ভূস্বর্গ কাশ্মীরের একটি গ্রামের নাম ‘বাংলাদেশ’!

ভূস্বর্গ কাশ্মীরে ‘বাংলাদেশ’ নামে একটি গ্রাম রয়েছে। শুনতে অবাক লাগলেও বিষয়টি বাস্তব।

চারদিকে পানি, পেছনে সুউচ্চ পর্বত, সব মিলিয়ে অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এই গ্রামটির। বিখ্যাত উলার হৃদের তীরে এই গ্রামটি অবস্থিত।

অবস্থান
কাশ্মীরের বান্ডিপুরা জেলার আলুসা তহশিলে একটি গ্রামের নাম বাংলাদেশ। বান্ডিপুরা-সোপুরের মধ্য খান দিয়ে মাটির রাস্তা ধরে পাঁচ কিলোমিটার হাটলেই এই গ্রামটি দেখা যাবে।

যে কারণে গ্রামটির নাম হলো ‘বাংলাদেশ’
১৯৭১ সালে জুরিমন নামক এক গ্রামের ৫-৬টি ঘরে আগুন লাগে। গৃহহীন হয়ে পড়েন নিরীহ সাধারণ এই মানুষগুলো। তারা তখন পুড়ে যাওয়া জায়গা থেকে কিছুটা দূরে পার্শ্ববর্তী ফাঁকা জায়গায় সবাই মিলে ঘর তোলেন। সেই বছরই ডিসেম্বরে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়। সেই একই সময় গৃহহীন মানুষগুলো দুঃসময় মোকাবেলা করে শুরু করেন তাদের নতুন জীবন। তাই তারাও তাদের নতুন গ্রামের নাম রাখেন ‘বাংলাদেশ’।

মর্যাদা লাভ
২০১০ সালে বান্ডিপুরার ডিসি অফিস ‘বাংলাদেশ’ নামক এই গ্রামটিকে আলাদা গ্রামের মর্যাদা দেন। ৫/৬ ঘর থেকে শুরু হওয়া বাংলাদেশ গ্রামে এখন আছে পঞ্চাশেরও বেশি ঘর!

জীবিকা নির্বাহ
বাংলাদেশ গ্রামের মানুষের মাছ ধরা মূলত প্রধান জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম। পাশাপাশি পানি বাদাম সংগ্রহ করাও গ্রামবাসীর অন্যতম প্রধান কাজ।

মৌলভীবাজারে ৫০টি দরিদ্র পরিবারকে নৌকা প্রদান!

রফিকুল ইসলাম জসিম::
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাওয়া সেবামূলক বেসরকারি সংস্থা ক্যাপ ফাউন্ডেশন (কমিউনিটি এগেইন্সট পভার্টি) ৫০টি হতদরিদ্র পরিবারের মধ্যে ৫০টি নৌকা বিতরণ করেছে। এছাড়াও জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় গরীব ও অসহায় পরিবারকে সচ্ছল করতে ৬টি পরিবারকে ‘ক্যাপ ভিলেজ কর্নার শপ’ প্রজেক্টের আওতায় ৬টি দোকান কোটা ও দোকানের পণ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে ক্যাপ ফাউন্ডেশন।

শনিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আকাইলকুড়া ইউনিয়নের বানেশ্রী গ্রামে কাওয়াদিঘীর হাওরে বসবাসরত অন্তেহরী, কাদিপুর, জুমাপুর, কালাইপুরা গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের জীবিকা নির্বাহের জন্য ‘ফিশ ফর লাইফ’ প্রজেক্টের আওতায় ৫০টি নৌকা ও মাছ ধরার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত, প্রবাসীদের অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে ক্যাপ ফাউন্ডেশন। কাওয়াদিঘী হাওরে বসবাসরত দরিদ্র পরিবারগুলো তাদের পরিবারের জীবিকা নির্বাহের জন্য এই নৌকা ও মাছ ধরার সামগ্রী পেয়ে অনেক আনন্দিত।

নৌকা বিতরণে উপস্থিত ছিলেন ক্যাপ ফাউন্ডেশনের (ইউ.কে) সি.ই.ও আব্দুল নূর হুমায়ুন, ক্যাপ ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি এন্ড ট্রেজারার আলম রুফ, এম্বাসেডর মালিক মিয়া, রুহুল তরফদার, প্রজেক্ট কো অরডিনেটর দিলওয়ার হোসেন, অফিস ম্যানেজম্যান্ট জুয়েল মিয়া,কামরুল ইসলাম,জুবায়ের আলী, সুমন আহমদ, জসিম উদ্দিন, শামীম আহমদ ও লিলু হাসান ।

