টিটিউট, নয়াদিল্লি (১৭৭৮) এবং স্টেট অফ ট্রেনিং, ইম্ফল (১৯৮৯) থেকে অনেক প্রশিক্ষণ পান। ১৯৯৩ সালে তিনি তাঁর চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

বিবাহ জীবন:

১৯৫৪ সালে এম এ রহমান এফাম আমিনা খাতুন, ডি / ও কাজী সানাজোবা-র সাথে বিবাহ করেন। তাঁর শ্বশুর শাশুড়ি ছিলেন মহারাজা চুরচাঁদ সিংহের প্রাসাদে (১৮৮৬868-১41১১) একজন মনোনীত কাজী। রহমান উত্তরাধিকার সূত্রে পাঁচ ছেলে ও দুই কন্যা পেয়েছেন।

সামাজিক জীবন:

তিনি মূলত ১৯৫০ থেকে ১৯৬০ সালে সামাজিক জীবনে গভীর আগ্রহী ছিলেন। এটি তাঁর জীবনের সময়কালে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় ছিল। আতাউর রহমান খান এবং মৌলভী জহুরউদ্দিন খানের সাথে মেলামেশা করে তিনি নিম্নলিখিত রচনায় জড়িত ছিলেন – আনসারুল ইসলাম গ্রন্থাগার স্থাপন (বর্তমানে বিদ্যমান নেই) মূলত শিক্ষার্থী ও সমাজের উন্নয়নের জন্য পল্লী যুব সংগঠন প্রতিষ্ঠা (বর্তমানে নেই) মহররম ও মিলাদ-উন-নবী উদযাপন শুরু হয়েছে, লশানী শিশু কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা (বর্তমানে অস্তিত্বহীন) খেরগাও এম.ই. স্কুল থেকে জুনিয়র স্কুল ইত্যাদির রূপান্তর প্রচেষ্টাতে অংশ নিয়েছি

খেলাধুনা:

তিনি খেলাধুলায়ও গভীর আগ্রহী ছিলেন। তাঁর প্রিয় ক্রীড়া ইভেন্ট হকি এবং ফুটবল ছিল। সর্বোপরি তিনি মুকনা (ঐতিহ্যবাহী মণিপুরী কুস্তি) খেলতেন।

সংযুক্ত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন:

নিম্নলিখিত সংস্থা / সমিতিগুলি তার সাথে যুক্ত / ছিল।

কালচারাল ফোরাম, মণিপুর⇒ লিবার্টি পাবলিশিং সমিতি, মণিপুর, এমা লাইবাক প্রকাশনা বোর্ড, মণিপুর ⇒ ইসলামিক সাংস্কৃতিক ও গবেষণা সমিতি, মণিপুর। লেখক ইউনিয়ন, মণিপুর, ওয়াকফ বোর্ডের সদস্য (১৯৯৯থেকে ২০০৪ দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি লেখক হিসাবে:

তিনি অবিচ্ছিন্ন শেখা এবং গবেষণায় আগ্রহী হন। তাঁর মধ্যে এই অভ্যাসই তাকে লেখক হয়ে উঠেছে। তিনি তাঁর অবদানগুলি মূলত থৌডাং (১৯৫৭), পাইমে ইসলাম (১৯৬২), মিংসেল, ইতু ইত্যাদিতে তাঁর অবদানের সূচনা করেছিলেন ইতুতে তাঁর পাঙ্গাল ফোকসংয়ের অনুসন্ধান প্রকাশিত হয়েছিল।

পরে তিনি কায়মুদ্দিন পুখরিমায়ুমের সাথে “পাঙ্গালগী খুনুং এষেই” শিরোনামে একটি সম্পাদিত খণ্ড প্রকাশ করেন (১৯৮৬), লিবার্টি পাবলিশিং অ্যাসোসিয়েশন, ইম্ফল দ্বারা প্রকাশিত)। তিনি মনে করেন যে তিনি প্রচুর পরিমাণে মাইতেই পাঙ্গাল লেখক না থাকার শূন্যতা পূরণ করছেন।

