কমলগঞ্জে কলেজ ছাত্রীকে লাঞ্চনাকারী বখাটে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার পতনউষার স্কুল এন্ড কলেজের এক ছাত্রীকে রাস্তায় ফেলে নির্যাতন করার ঘটনায় ২৫ ঘন্টার মধ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বখাটে সাইফুল খান (২৩)কে গ্রেফতার করেছে। গত শনিবার কলেজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে টিলাগড় এলাকায় কলেজ ছাত্রীকে রাস্তায় ফেলে নির্যাতনসহ বখাটে ছাত্রীর বুকের ওপর উঠে চাকু বের করে ভীতি প্রদর্শণ করেছিল। এমনকি ছাত্রীর দুটি কানের দুল, নাকফুল ও হাত ঘড়ি ছিনিয়ে নিয়েছিল। এ ঘটনায় রোববার ছাত্রীর মা বখাটের মা বাদি হয়ে কমলগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনজির হোসেন বলেন, শনিবার বেলা পৌনে ৩টায় ঘটনা ঘটার পর খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৫টায় ছাত্রীর বাড়ি গিয়ে তার জবানবন্দি গ্রহন করার পর থেকে আসামী বখাটেকে খোঁজা হচ্ছিল। এদিকে আহত ছাত্রী শনিবার সন্ধ্যায় কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহন করে রোববার ছাড়পত্র নিয়ে নিজ বাড়ি ফিরে আসে। রোববার ছাত্রীর মা (ছয়ফুল বেগম) বাদি হয়ে একমাত্র বখাটে সাইফুল খানকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। গোপন সূত্রের ভিত্তিতে খবর পেয়ে রোববার বিকাল সাড়ে ৫টায় শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আনজির হোসেন-এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল পতনউষারের ইউনিয়নের বৃন্দাবনপুর নন্দগ্রাম এলাকা থেকে আসামী সাইফুলকে গ্রেফতার করেছে।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান আসামীকে গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

বি এম ই টি বৃত্তি পরীক্ষার আবেদন ফরম বিতরণ চলছে !

আগামী ৪ ও ৭ অক্টোবর ২০১৯ খ্রি. দুইদিন ব্যাপী  বিএমইটি বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ ইচ্ছুক ৫ম,৮ম ও ১০ম শ্রেণির মণিপুরী শিক্ষার্থীদের নাম তালিকা ভুক্ত করনের জন্য বাংলাদেশ মণিপুরী মুসলিম এডুকেশন ট্রাষ্টের নির্ধারিত আবেদন ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে।এমতাবস্হায় উক্ত পরীক্ষায় অংশ গ্রহণে আগ্রহী শিক্ষাথীদেরকে আগামী ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রি,এর মধ্যে ফরম সংগ্রহ করে নাম তালিকা ভুক্ত করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

অনুরোধক্রমে, 

মো : শাহাজ উদ্দিন

সাধারণ সম্পাদক 

বাংলাদেশ মণিপুরী মুসলিম এডুকেশন ট্রাস্ট

মোবা: ০১৭১৫১৪৫৬১১

মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে পোস্টার ডিজাইন আহ্বান

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিববর্ষ (১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১) উদযাপন উপলক্ষে বর্ণিল পোস্টার ডিজাইন আহ্বান করা হয়েছে।

রোববার এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডিজাইন পাঠানোর জন্য দেশে ও দেশের বাইরে বসবাসরত আগ্রহী বাংলাদেশি নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ করেছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া, প্রচার ও ডকুমেন্টেশন উপকমিটি।

পোস্টারে আকর্ষণীয় স্লোগান তৈরি করে দেয়া যেতে পারে অথবা স্লোগান স্থাপনের জায়গা রেখে ডিজাইন করা যেতে পারে। পোস্টারের ডিজাইনে মুজিব বর্ষের লোগোর জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করে রাখতে হবে। পোস্টারে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী’ উদ্‌যাপন এবং ‘মুজিববর্ষ (১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১) কথাগুলো থাকতে হবে।

ডিজাইন Illustrator-6/EPS Outline Al File- এ প্রস্তুত করে পাঠাতে হবে। নির্বাচিত সেরা ৫টি ডিজাইনের জন্য পুরস্কৃত করা হবে।

