


নিরপেক্ষ ও সমাজের মুখপত্র



অপেক্ষা করুন, আমি আসছি
প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ ১৩ বছরের অধিক সময় পরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো ১ম সমাবর্তন। তাই সমাবর্তনকে কেন্দ্র করে গ্র্যাজুয়েটদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছিল পুরো ক্যাম্পাস।
প্রিয় ক্যাম্পাস জুড়ে গ্র্যাজুয়েটরা গাউন ও ক্যাপ পরে দলবেঁধে মনের আনন্দে বিচরণ করেছেন। সব জায়গায় উড়েছে কালো ক্যাপ। গাউন পেয়েই মুহূর্তগুলো স্মরণীয় করে রাখতে বিভিন্ন আঙ্গিকে ছবি তুলতে ব্যস্ত ছিলেন তাঁরা।
সেবক গ্র্যাজুয়েট

প্রিয়জনের সঙ্গে কিছু সময়

আমরা কৃষকের সন্তান

আমার খুশি সীমানা ছাড়িয়ে

রিকশাচালক গ্র্যাজুয়েট

আবার এক ফ্রেমে বন্ধুরা সবাই

ফিরে এসো বন্ধু

তোমায় নিয়ে আমাদের ভাবনা

মা আমায় দোয়া করো

আমরা আজ স্বাধীন

শীতে পরিযায়ী পাখিতে মুখরিত থাকে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার হাইল হাওরের বাইক্কা বিল। নানা জাত-প্রজাতির রং-বেরঙের পাখির কলকাকলি, খুনসুটি, ওড়াউড়ি ও পানির ভেতর ডুব দেওয়া আর দলবেঁধে সাঁতার কাটার দৃশ্য দেখে তৃপ্ত হন দেশি-বিদেশি পর্যটকরা। তবে এ বছর অন্যান্য বছরে মতো পাখির দেখা নেই। কমেছে পাখির সংখ্যা। তবে পাখির সংখ্যা কমলেও বেড়েছে পাখির প্রজাতি।
২০০৩ সালে হাইল হাওরের প্রায় ১২০ একরের বাইক্কা বিলকে অভয়াশ্রম ঘোষণার শুরু থেকেই বাইক্কা বিলের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করে আসছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘বড় গাঙ্গিনা সম্পদ ব্যবস্থাপনা সংগঠন’। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর পাখির সংখ্যা কমে এসেছে মারাত্মকভাবে। যার জন্য প্রধানত দুটি কারণকে দায়ি করছে সংগঠনটি। জলজ বন কমে যাওয়া এবং শীত কম থাকা।

সেই সাথে বাইক্কা বিলের ভেতরে পাখি শিকার বন্ধ থাকলেও হাইল হাওরের বিশাল এলাকায় জনবল সংকটের কারণে বন্ধ করা যাচ্ছে না পাখি শিকার। প্রতি রাতেই বিষটোপ এবং বিভিন্ন ধরনের জাল ব্যবহার করে নতুন নতুন পদ্ধতিতে পাখি শিখার করছে চোরা শিকারিরা।
সংগঠনের সভাপতি আব্দুস সোবান চৌধুরী বলেন, ‘এ বছর শীত বেশি পড়েনি তার ওপর প্রাকৃতিক কারণে কমে গেছে জলজ বন। পরিযায়ী পাখীদের বড় একটি অংশ পানিফল, হেলেঞ্চা, বল্লুয়া, চাল্লিয়া ইত্যাদিসহ পদ্মপাতাকে ঘিরে বসবাস করে। এসব জলজ বন থেকে নানা ধরনের উদ্ভিদ এবং পোকা খেতে পছন্দ করে। কিন্তু গত বর্ষায় প্রচুর কচুরিপানা থাকায় পানির নিচে থাকা জলজ বন কচুরিপানার কারণে নষ্ট হয়ে গেছে। যার কারণে জলচর পাখিদের সংখ্যা কমে এসেছে। ১২০ হেক্টরের বাইক্কা বিলের আয়তন বেড়েছে আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে। বর্তমানে এর আয়তন প্রায় ৩০০ হেক্টর। আমাদের ৬ জন প্রহরী বাইক্কা বিলকে চোরা শিকার থেকে মুক্ত রাখতে পারলেও হাইল হাওরের মতো বিশাল এলাকা সামলাতে প্রচুর জনবল প্রয়োজন।