তিনি মণিপুর ইউনিভার্সিটির মণিপুরী বিভাগে অনুষ্ঠিত সেমিনারে সাহিত্যের উপর ধারাবাহিক গবেষণা পত্র লিখতেন এবং পড়তেন। তিনি অনেক গবেষণা পন্ডিতকে সহায়তা করেছেন। তিনি ‘আলম’ নামে কলমে দৈনিকগুলিতে ইসলাম ভিত্তিক অনেক নিবন্ধ লিখেছিলেন।

প্রকাশিত বই এবং পুস্তিকা:

মণিপুরী ভাষায় তাঁর বই এবং পুস্তিকা দুটি বিভাগে যেমন উদাহরনঃ ইসলামী সাহিত্য এবং সাধারণ সাহিত্য। এগুলি নিম্নলিখিত হিসাবে রয়েছে।

ইসলামী সাহিত্য

(১) রোজা (১৯৮৬) (২) ইউসুফ-জুলেখা (১৯৮৭) (৩) ঈদ আনি (১৯৮৭) (৪) মোহাররম আমসাং কারবালাগী ল্যান (১৯৯২) (৫) ইসলাম (১৯৯৭) (৬) দুনিয়া আখিরাতকী লরোকফামনি, পুস্তিকা (১৯৯৯) (৭) খংফাম থোকপা ফারজ খারা (২০০০) (৮) ল্যাঙ্কোল (২০০৩) (৯) লাইরামেল, বুকলেট (২০০৬) (১০) খুতওয়াতুল ওয়াদা (২০০৯) (১১) খংবাদা কানবা (২০১৫)

সাধারণ সাহিত্য

(১) থম্মোজি খোলাও (১৯৮০) (২) পাঙ্গালগী খুনুং এষেই (এল.কায়ামউদ্দিন পুখরিয়ামের সহ-সম্পাদিত) (১৯৮৬)

(৩) পেলে তাইবাং (২০০০) (৪) এরাল্ডুবু কারিনো (২০০২)

(৫) শাহির সালিমা লুহংবা (২০০৪) (৬) নাগাক্লবা পুনশি (২০০৭) (৭) এচেল আমাসং খোঞ্জেল (২০১১) (৮) শোকলাবা ঠম্মোইগি খোলাও, কবিতা (২০১৭)

মণিপুরী সাহিত্যে তাঁর অবদান ছাড়াও তিনি ইংরেজী ভাষায়ও অবদান রেখেছিলেন যেমন, মণিপুরি মুসলমান (মাইটি পাঙ্গাল) সম্পর্কে লেখা অংশটি: এন.সানাজোবা (সম্পাদনা) মণিপুর অতীত এবং বর্তমান খণ্ড। চতুর্থ, মিত্তাল পাবলিকেশনস, নয়াদিল্লি।

আব্দুর রহমান দীর্ঘ দর্শন এবং কথার সংক্ষিপ্ত ব্যবহার করতেন। তিনি লেখকের প্রতি তাঁর আগ্রহকে একটি চ্যালেঞ্জ হিসাবে গ্রহণ করেছেন যে তিনি লেখালেখি বন্ধ করেননি। একজন লেখক হিসাবে তাঁর কেরিয়ারের সময় তিনি এই ক্ষেত্রে অন্যদের দ্বারা উপহাসের পরিমাণে বিলাসবহুল জীবনকে ত্যাগ করেছিলেন। সাহিত্যের ক্ষেত্রে তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে বিভিন্ন সংগঠন থেকে তিনি আজ অবধি নিম্নলিখিত সম্মাননা পেয়েছিলেন।

⚛ সাহিত্যভূষণ ও পুরস্কার

মণিপুরী সাহিত্য সমৃদ্ধ করতে এবং মণিপুরীর মুসলমানদের মধ্যে মণিপুরী সাহিত্যের প্রচারে তাঁর অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আব্দুর রহমান বহু পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন।