ই-মেইলে ডিজাইন পাঠানোর ঠিকানা mujib100posters@gmail.com। ডাকযোগে অথবা সরাসরি হার্ডকপি, সিডি, পেনড্রাইভে ডিজাইন পাঠানোর ঠিকানা : মহাপরিচালক, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, ১১২ সার্কিট হাউস রোড, ঢাকা-১০০০। অমনোনীত ডিজাইন ফেরত দেয়া হবে না।

যেকোনো তথ্যের জন্য চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের ৮৩৩১০৩৪ নম্বরে ফোন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে তথ্য বিবরণীতে।

সামলান শাহ মৃত্যুর প্রতিবেদন দাখিলের দিন আবার পেছাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

চিত্রনায়ক সালমান শাহের অপমৃত্যু মামলায় অধিকতর তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। আজ রবিবার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার তারিখ ধার্য থাকলেও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তা দাখিল করেনি।ঢাকার মহানগর হাকিম বাকী বিল্লাহ আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য করেছেন।

২০১৬ সালের ৭ ডিসেম্বর আদালত অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন পিবিআইকে। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান চিত্রনায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন ওরফে সালমান শাহ। ওই সময় এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা করেন তাঁর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। ওই প্রতিবেদনে সালমাহ শাহ আত্মহত্যা করেন বলে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখান করেন কমর উদ্দিন চৌধুরী। তিনি দাবি করেন তার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি নারাজি দেন।পরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে এক রিভিশন মামলা দায়ের করে অধিকতর তদন্ত দাবি করেন। চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয় সিআইডি। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সালমান শাহর মৃত্যুকে ‘আত্মহত্যা’ বলে উল্লেখ করা হয়। সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখান করে কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন আবেদন করেন। ২০০৩ সালে বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেন মহানগর দায়রা জজ আদালত।

বিচার বিভাগীয় তদন্ত হয় ১২ বছর ধরে। ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট বিচার বিভাগীয় তদন্তেও বলা হয় সালমান শাহকে কেউ হত্যা করেনি। তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। ২০১৫ সালের ১৯ এপ্রিল আবারও ওই বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রত্যাখান করে নারাজি দেন সালমান শাহ’র মা নীলা চৌধুরী। এরপর আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

ইসলাম কে ব্যঙ্গ করার অভিযোগে তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলা!

দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুফতি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২৮ ও ৩১ ধারায় মামলাটি করা হয়।

আজ রবিবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের ওপর আঘাত সৃষ্টির অভিযোগে মামলাটি করেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী সদস্য মো. ইব্রাহিম খলিল।

মামলার বাদী ইব্রাহিম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, তাহেরীর বিরুদ্ধে পিটিশন মামলার আবেদন জমা দিয়েছি। মামলা গ্রহণের বিষয়ে এখনো শুনানি হয়নি।

মামলার অভিযোগে বাদী বলেন, ইসলাম ধর্মের পথপ্রদর্শক হজরত মুহম্মদ (সা.) এর আদর্শ ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ওয়াজ মাহফিলের মধ্যে নাচ-গান সমর্থন করে না। ইসলামের রীতিনীতি অনুযায়ী আসামির কর্মকাণ্ড মুনাফেকির শামিল। এক ব্যক্তির উক্তি দিয়ে তার বিড়ি খাওয়ার দোয়াটিও ইসলামের কোথাও নেই। তার এসব বক্তব্যে ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ ও অবমাননা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি দাওয়াতে ঈমানী বাংলাদেশ নামের একটি সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুফতী মুহম্মদ গিয়াস উদ্দিন আত তাহেরীর একটি ওয়াজের অংশ বিশেষ ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ‘কেউ কথা কইয়েন না, একটু চা খাব? খাই একটু? আপনারা খাবেন? ঢেলে দেই? ঢেলে দেই? … ‘ভাই পরিবেশটা সুন্দর না? কোনো হইচই আছে? আমি কি কাউকে গালি দিয়েছি? কারোর বিরুদ্ধে বলতেছি? এরপরও সকালে একদল লোক বলবে, তাহেরী বালা না।

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জিকিরের সময় নেচে-গেয়ে ‘বসেন বসেন, বইসা যান’ বলায় সমালোচিত হন তাহেরী। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাকে নিয়ে তৈরি হয়ে নানা ট্রল ও ভিডিও। এরপর কিছুদিন ওয়াজ বন্ধ রেখেছিলেন তিনি। সম্প্রতি ফের আলোচনায় এলেন এই বক্তা।

কে এই মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরী?