বাইক্কা বিল ঘুরে দেখা যায়, পাখির আগমন ঘটলেও তা খুবই কম। বাইক্কা বিলের ওয়াচ টাওয়ারের সামনের অংশে অন্যান্য বছর জলজ বনে যেভাবে পাখির উপস্থিতি দেখা মিলত, এ বছর তা নেই। ওয়াচ টাওয়ারের বামপাশের কিছু অংশ ছাড়া বিশাল অংশ জলজ বন শূন্য। জলজ বন কমে গেছে অন্তত ৫০ শতাংশ। অন্যান্য বছর থেকে পাখির সংখ্যা এ বছর কম হলেও এ বছর বেড়েছে পাখির প্রজাতি। গত বছর বাইক্কা বিলে ৩৯ প্রজাতির পাখির দেখা মিললেও এ বছর এখন পর্যন্ত (৫ জানুয়ারি) ৭০ প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। যা নানা প্রজাতির পাখির জন্য বাইক্কা বিল আদর্শ জায়গা হিসেবে প্রমাণ করে।
বাইক্কা বিলে পাখির ছবি তুলতে এসেছেন ওয়াইল্ড লাইফ ফটোগ্রাফার মো. সামিয়াত জামান খান জিকো। তিনি বলেন, ‘প্রতি বছর এ মৌসুমে পাখির ছবি তুলতে আমি বাইক্কা বিল আসি। এ বছর পাখির উপস্থিতি অন্যান্য বছর থেকে কম। তবে আমি ৭০ প্রজাতির পাখির দেখা পেয়েছি। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য রাজ সরালি, সরালি, বালিহাঁস, পাতি তিলি হাঁস, মরচে রং ভুতিহাঁস, গিরিয়া হাঁস, পিয়ং হাঁস, গয়ার বা সাপপাখি, পাতি কূট, পাতি পানমুরগি, বেগুনি-কালেম, পানকৌড়ি, কানিবক, ডাহুক, জলময়ূর, ছোট ডুবুরি, ধলাবক, বেগুনি বক, ধূপনি বক, মাছরাঙা, গোবক, লাল ফিদ্দা, বড়গুটি ঈগল, পুবের পানকাপাসি, পালাসি কুরাঈগল, শঙ্খচিল, প্রায় ৫-৭ প্রজাতির ফুটকি, কালা লেজ জৌরালি, তিলা লালপা, বিল বাটান, গেওয়ালা বাটান, কালাপাখ ঠেঙি, লাল লতিকা টিটি, মেটেমাথা-টিটি, রাঙাচ্যাগা ইত্যাদি।

অভিযোগ রয়েছে, বাইক্কা বিল এবং হাইল হাওর থেকে রাতের আঁধারে প্রতিদিন পাখি শিকার করছে চোরা শিকারিরা। যা ভোরের আলো ফোটার আগেই মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে নির্দিষ্ট হাতে এবং স্থানে পৌঁছে দেওয়া হয়। বিষটোপ দিয়ে পাখি হত্যার প্রমাণও মিলেছে ছবিতে। পাখিপ্রেমী খোকন সিংহ জানান, তিনি প্রতি সপ্তাহে বাইক্কা বিল আসেন। বাইক্কা বিলে অনেক সময় বিষটোপ দিয়ে হত্যা করা পাখির মৃতদেহ দেখেছেন এবং সম্প্রতি এমন একটি পাখির ছবি ধারণ করেছেন।
পাখি শিকারের বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ বিভাগ) আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘পাখিদের কেউ যেন শিকার করতে না পারে, সে ব্যাপারে আমরা অতিরিক্ত সতর্ক আছি। তবে আমাদের জনবল দিয়ে বিশাল এলাকা পাহারা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সাধারণ জনগণ সচেতন হলে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমাদের জন্য ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হয়।

বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের তথ্যমতে, প্রতি বছর বাইক্কা বিলে অতিথি পাখি আসে। গত বছর এর আগের ১০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করে সর্বোচ্চ পাখি আসে বাইক্কা বিলে। ২০১৯ সালের পাখি শুমারিতে ৩৯ প্রজাতির ১১ হাজার ৬১৫টি পাখির দেখা মেলে। এর মধ্যে পৃথিবীজুড়ে বিপন্ন ৫ প্রজাতি বড়গুটি ঈগল, পালসি কুড়া ঈগল, উদয়ী গয়ার, কালা মাথা কাস্তেচরা ও মরচেং ভূতিহাঁস পাখি ছিল উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি পাখিবিদ ড. ইনাম আল হক বলেন, ‘এ বছর যেহেতু এখনো পাখি শুমারি হয়নি, তাই বলা যাবে না পাখি কম এসেছে নাকি বেশি এসেছে।’ নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তিনি বাইক্কা বিলে ঘুরে গেছেন জানিয়ে বলেন, ‘আমার চোখে অনেক প্রজাতির পাখির দেখা মিলেছে। তবে পাখি যদি কম এসে থাকে সেটা হবে দুঃখজনক। এ মাসের শেষেই আমরা পাখি শুমারি করব। তখন নিশ্চিত হওয়া যাবে পাখি কম নাকি বেশি এসেছে।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) মৌলভীবাজার জেলা কমিটির আহ্বায়ক আ স ম সালেহ সুয়েল বলেন, ‘পাখি শিকারিরা বিভিন্ন কায়দায় পাখি ধরে নিয়ে বাজারে বিক্রি করছে। তাই এসব অতিথি পাখি আর বাইক্কা বিলকে নিরাপদ ভাবছে না। ফলে কমছে অতিথি পাখির সংখ্যা। সেই সাথে নিয়ম না মেনে বাইক্কা বিলের আশেপাশে তৈরি করা হচ্ছে ফিশারি। যার কারণে উদ্ভিদ ও জলজ বৈচিত্র্য নেই। জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে স্থানটিকে নিরাপদ রাখতে পারলে সারা বছর এখানে পাখি থাকবে। জলজ উদ্ভিদের ভেতর লুকিয়ে থেকে পরিযায়ী পাখিরা নিজেকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করে এবং খাবার সংগ্রহ করে। জলজ বনে জলময়ূরসহ অনেক প্রজাতির পাখি ডিম পাড়ে। তাই জলজ বন না থাকলে পাখি আসবে না। এগুলোর দিকে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।
জেনিফার গ্রাউত একজন মা’র্কিন সংগীতশিল্পী। তিনি ২০১৩ সালে ইস’লাম ধ’র্ম গ্রহণ করেন। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ২০১৫ সালে, ইউটিউবে কোরআন তিলাওয়াতের একটি ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে। ভিডিও দেখুন
জেনিফার ২০১৩ সালে আরবের প্রসিদ্ধ সংগীত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠান ‘Arabs Got Talent’-এ সেরা শিল্পী মনোনীত হয়েছিলেন।
জেনিফার গ্রাউত এর কোরআন তিলাওয়াত শুনে ভক্তরা তার কণ্ঠকে ঐশীস্বর আখ্যা দেন। কোরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে কোন শায়েখের তিলাওয়াত বেশি অনুসরণ করেন এবং কার তিলাওয়াত বেশি শোনা হয়? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন৷
জেনিফার গ্রাউত : অনুসরণের বিষয়ে বলব, হয়তো যে কারো তিলাওয়াতের সঙ্গে আমা’র তিলাওয়াত মিলে যেতে পারে, তবে আক্ষরিক অর্থে আমা’র তিলাওয়াতের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য আছে। আমি বলব, এটা আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। আমি মিসরের বিখ্যাত কারি শায়খ সিদ্দিক আল মিনশাবির তিলাওয়াত খুব বেশি শুনি। সুন্দর ও হৃদয়গ্রাহী তিলাওয়াতে তিনি অদ্বিতীয়। মিনশাবির কণ্ঠে সুরা ইউসুফ ও সুরা তাকবির শুনতে আমা’র অসম্ভব ভালো লাগে।