⚛ ২০০৩ (মণিপুরী সাহিত্য পরিষদ প্রদত্ত মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য পুরষ্কার)।

⚛ ২০০৪ বর্ষসেরা লেখক (নাহারোল সাহিত্য প্রেমী সমিতি, ইম্ফল দ্বারা প্রদত্ত)

⚛ ২০০৯ জীবন সাহিত্যের ভূমিকা জন্য শংসাপত্র, (স্বর্ণজয়ন্তী উদযাপন কমিটি মণিপুর রাজ্য কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, ইম্ফল দ্বারা প্রদত্ত)

⚛ ২০১৪ আইসিআরএ লাইফ টাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, (রাইটার্স ইউনিয়ন এবং ইসলামিক কুল্টু প্রদত্ত।

⚛ ২০১৯ মণিপুরী সাহিত্যে অবদানের জন্য আবদুর রাহমান খুটিয়ামকে গোপাল শর্মা পুরষ্কার ভূষিত।

আবদুর রহমানের দীর্ঘ একটা জীবন- যিনি সাহিত্যের জন্য বিছিয়ে রেখেছিলেন, মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য, অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকণের জন্য যিনি সারাটা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন- তাঁকে নিয়ে যে কোনো আলোচনা কেবল শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের প্রয়াস ছাড়া কিছু নয়।

ভূমিকা ও অনুবাদ:

রফিকুল ইসলাম জসিম

তথ্য সূত্রঃ

ই-পোও, মণিপুরি ভাষা অনুবাদিত।

রাসমোহন ভৌমিক স্মৃতি সম্মাননা পাচ্ছেন ৬ সংস্কৃতিজন

সংগীত-সরণি সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্রের দশম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের ৬ গুণি সংস্কৃতিজনকে রাসমোহন ভৌমিক স্মৃতি সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হচ্ছে। আগামী ২৫ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে গুণিজনদের হাতে এ পদক তুলে দেবেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

পদকপ্রাপ্ত গুণিজনেরা হলেন-ঝুনা চৌধুরী (থিয়েটার), মীর বরকত (আবৃত্তি), আশরাফুল আলম পপলু (চারুকলা), মুনমুন আহমেদ (নৃত্য), কমল খালিদ (সংগীত) ও গোলাম মোস্তফা (প্রবাসী সংস্কৃতিজন ও চলচ্চিত্র নির্মাতা)

এ ব্যাপারে সংগীত-সরণি সংস্কৃতি চর্চাকেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক শ্রাবন্তী পাল তন্বী আরটিভি অনলাইনকে বলেন, সংগীত-সরণির প্রতিষ্ঠাতা রাসমোহন ভৌমিক আমাদের ছেড়ে অকালে চলে গেছেন তার অনেক অসমাপ্ত কাজ রেখে। আমাদের সংগঠনের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমরা তাঁর নামে এ সম্মাননা স্মারক চালু করতে যাচ্ছি। যাঁরা আমাদের এ সম্মান পাচ্ছেন তারাও দেশের স্বনামখ্যাত গুণিজন। আমরা প্রতি বছর এমন আয়োজনের প্রত্যাশা রাখি।

জানা গেছে, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গোলাম কুদ্দুছ এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক ঋত্বিক নাট্যজন লিয়াকত আলী লাকী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন সংগীত-সরণির প্রধান উপদেষ্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক নিরঞ্জন অধিকারী।

এম/পি

জিরিবামে মণিপুরী কাব্য দিবস পালন

মণিপুরী সাহিত্য পরিষদ আয়োজিত “মণিপুরী কবিতা দিবস”, জিরীবাম টিচার্স কলোনি জিরিবামের রাজা রাম মোহন রায় লাইব্রেরী হলে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, “নুনশিবা আমাসং” শীর্ষক একটি কাব্যগ্রন্থ নিংতম লানমি “মুক্তিও পেয়েছিল।