শীর্ষে পরীমনি, তৃতীয় অপু, চতুর্থ শাকিব

বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আছেন বিশ্বের সকল তারকারা। এসব তারকারা ফেসবুকে ভক্তদের সঙ্গে নিজেদের কাজের ও ব্যক্তিগত মুহূর্তের অনেক কিছুই শেয়ার করে থাকেন।

ভক্তরা ফেসবুকে তারকাদের ভ্যারিফাইড পেজে লাইক দিয়ে তারকার সকল আপডেট পেয়ে যান। এই লাইক সংখ্যাকে তারকাদের ভক্তের সংখ্যা হিসাবেও গণনা করা হয়। বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম বাংলাদেশের অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের ফেসবুক পেজের লাইকের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে একটি তালিকা তৈরি করেছে।

সেই তালিকার শীর্ষে আছেন অভিনেত্রী পরীমনি। ফেসবুক লাইক সংখ্যার ভিত্তিতে পরীমনি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা। তার ফেসবুক পেজের লাইক সংখ্যা ৮.৮ মিলিয়ন। তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। এই অভিনেত্রী ফেসবুক পেজের লাইক সংখ্যা ৭ মিলিয়ন।

অন্যদিকে তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছেন অপু বিশ্বাস। শীর্ষ দুই জনের পেজের লাইক সংখ্যা ৮ ও ৭ মিলিয়ন হলেও অপু বিশ্বাসের পেজের লাইক সংখ্যা ২.৮ মিলিয়ন। এই সংখ্যা নিয়ে তিনিই বাংলাদেশের শোবিজে তৃতীয় ব্যক্তির স্থান দখল করে আছেন ফেসবুকে।

শাকিব খান দেশের শীর্ষ নায়ক হলেও ফেসবুকের ভক্তের সংখ্যা হিসাবে তার অবস্থান চতুর্থ। তার ফেসবুক পেজে লাইকের সংখ্যা ২.৭ মিলিয়ন।

শাকিবের পরের অবস্থানে আছেন মডেল নায়লা নাঈম, অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মীম ও উপস্থাপক ফারহানা নিশো। তাদের ফেসবুক পেজের লাইক সংখ্যা যথাক্রমে ২.৫,২.৫ ও ১.৭ মিলিয়ন।

তালিকার অষ্টম অবস্থানে আছেন অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশা। তার ফেসবুক পেজের লাইক সংখ্যা ১.৯ মিলিয়ন। তালিকার নবম স্থানে অবস্থান করেছেন মোশাররফ করিম। তার ফেসবুকে লাইন সংখ্যা ১.৪ মিলিয়ন। ১.৩ মিলিয়ন লাইক নিয়ে তালিকার দশম স্থানে অবস্থান করেছেন চিত্রনায়িকা পূর্ণিমা।

এই তালিকা বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, বাংলাদেশে ফেসবুকে শীর্ষ শোবিজ তারকার মধ্যে শুধু শাকিব খান ও মোশাররফ করিম বাদে বাকী ৬ জন চিত্রনায়িকা, একজন মডেল ও উপস্থাপক।

ফেসবুকে বাংলাদেশে থেকে অভিনেতা ক্যাটাগরিতে নিবন্ধিত ভ্যারিফাইড পেজ গুলোর মধ্যে এই তালিকা তৈরি করেছে বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম।

ছেলেসন্তানের বাবা হলেন রুবেল

ছেলেসন্তানের বাবা হয়েছেন জাতীয় দলের পেসার রুবেল হোসেন। আজ রোববার রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে সকাল ৯টা ৪১ মিনিটে ছেলেসন্তানের মা হয়েছেন রুবেলের স্ত্রী দোলা হোসেন। মা-সন্তান দুজনেই বর্তমানে সুস্থ আছে বলে এনটিভি অনলাইনকে জানালেন এই ফাস্ট বোলার।