প্রবাদ আছে ‘মাঘের শীতে বাঘও কাঁপে’। যদিও শহুরে জীবনের সঙ্গে এই প্রবাদ বাক্যটির মিল আমি খুঁজে পাই না। কংক্রিটের দেয়ালে এখন আর কুয়াশার চাদর যেমন চোখে পড়ে না তেমনি শিশির ভেজা ঘাসও। তবে শহর থেকে একটু দূরে তাকালেই বোঝা যায় মাঘের রুক্ষতায় কত কাঁপছে প্রকৃতি। সেই রুক্ষতা দূরে সরিয়ে, স্নিগ্ধতার স্পর্শে কুয়াশার চাদর গায়ে জড়িয়ে তৃতীয়বারের মতো ‘শীতের নগরী’ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) অনুষ্ঠিত হলো ‘হিম উৎসব-২০১৯।’
‘সু-আশায় কেটে যাক কু-আশার ঘোর’ এই স্লোগানকে ধরে অনুষ্ঠিত হলো এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠান। ১৭ জানুয়ারি বিকাল তিনটায় অমর একুশের পাদদেশ থেকে ‘হিমযাত্রা’র মাধ্যমে শুরু হয় এবারের আয়োজন। চলুন দেখে নেওয়া যাক আলোকচিত্রে হিম উৎস – ২০১৯।

ছবি : হিম উৎসবে লোক ঐতিহ্যের সাজ

ছবি : গোখরার আগমনে শুরু হয় সাপ খেলা

ছবি : সাপুড়িয়ার তালে ফনা তুলে নাচে গোখরা

ছবি : এ এক মিতালীমাখা অনুক্ষণ

ছবি : সাপ হাতে খুশিতে হাসে দর্শনার্থী

ছবি : ঢাকির লাঠিতে বাজছে ঢাক

ছবি : লাঠি খেলায় দর্শকদের মাতাচ্ছে সর্দার বাড়ির লাঠিয়াল

ছবি : লাঠির কসরত দেখাতে ব্যস্ত লাঠিয়াল

ছবি : মাকড়সার জালে জড়িয়েছে শীত

ছবি : সন্ধ্যা বাতি

ছবি : মনিপুরী নৃত্যে শিল্পী

ছবি : ময়ূর মুদ্রায় মনিপুরী শিল্পী

ছবি : মনিপুরী নৃত্যে শিল্পী

ছবি : গাজীর গানে শিল্পীবৃন্দ

ছবি : বয়াতির গানে গানে নাচ

ছবি : ভোরের পুকুরে শাপলার হাসি

ছবি : কবিতার ছন্দে দর্শকদের মুগ্ধ করছে বেড়ে ওঠা পুষ্প

ছবি : কবিতা আবৃত্তি করছেন কবি ও বাচিক শিল্পী মারিয়াম ছন্দা

ছবি : স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করছে কবি ফারুক সুমন
ইমরান খানের সঙ্গে বিয়ের কারণে পাকিস্তানের সাংবাদিক রেহাম খান আলোচনায় এসেছিলেন। দেখুন সুন্দরী রেহাম খানের ছবি।
১৯৭৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন রেহাম। তার বাবা চিকিৎসক নায়ার রমজান।
রেহাম বিবিসিতে আবহাওয়া সংক্রান্ত একটি শো সঞ্চালনা করতেন। বর্তমানে পাকিস্তানের ডন নিউজে ‘রেহাম খান শো’ নামের এক টক শো উপস্থাপনা করেন।
নর্থ লিন্ডসে কলেজ থেকে ব্রডকাস্ট জার্নালিজমে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেন।
লিগাল টিভি, আজ তক, পিটিভি, নিও টিভি, নিউজ ওয়ানসহ একাধিক টিভি চ্যানেলে রেহামকে দেখা গিয়েছে।
মাত্র ১৯ বছর বয়সে ব্রিটিশ মনোবিদ এজাজ রহমানের সঙ্গে প্রথম বিয়ে হয় রেহামের।
রেহাম ও এজাজের তিন সন্তান। বিচ্ছেদের পরে তিন সন্তানই থাকেন রেহামের কাছে।
প্রথম বিয়ে ভাঙার কারণ হিসেবে এজাজের অ্যালকোহলের প্রতি আসক্তিকেই দায়ী করেছেন রেহাম।
ইমরানের সঙ্গে ডিভোর্সের পরে পুরোদস্তুর সাংবাদিক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন রেহাম।
২০১৫ সালে রেহামের দ্বিতীয়বার বিয়ে হয় কিংবদন্তি ইমরান খানের।
বেশি দিন নয়, মাত্র দশ মাস ইমরানের সঙ্গে ঘর করেছিলেন রেহাম। তারপরেই ফের বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তার।
ইমরানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে নিজের স্মৃতিকথা সম্বলিত বই ‘রেহাম খান’ প্রকাশ করেন তিনি। সেই বইয়ে ইমরানের বিরুদ্ধে একাধিক ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনেন।
ইমরানের বিকৃত যৌন জীবন থেকে ড্রাগ আসক্তি-রেহাম খানের ‘মেমোয়ার’ যেন আস্ত এক বারুদের স্তূপ।
ভারত ভ্রমণের সময় স্বর্ণমন্দিরের সামনে রেহাম।
কিংবদন্তি ফুটবল খেলোয়াড় পেলের সঙ্গে একই ফ্রেমে রেহাম।
বিখ্যাত কবি ও গীতিকার জাভেদ আখতারের সঙ্গে রেহাম খান।



কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, সহ প্রচার সম্পাদক মো আব্দুল বাহার, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক হুমায়ূন রেজা সোহেল, সহ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফরিদ আহমদ সদস্য মোঃ শাহাজ উদ্দিন,

সদস্য মোঃ আব্দুল মতিন , সদস্য মোঃ আলী সরওয়ার, সদস্য মেহেরুন নেছা রিনি ।
মুজিববর্ষ : হোক সকলের
https://p.dw.com/p/3WMHq





















মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের নোওয়া গাঁও গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলাম নামে ২২ বছরের যুবক হারিয়েছে। আজ ২৪ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) বিকাল ৪ ঘটিকায় হতে তার নিজ গ্রামের নোওয়াগাঁও দোকান থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। হারানো যুবক নুরুল ইসলাম তিনি মণিপুরি মুসলিম (পাঙাল) সম্প্রদায়ের সদস্য। পিতা মোঃ জোয়াদ আলী (বাজি) মাতাঃ মারজিনা বেগম এর বড় ছেলে। তিনি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারেনা শুধু মাত্র মণিপুরি (মীতৈ ভাষায় কথা বলতে পারে ) আজ বিকাল থেকে বাবা, মা সহ তার আত্মীয়-স্বজন সহ সকল জায়গায় সন্ধান করেও সন্ধান মেলেনি। এ সময় নুরুল ইসলামের পরনে ছিল সাদা শার্ট ও কালো প্যান্ট। হারানো সন্ধানে এই মহূর্তে এলাকায় চারদিকে মাইকিং করা হচ্ছে।
যদি কোন সহৃদয়বান ব্যক্তি তার সন্ধান পেয়ে থাকেন তাহলে নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলোঃ-
সিরাজুলঃ ০১৭০৩৯৬৮৪৭০
সবুর উদ্দিনঃ ০১৭১০৪৪৩৩৯৯
রফিকুল ইসলাম জসিমঃ ০১৭৭৯৬৬৬৯৩২
Chief Minister N Biren has stated that when one doesn’t have human values and there is no mutual respect in the society, then there is no meaning of following any religion.
“When we don’t have human values and mutual respect, then there is no meaning of following any religion,” added the Chief Minister.
He was speaking as chief guest at the International Meitei Pangal Convention held at City Convention Centre, here today.
The convention was organized by the All Manipur Muslim Organizations’ Co-ordinating Committee (AMMOCOC) .
The Chief Minister said that the greatest religion is to serve the poor, needy and helpless people.
He maintained that the greatest thing in life is to show and share love among ‘ourselves and to live together’ .
Biren preaches mutual respect, honesty
“Let us all be united and march forward to bring speedy development in the State”, he added.
Biren opined that as long as there is mistrust among the communities, the State will not develop and prosper.
“We must come forward and share our grievances, problems etc so that all issues are solved peacefully”, he added.
Maintaining that honesty and sincerity is a must to bring change in the State, the Chief Minister claimed that the gap between the hill and valley has been bridged by the consistent efforts of the incumbent Government.
He stated that many Meitei Pangal had sacrificed their precious lives for the State such as in the Seven Years Devastation, Anglo-Manipur War, Indian independence movement etc.
He appealed to the Meitei Pangal community to adopt and continue to use the ancestral/traditional surnames given by the subsequent kings of Manipur.
“We must show to the world that Meiteis and Meitei Pangal have blood relationship”, he added.
He declared that the socio-economic survey of the Meitei Pangal would be continued soon.
The Chief Minister released a special souvenir titled ‘Thong’ during the occasion.