মণিপুর ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন লিমিটেড, জিএম-এর ভাইস-চেয়ারম্যান কে শরৎ কুমার সিংহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন; এস খোগেন্দ্র সিং, সভাপতি মণিপুরী সাহিত্য পরিষদ জিরিবাম (এমএসপিজে); নংমাইথেম বঙ্কিম সিং, এডিসি / সিইও জিরিবাম এবং থ্রি আমুরাশি দেবী, জেডিও জিরিবম প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসাবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কে শরতকুমার সিংহের আনুষ্ঠানিক প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের শুরু হয়, যখন জেনারেল সিকি এমএসপিজে, শরৎ থোকচম স্বাগত ও মূল বক্তব্য প্রদান করেন।

ডঃ এন বিজয়া দেবী, সহকারী অধ্যাপক জিরি কলেজ এবং নন্দেশ্বরী হিজাম, সহকারী অধ্যাপক জিরি কলেজ বিশেষত ডাঃ লামবাম কমল সিংহের জীবন এবং মণিপুরী সাহিত্যের বিকাশের জন্য তাঁর সেবা ও উত্সর্গের বিষয়ে বিশেষত সম্পদ ব্যক্তি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

পরে প্রধান অতিথির মাধ্যমে রোমিও মাইরাংথমে রচিত “নুংশিবা অমসুং নিংতম লানমি” শীর্ষক কাব্যগ্রন্থ এবং সিনাম তুনুবাবু সিংহের রচিত “অমঙ্গবা নং” প্রকাশিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি কে শরতকুমার সিং বলেন, মণিপুর আমাদের সমৃদ্ধ অতীত ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন সমৃদ্ধ সাহিত্যে ধন্য।

সূত্র: সাঙ্গাই এক্সপ্রেস

কলকাতায় ‘মণিপুরি কবিতা দিবস’ পালিত!

কলকাতা প্রতিনিধি:

ভারতের কলকাতার মণিপুরী (এমআইকে) রবিবার মণিপুরের মণিপুর ভবনে মণিপুরের কবিতা ও ফিকশন ক্লাবের সহযোগিতায় “মণিপুরী কবিতা দিবস” পালন করেছে।

কলকাতায় মণিপুর ভবন, সহকারী আবাসিক জেলা প্রশাসক বিক্রম উপস্থিত ছিলেন এবং প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার আইসিএআর-ইন্ডিয়ান অ্যাগ্রিকালচার্ট রিসার্চ, প্রিন্সিপাল সায়েন্টিষ্টস ডক্টর সুখাম মুনিলকুমার।

এন রঞ্জিতা সরকার, পুরষ্কার নংথম্বম কুঞ্জোমোহন অনুবাদ পুরষ্কার, ২০১৮, কবি বারজা কুমার সরকার এবং ল্যাশরাম গোপেশোর যথাক্রমে সম্মানিত অতিথি হিসাবে পালন করেছিলেন।

কলকাতায় মণিপুরী ‘মণিপুরী কাব্য দিবস’ পালনে উন্মুক্ত পাঠ অধিবেশনে মণিপুরী বিশিষ্ট লেখকগণ কবিতা আবৃত্তি করেছিলেন। উপস্থাপনায় এমআইকে কলকাতা জেনারেল সেক্রেটারি, রওশন খুমুকচাম করেছিলেন।

তাঁর বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন যে এমআইকে প্রথমবারের মতো এই সাহিত্য ইভেন্টে এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে এবং এটি আগামী বছরগুলিতে পর্যবেক্ষণ অব্যাহত থাকবে।

সভাপতি এবং প্রধান অতিথির ভাষায়, উল্লেখ করেছেন যে এটি কলকাতায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানের একটি খুব ভাল গান এবং কীর্তি, এবং এটি সবার জন্য উত্সাহিত হওয়া উচিত এবং এটি তরুণ এবং শিশুদের জন্যও খুব ভাল উদাহরণ।