প্রথম বাবা হওয়ার অনুভূতি নিয়ে মুঠোফোনে এনটিভি অনলাইনকে রুবেল বলেন, ‘আসলে বাবা হওয়ার অনুভূতি এতটাই আনন্দের যে বলে বোঝানো যাবে না। নিজের সন্তানকে প্রথম দেখার পর খুব আনন্দ হয়েছে আমার। আমার পরিবার, আমি ও আমার স্ত্রী দোলা সবাই অনেক খুশি। খুব ভালো লাগছে। মা-ছেলে দুজনেই ভালো আছে। নাম এখনো ঠিক করিনি, দুই একদিনের মধ্যে নাম ঠিক করব।’

Advertisement
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বাবা হওয়ার সুখবর জানিয়ে দিয়েছেন রুবেল। মা ও ছেলের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর অশেষ রহমতে পুত্রসন্তানের বাবা হলাম। বাচ্চা এবং মা উভয়ই সুস্থ আছে। সবাই দোয়া করবেন।’

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে হঠাৎ করে সবার অগোচরে বিয়ে করেন রুবেল। মিডিয়ার একেবারেই বাইরের একজনের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন তিনি।
এরপর গত ১০ আগস্ট নতুন করে খুশির খবর দিয়েছেন রুবেল নিজেই। বাবা হতে চলছেন তিনি। নিজের ভেরিফায়েড পেসবুক পেজে রুবেল সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন অনাগত সন্তানের জন্য। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ। অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি সন্তানের বাবা হতে যাচ্ছি এবং আমার স্ত্রী মা হতে চলেছেন। সবাই আমার স্ত্রীর জন্য ও অনাগত সন্তানের জন্য দোয়া করবেন। ইনশাআল্লাহ সুস্থভাবে যেন সে পৃথিবীর আলো দেখতে পারে। আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।’
নিজের সন্তানসম্ভবা স্ত্রীর পাশে থাকার জন্য বিসিবি থেকে ছুটি নিয়ে রেখেছিলেন রুবেল। যার কারণে তাঁকে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুদিনের প্রস্তুতি ম্যাচ কিংবা একমাত্র টেস্টে স্কোয়াডে রাখেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।

‘বাংলাদেশি মুসলমানদের’ তাড়াতে পশ্চিমবঙ্গেও নাগরিক তালিকার হুঁশিয়ারি বিজেপির

আসামের পর এবার পশ্চিমবঙ্গেও ‘বাংলাদেশি মুসলমানদের’ তাড়াতে নাগরিক তালিকা তৈরির হুঁশিয়ারি দিয়েছে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। ৩১ আগস্ট প্রকাশিত আসামের নাগরিক তালিকা অনুযায়ী, ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন দেশহীন মানুষে পরিণত হওয়ার দিনেই এমন হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তার ভাষায়, ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে ‘বাংলাদেশি মুসলমানদের’ তাড়াতে পশ্চিমবঙ্গেও নাগরিক করা হবে। তবে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের মাধ্যমে হিন্দু শরণার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় সচেষ্ট থাকবে বিজেপি।


দিলীপের দাবি, ভোটব্যাংক ধরে রাখতে সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে বাংলাদেশি মুসলমানদের অনুপ্রবেশে সহায়তা করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘আমাদের দাবি, আসামের মতো পশ্চিমবঙ্গেও নাগরিক তালিকা চালু করা হোক। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার যদি এ কাজ করতে ইচ্ছুক না হয়, আমরা এটা কার্যকর করবো। ২০২১ সালে ক্ষমতায় এলে রাজ্য থেকে বাংলাদেশি মুসলিমদের তাড়িয়ে দেবো।’

দিলীপ ঘোষ বলেন, ধর্মীয় নির্যাতন বা অন্যান্য কারণে বাংলাদেশ বা অন্যান্য দেশ থেকে যেসব হিন্দু শরণার্থীদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে, নাগরিকত্ব বিলের মাধ্যমে তাদের ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এই বিজেপি নেতার ভাষায়, ‘হিন্দু শরণার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। বিজেপি তাদের সঙ্গে রয়েছে এবং তাদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