Deputy Speaker K Robindro, MLAs O Lukhoi, Md Fajur Rahim, L Susindro, Asab Uddin, Upzilla Parishad Kamalganj, Bangladesh Bilquis Begum, president AMMOCOC SM Jalal, delegates from Bangladesh, Tripura, Assam etc and representatives of various CSOs participated in the convention.
Source: The Sangai Express
মুসলিম বিডি : মমতা বন্দোপাধ্যায়ের ডাকে সাড়া দিয়ে ভারতে সদ্যপ্রণীত মুসলিম বিরোধী বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন না মানার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের পর দিল্লি, পাঞ্জাব, ছত্তিশগড়, কেরালা ও মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এই গণআন্দোলনের ডাক দেন। এরপর একে একে এই আইন না মানার হুমকি দেন আরও ৫ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীরা বিজেপি সরকারের বিতর্কিত এই নাগরিকত্ব প্রদান সংক্রান্ত আইন কোনোভাবে তাদের রাজ্যে প্রয়োগ করতে দেবেন না বলে হুমকি দিয়েছেন। এমনকি মহারাষ্ট্রে শিবসেনা সরকারের শরিক কংগ্রেসের এক মন্ত্রীও আইনটি রাজ্যে প্রয়োগ করতে না দেওয়ার ঘোষণা দেন। তৃণমূল কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া এবং কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলো থেকে একযোগে প্রতিবাদের ডাক ওঠায় আজ শনিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এটি একটি কেন্দ্রীয় আইন। তাই ওই আইন সব রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে। কোনও রাজ্য সরকারের তা আটকানোর অধিকার নেই।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে যে মামলাগুলি দায়ের হয়েছে, সে ব্যাপারে তাদের কী বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারকে তা জানাতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। তবে প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদের নেতৃত্বে শীর্ষ আদালতের তিন সদস্যের বেঞ্চ নতুন আইনের উপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। বুধবার বেঞ্চ বলেছে, ‘‘সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের উপর স্থগিতাদেশ জারি করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে।’’
নতুন আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে ইতিমধ্যেই ৬০টি মামলা দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এ দিন সেগুলির সংক্ষিপ্ত শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারকে নোটিস দেওয়া হয়, এ ব্যাপারে তাদের বক্তব্য জানাতে। শুনানির পরবর্তী দিন ধার্য হয়েছে ২২ জানুয়ারি। ওই দিনই শীর্ষ আদালতে কেন্দ্রকে তাদের বক্তব্য জানাতে হবে।
সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনা, বিক্ষোভ, প্রতিবাদ তুঙ্গে ওঠার প্রেক্ষিতে ওই আইনের উপর স্থগিতাদেশ জারির একের পর এক আর্জি জমা পড়ে সুপ্রিম কোর্টে। সেই সব আর্জির কোনওটি কোনও ব্যক্তির। কোনওটি কোনও রাজনৈতিক দলের। নতুন আইনের উপর স্থগিতাদেশের আর্জি জানিয়েছে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ, অসমে বিজেপি জোট সরকারের শরিক দল অসম গণ পরিষদ (অগপ) এবং ডিএমকে। কংগ্রেসের তরফে প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশও একই আর্জি জানিয়েছেন শীর্ষ আদালতে।
নতুন আইনের সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে যে সব মামলা দায়ের হয়েছে, তাদের প্রায় সবক’টিরই দাবি, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন সংবিধানের মূল কাঠামোটাকেই অস্বীকার করেছে। ধর্ম কখনওই নাগরিকত্ব নির্ধারণের ভিত্তি হতে পারে না। স্বাধীনতার পর বিভিন্ন রাজ্য গঠনের সময়েও ধর্মকে নয়, গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল ভাষাকেই।
নতুন আইন নিয়ে সংসদে বিতর্কের সময়েও একই কথা বলেছিলেন বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ আনন্দ শর্মা বলেছিলেন, ‘‘এর ফলে সংবিধানের মর্মমূলেই আঘাত করা হল।’’ তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন বলেছিলেন, ‘‘এটা তো একেবারে নাৎসিদের মতো কাজ।’’