মহিলা এবং শিশু নেতৃত্ব, ডাঃ নুনলেকপম প্রেমা দেবী ধন্যবাদ জ্ঞাপনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়েছিল।

বাংলাদেশের সকল সংবাদপত্র

Bangladeshi Newspaper
বাংলাদেশী সংবাদপত্র
বাংলা সংবাদপত্র

প্রথম আলো ই-পেপার

কালের কন্ঠ ই-পেপার

দৈনিক যুগান্তর ই-পেপার

দৈনিক ইত্তেফাক ই-পেপার

দৈনিক মানবজমিন ই-পেপার

দৈনিক জনকন্ঠ ই-পেপার

দৈনিক সমকাল ই-পেপার

দৈনিক ইনকিলাব ই-পেপার

দৈনিক ভোরের কাগজ ই-পেপার

দৈনিক নয়া দিগন্ত ই-পেপার

বাংলাদেশ প্রতিদিন ই-পেপার

দৈনিক আমার দেশ ই-পেপার

দৈনিক আমাদেরসময় ই-পেপার

দৈনিক সংবাদ ই-পেপার

দৈনিক মানবকন্ঠ ই-পেপার

দৈনিক দিনকাল ই-পেপার

দৈনিক যায়যায়দিন ই-পেপার

দৈনিক সংগ্রাম ই-পেপার

দৈনিক আজকালের খবর ই-পেপার

দৈনিক সকালের খবর ই-পেপার

দৈনিক আজকের পত্রিকা ই-পেপার

আলোকিত বাংলাদেশ ই-পেপার

English Newspapers

The Daily Star ePaper

The Independent ePaper

The daily Observer ePaper

The daily New Age ePaper

The Financial Express ePaper

The Bangladesh Today ePaper

News Today ePaper

Dhaka Tribune ePaper

The Daily Sun ePaper

News From Bangladesh ePaper

The Good Morning ePaper

Energy Bangla ePaper

Holiday ePaper

Prothom alo ePaper

জেলা ভিত্তিক পত্রিকা

চট্টগ্রামের প্রত্রিকাসমূহ / Chittagong Newspapers

দৈনিক পূর্বকোণ ই-পেপার

দৈনিক আজাদী ই-পেপার

দৈনিক পূর্বদেশ ই-পেপার

সুপ্রভাত বাংলাদেশ ই-পেপার

চিটাগাং ডেইলি ই-পেপার

দৈনিক দৈনন্দিন ই-পেপার

CTG Times.com
সিটিজি টাইমস্

bd News Times

পাক্ষিক খবরিকা ই-পেপার

সিটিজি বার্তা 24
CTG Barta24

Ctg News.com

CTG TRIBUNE

দৈনিক বাঁশখালী ই-পেপার

COX NEWS.com

পার্বত্য নিউজ
Parbatta News.com

রামু নিউজ ডট কম

Cox Bazar News.com

টেকনাফ নিউজ ডটকম

কক্সবাজার Live.com

কক্সবাজার টাইমস্ 24

দৈনিক ফেনীর সময় ই-পেপার

Cox’s Bazar 24

সিলেটের পত্রিকাসমূহ / Sylhet Newspapers

দৈনিক খোয়াই ই-পেপার

দৈনিক সিলেট ই-পেপার
Daily Sylhet

আমাদের সিলেট ডটকম

সিলেট রিপোর্ট

সুরমা টাইমস্

সিলেট বার্তা

সিলেট এক্সপ্রেস.com

সিলেটের সকাল

সিলেট নিউজ ওয়ার্ল্ড
Sylhet News World

সিলেট ওয়াচ24ডটকম

সিলেটের আলাপ
Sylheter Alap

সিলেট নিউজ টাইমস্

সিলেট নিউজ 24