ভারতের এবারের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক উত্থান ঘটেছে বিজেপি-র। রাজ্যে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল তৃণমূল যেখানে ২২টি আসনে বিজয়ী হয়েছে; সেখানে ১৮ আসনে বিজয়ী হয়েছে বিজেপি। এর ধারবাহিকতায় আগামী বার পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখছে নরেন্দ্র মোদি-র দল।

উল্লেখ্য, আসামের নাগরিক তালিকা এরইমধ্যে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সেখানে নাগরিকত্ব হারিয়ে রাষ্ট্রহীন মানুষে পরিণত হওয়ার ব্যক্তিদের মধ্যে দেশটির বিরোধীদলীয় আইনপ্রণেতা থেকে শুরু করে অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাও রয়েছেন। তালিকা প্রকাশের আগেই দেশহীন মানুষে পরিণত হওয়ার আশঙ্কায় আত্মহননের মতো ঘটনাও ঘটেছে।

আজ হিজরি নববর্ষ! সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা!

হিজরী সনের সূচনা!

হিজরী বর্ষপঞ্জি এটি মূলত একটি চন্দ্রনির্ভর বর্ষপঞ্জি। পৃথিবীব্যাপী মুসলিমগণ ইসলামের পবিত্র দিনসমূহ উদযাপনের জন্য ও তাদের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত বন্দেগি ও বিভিন্ন বিধি-নিষেধ-এ এই বর্ষপঞ্জি অনুসরণ করে পালন করেন। আর হিজরি সনের সঙ্গে মুসলিম উম্মাহর আদর্শ ও ঐতিহ্যের ভিত্তি সম্পৃক্ত। যার সঙ্গে জড়িত আছে বিশ্বমানবতার মুক্তিদূত কালজয়ী আদর্শ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করে মদিনায় গমনের ঐতিহাসিক ঘটনা। প্রিয় নবী মুহাম্মদ(সা.) তাঁর জন্মভূমি মক্কা ত্যাগ করার ঘটনাকে ইসলামে ‘হিজরত’ আখ্যা দেয়া হয়। তাঁর এই রাসুল মুহাম্মদ (সা:)-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখার উদ্দেশ্যেই হিজরী সাল গণনার সূচনা। ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা:)-এর শাসনামলে ১৭ই হিজরী অর্থাৎ রাসুল মুহাম্মদ (সা:)-এর মৃত্যুর সাত বছর পর চান্দ্র মাসের হিসাবে এই পঞ্জিকা প্রবর্তন করা হয়। হিজরতের এই ঐতিহাসিক তাৎপর্যের ফলেই হযরত ওমর রা. এর শাসনামলে যখন মুসলমানদের জন্য পৃথক ও স্বতন্ত্র পঞ্জিকা প্রণয়নের কথা উঠে আসে তখন তাঁরা সর্বসম্মতভবে হিজরত থেকেই এই পঞ্জিকার গণনা শুরু করেন। যার ফলে চান্দ্রমাসের এই পঞ্জিকাকে বলা হয় ‘হিজরী সন’। রাসূল (সা.) আল্লাহর নির্দেশে ৬২২ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর মোতাবেক ২৭ সফর মক্কা মুকাররামা থেকে মদিনার উদ্দেশে হিজরত করেন। ২৩ সেপ্টেম্বর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মোতাবেক ৮ রবিউল আওয়াল কুবায় পৌঁছেন। ২৭ সেপ্টেম্বর ৬২২ খ্রিস্টাব্দে মোতাবেক ১২ রবিউল আওয়াল মদিনা মুনাওয়ারায় পৌঁছেন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এ হিজরতেরই স্মৃতিবহন করে আসছে হিজরি সন। হিজরি বর্ষ পূর্ণতা লাভ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়কাল থেকেই বিক্ষিপ্তভাবে হিজরি বর্ষ গণনা শুরু হয়। হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহুর খিলাফতের সময় তা সুনির্দিষ্ট রূপে প্রকাশিত ও বাস্তবায়িত হয়। সে সময় রাষ্ট্রীয় কাজে সন তারিখ ব্যবহৃত না হওয়ায় প্রশাসনিক সমস্যা দেখা দেয়। এ সমস্যা সমাধানকল্পে ১৭ হিজরির ১০ জমাদিউল আউয়াল হজরত আবু মুসা আশয়ারি কর্তৃক হজরত ওমরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি সাহাবায়ে কেরামদের মজলিসে শুরায় সবার পরামর্শক্রমে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হিজরতকে ভিত্তি করে হিজরি সন গণনার সিদ্ধান্ত নেন। সেই সম্মেলনের স্লোগান ছিল- ‘হিজরতের ঘটনা মিথ্যা থেকে সত্যের পার্থক্য করেছে, মক্কার অবিশ্বাসীদের ওপর ইসলামের বিজয় এসেছে।’ পৃথিবীর ইতিহাসে মুসলমানদের উন্নতি, অগ্রগতি, বিজয় ও সাফল্যের প্রতীক ও শ্রেষ্ঠ তৌহিদী বিপ্লব ছিল হিজরত। যেহেতু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় জন্মভূমি ত্যাগ করা ছিল ইসলামের ইতিহাসে একটি মহান ঘটনা। সে কারণেই হিজরতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে হিজরি সন গণনা শুরু হয়। মহররম দ্বারা হিজরি সন শুরু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন মদিনা মুনাওয়ারায় আসেন, তখন মাসটি ছিল রবিউল আওয়াল। হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হিজরি সনের প্রথম মাস ধরেন মহররমকে। যদিও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদিনায় পৌঁছেন রবিউল আওয়াল মাসে। কিন্তু হিজরতের পরিকল্পনা হয়েছিল নবুওয়াতের ১৩তম বর্ষের হজের মৌসুমে মদিনার আনসারি সাহাবায়ে কেরামের সঙ্গে আকাবার দ্বিতীয় শপথ সংঘটিত হওয়ার পর। তখন ছিল জিলহজ মাসে। তার পরের মাসই হলো মহররম। মুসলমানদের হিজরতকারী প্রথম দলটি মদিনা মুনাওয়ারায় পৌঁছেন মহররম মাসে। এ হিজরত ছিল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মদিনায় হিজরতের শুভ সূচনা। তাছাড়া আরবি বর্ষ গণনায় বিভ্রান্ত লক্ষ্য করে স্বয়ং আল্লাহ্-এর সংশোধনের জন্য একটি আয়াত নাযিল করেন। আয়াতে হিজরি সনের ১ম মাস মহররম, সপ্তম মাস রজব, ১১তম মাস জ্বিলকদ আর ১২তম মাস জিলহজ বলে উল্লেখ আছে। যা ১০ হিজরিতে অবর্তীন হয়।

