শব্দে নয়, পাখিদের ভাষায় কথা বলেন তারা!

প্রতিটি দেশেই মানুষদের নিজস্ব কিছু ভাষা থাকে। যদিও এক দেশের ভাষার সঙ্গে অন্য দেশের ভাষার কোনো মিল পাওয়া যায় না। তারপরও কোনো মানুষকে পাখিদের ভাষায় কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করার কথা কখনো শুনেছেন কি?

হ্যাঁ, পাখিদের মতো করে  কথা বলে ভাবের আদান প্রদান করে তুরস্কের কৃষ্ণ সাগর অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ। বর্তমানে ভাষাটি বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ায় এ ভাষাকে উদযাপন করতে উৎসবেরও আয়োজন করা হচ্ছে। ইউনেসকো ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যে তালিকাভুক্ত করেছে। পাশাপাশি সংস্থাটি এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, মোবাইলের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ভাষাটি বিলুপ্ত হতে বসেছে।

কয়েক শতাব্দী আগে তুরস্কের গিরেসান প্রদেশের একটি গ্রামের মানুষ এ ভাষার ব্যবহার করা শুরু করে। গ্রামটির নাম কুসকয় (তুর্কিতে পাখির গ্রাম)।

ভাষাটি যাতে হারিয়ে না যায় সে জন্য স্থানীয় স্কুলেও শেখানো হচ্ছে এ ভাষা। গিরেসান বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন অনুষদ এ ভাষাটিকে কোর্স হিসেবে গ্রহণ করেছে।    

পবিত্র কোরআন নিয়ে মহাকাশে যাচ্ছেন এক মুসলিম নভোচারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ মনিপুরি মুসলিম বিডি

পবিত্র কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন হাজা আল-মানসুরি নামে এক মুসলিম নভোচারী। তিনিই প্রথম আরব্য যুবক যিনি মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন।

হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

জানা গেছে, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ৮ দিনের মহাকাশ সফরে তিনি ১০ কেজি পণ্য বহন করতে পারবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মহাকাশ নভোচারী হাজা আল-মানসুরি এ ভ্রমণে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসের সঙ্গে পবিত্র কোরআনুল কারিম সঙ্গে নিবেন। তার সঙ্গে আরো থাকবে- পারিবারিক ছবি, খাঁটি সিল্কে বোনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকা এবং ‘কিস্সাতি’ (আমার গল্প) নামক একটি গ্রন্থ।

টুইটারে নিজেই এ বিষয় জানিয়েছেন মহাকাশ নভোচারী হাজা আল-মানসুরি

টুইটারে নিজেই এ বিষয় জানিয়েছেন মহাকাশ নভোচারী হাজা আল-মানসুরি

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা (নাসা) জানিয়েছে, মহাকাশযান Soyuz MC-15 এর মাধ্যমে এ সফর শুরু হবে। এ সফরে থাকবে তিনজন নভোচারী। হাজা আল-মানসুরির সফর সঙ্গী হিসেবে থাকছেন নভোচারী জেসিকা মেয়ার ও রাশিয়ান কমান্ডার ওলেগ স্ক্রিপোচকার।

সহযাত্রীদের সঙ্গে হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

সহযাত্রীদের সঙ্গে হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মোহাম্মদ বিন রশিদ স্পেস সেন্টারের’ সহকারী মহাপরিচালক সালেম আল মেরি বলেন, ‘এটিই প্রথম আমাদের মহাকাশ কর্মসূচী। এই মিশনের মাধ্যমে জাতীয় দক্ষতার বিকাশ ঘটে। এটি আমাদের পৃথিবীতে উন্নত জীবনে সহায়তা করবে।’

Design a site like this with WordPress.com
Get started