এসময় ক্যাপ ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি এন্ড ট্রেজারার আলম রুফ বলেন, অসহায় পরিবারকে সচ্ছল করতে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে ক্যাপ ফাউন্ডেশন। দরিদ্র মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে পাড়লে এটাই আমাদের আনন্দ।

জাতীয় শোক দিবস ও গ্রেনেট হামলায় নিহতদের স্বরণে আলোচনা সভা ও শোক র‌্যালি

রফিকুল ইসলাম জসিম :: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদৎ বার্ষিকী ও ২১ শে গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল হয়। ২৪ আগস্ট শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় ভানুগাছ সাবরেজিষ্টার অফিস মাঠে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল হয়।

উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যক্ষ নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিনের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. সিদ্দেক আলী, আইন বিষয়ক সম্পাদক এম আজাদুর রহমান, উপজেলা আওয়ামীলীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মো.রিয়াজুল ইসলাম, সাবেক জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আব্দুল মুনিম তরফদার, উপজেলা অওয়ামীলীগের অর্থ সম্পাদক সোলেমান মিয়া।

অন্যান্য মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মুন্সিবাজার ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতলিব তরফদার, শমশের নগর ইউপি চেয়ারম্যান মো. জুয়েল আহমেদ, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক মুহিদ্দিন আহমেদ, সেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য মোশাহিদ আলী, উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদক সাকের আলী সজীব প্রম‚খ। এছাড়াও উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

দশ বছর ধরে চলছে এই হিন্দি সিরিয়াল!

২০০৯ সালে প্রচারে আসে ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কহলাতা হ্যায়’। দশ বছর পেরিয়েও ভারতীয় টিভি সিরিয়ালটি এখনো রয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

এক দশকে দর্শকদের মতো পরিবর্তন হয়েছে স্টার প্লাসের সিরিয়ালটির চরিত্রগুলোর জীবন পটে। নৈতিক ও অক্ষরাকে নিয়ে শুরু হয়েছিল গল্প, এখন কেন্দ্রীয় চরিত্রে তাদের মেয়ে ও জামাতা।

উদয়পুরের সিংহানিয়া পরিবারে বিয়ে হয়ে আসে মাহেশ্বরী পরিবারের মেয়ে অক্ষরা। একান্নবর্তী শ্বশুরবাড়িতে সবার প্রিয় বউ হয়ে ওঠার গল্প দিয়ে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিক।

অক্ষরা ও নৈতিক এক সময়ে আদর্শ স্বামী-স্ত্রীর পোস্টার দম্পতি হয়ে ওঠেন ভারতের ঘরে ঘরে। হিনা খান ও করণ মেহরা পরিণত হন টেলিভিশনের সেরা জুটি।

এখন তাদের মেয়ে নায়রার জীবন নিয়েই ছুটে চলেছে গল্পের গাড়ি, যে চরিত্রে সত্যিই নিজেকে প্রমাণ করেছেন শিবাঙ্গী জোশি। তার সঙ্গে মোহসিন খানের জুটি হিনা-করণের মতোই সফল।

এখনো টিআরপি তালিকায় সেরা স্থানটি দখল করতে সক্ষম ‘ইয়ে রিশতা’। বলিউড লাইফের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সপ্তাহের হিন্দি টেলিভিশনের টিআরপি অনুযায়ী, সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে ‘ইয়ে রিশতা কেয়া কহলতা হ্যায়’।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ধারাবাহিকের চিত্রনাট্য টিম ঠিক জানে, কখন কেমন সংকট তৈরি করে গল্পের প্রতি দর্শককে চুম্বকের মতো টেনে রাখতে হয়।এই মুহূর্তে যেমন কার্তিক ও নায়রার জীবনে এক ধরনের ঝড় উঠেছে বলা যায়। ছেলে কায়রভের সার্জারি। কী হবে সার্জারির পরিণাম, সেই ভাবনায় অস্থির দুই চরিত্র। দর্শকের চোখ সে দিকে।

এমনকি ধারাবাহিকের গল্পের এই বিশেষ পর্যায়টির জন্য হ্যাশট্যাগও তৈরি হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কায়রভের সার্জারি প্রসঙ্গে তৈরি হয়েছে নতুন হ্যাশট্যাগ– স্টে স্ট্রং কায়রা। বোঝাই যাচ্ছে, দর্শক আছেন বলেই তাদের জীবনের সমান্তরালে চলমান এই গল্প।

Design a site like this with WordPress.com
Get started