পুলিশের ওপর বোমা হামলার দায় স্বীকার আইএসের

মণিপুরি মুসলিম বিডি ডেস্ক: রাজধানীর সাইন্সল্যাব এলাকায় পুলিশের ওপর বোমা হামলার ঘটনা দায় স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটস (আইএস)। জিহাদি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা সাইট ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে শনিবার রাতে তারা এই দায় স্বীকার করে।

সাইট ইন্টেলিজেন্স জানায়, ঢাকায় পুলিশকে লক্ষ্য করে অত্যাধুনিক আইইডি (ইম্প্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস) বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে আইএস। এতে দুই পুলিশ আহত হয়েছে।

শনিবার রাতে রাজধানীর মিরপুর রোডের সাইন্সল্যাব মোড়ে দুর্বত্তরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় । এ ঘটনায় সেখানে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের কনস্টেবল আমিনুল ইসলাম ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর নিরাপত্তা দলের অফিসার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শাহাবুদ্দিন আহত হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আহত দুজন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলামের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। মন্ত্রীর  নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের গাড়িটি সামনে ছিল। একজন পুলিশ সদস্য প্রটেকশনের গাড়ি থেকে নেমে ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে যানজট নিরসনে কাজ করছিলেন। তখনই বোমা বিস্ফোরণ ঘটে। মন্ত্রী সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Design a site like this with WordPress.com
Get started