দৈনিক পুণ্যভূমি ই-পেপার

সিলেটের সংবাদ

সিলেট ভিউ 24.com

সুনামগঞ্জ MIRROR

আমাদের নবীগঞ্জ

Daily হবিগঞ্জ

খুলনার পত্রিকাসমূহ / Khulna Newspapers

দৈনিক মাথাভাঙ্গা ই-পেপার

দৈনিক পূর্বাঞ্চল ই-পেপার

দৈনিক গ্রামের কাগজ ই-পেপার

দৈনিক পত্রদূত ই-পেপার

দৈনিক আন্দোলনের বাজার ই-পেপার

খুলনা নিউজ.com

বাগেরহাট নিউজ

যশোর নিউজ 24

মাগুলা নিউজ

ঝিনাইদহ নিউজ

কুষ্টিয়া নিউজ

মেহেরপুর সংবাদ

কুষ্টিয়া News 24

রাজশাহীর পত্রিকাসমূহ / Rajshahi Newspapers

দৈনিক করতোয়া ই-পেপার

দৈনিক সোনালী সংবাদ ই-পেপার

বগুড়া সংবাদ

দৈনিক সংবাদ কণিকা ই-পেপার

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

পাবনা বার্তা 24.com

ময়মনসিংহের পত্রিকাসমূহ / Mymensingh Newspapers

ময়মনসিংহ নিউজ ই-পেপার

দৈনিক ময়মনসিংহ বার্তা ই-পেপার

ভালুকা নিউজ.কম

দৈনিক আজকের জামালপুর ই-পেপার

শেরপুর নিউজ 24.com

বরিশালের পত্রিকাসমূহ / Barisal Newspaper

বরিশাল টুডে

আজকের বার্তা ই-পেপার

গৌরনদী.কম

পিরোজপুর নিউজ

পটুয়াখালী ওয়েব

রংপুরের পত্রিকাসমূহ / Rangpur Newspapers

দৈনিক রংপুর চিত্র ই-পেপার

রংপুর নিউজ 24.com

কুড়িগ্রাম নিউজ

দিনাজপুর নিউজ

দিনাজপুর 24.com

ঢাকার সংবাদপত্র / Dhaka Newspapers

বণিক বার্তা ই-পেপার

গাজীপুর 24.com

নারায়নগঞ্জ 24.com

নিউজ নারায়নগঞ্জ 24

দৈনিক মুন্সীগঞ্জের কাগজ ই-পেপার

মুন্সীগঞ্জ টাইমস্

কুমিল্লার পত্রিকাসমূহ / Comilla Newspapers

কুমিল্লার খবর

প্রথম খবর

কুমিল্লা ওয়েব

দৈনিক আমাদের কুমিল্লা ই-পেপার

কুমিল্লার বার্তা

(সাপ্তাহিক) আমোদ ই-পেপার

আমাদের ব্রাহ্মণবাড়ীয়া
Amader Brahmanbaria.Com

NEWS ব্রাহ্মণবাড়ীয়া.com

ব্রাহ্মণবাড়ীয়া 24.com

নোয়াখালী নিউজ

লক্ষ্মীপুর 24.com

চাঁদপুর ওয়েব.com

লোক সংবাদ

ফেনী সংবাদ

ফরিদপুরের পত্রিকা / Faridpur Newspapers

শরীয়তপুর নিউজ 24 ডটকম

রাজবাড়ী 24

রাজবাড়ী নিউজ 24

কমিউনিটি পত্রিকা / Community Newspapers

গ্লোবাল নিউজ ২৪
The GLOBAL NEWS 24

সংবাদ সংস্থা / News Agencies

News Agency of Bangladesh

UNB (United News of BANGLADESH)

বিদেশী বাংলা সংবাদপত্র

সেঞ্চুরি সংবাদ

গণদাবী

ONE INDIA BANGLA

Bangla Live.com

আমাদের মালদা

শেয়ার করুন

Design a site like this with WordPress.com
Get started