কাশ্মীর সীমান্তে স্পেশাল কমান্ডো পাঠিয়েছে পাকিস্তান; সতর্ক অবস্থানে ভারত

মনিপুরি মুসলিম বিডি | অনলাইন ডেস্ক


কাশ্মীর নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কাশ্মীর সীমান্তে শতাধিক স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ (এসএসজি) কমান্ডো পাঠিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির এই পদক্ষেপের পরই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় সেনারা।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে দেশটির একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সীমানায় স্যার ক্রিক এলাকায় পাকিস্তানি কমান্ডোরা ঘাঁটি গেড়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জাতীর উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণ দেন ইমরান খান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা বাতিল করে ঐতিহাসিক ভুল করেছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, এখন এটা হলো কাশ্মীরি জনগণের সামনে ঐতিহাসিক সময়। ভারতের কাছ থেকে বহু দশকের স্বাধীনতার স্বপ্ন অর্জনের সময় এটা তাদের। ইমরান খান বলেন, তিনি কাশ্মীরিদের একজন দূত হয়ে কাজ করবেন। প্রতিটি ফোরামে তুলে ধরবেন কাশ্মীর ইস্যু। প্রতি সপ্তাহে কিছু সময় বের করে কাশ্মীরিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ করার আহ্বান জানান তিনি পাকিস্তানিদের প্রতি।

সূত্র : সময় টিভি

সকল পক্ষকে সাথে নিয়ে আফগানিস্তানে একটি শক্তিশালী ইসলামী সরকার গঠন করতে চায় তালেবান

মনিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


সকল পক্ষকে নিয়ে আফগানিস্তানে একটা ইসলামী সরকার গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে তালেবান। দোহাতে আফগান তালেবানদের রাজনৈতিক অফিসের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন এ কথা জানান।

আমেরিকার সাথে প্রায় এক বছর ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছে তালেবানরা কিন্তু আফগান সরকারের সাথে আলোচনার ব্যাপারে তারা রাজি হননি।

আমেরিকার সাথে আলোচনার পর আফগান সরকারের সাথে তালেবানরা আলোচনায় বসবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন জোর দিয়ে বলেন, “অবশ্যই তারা সকল আফগান পক্ষের সাথে আলোচনা করবেন। এদের মধ্যে আফগান প্রশাসনও থাকবে। তবে সেখানে তারা সঙ্ঘাত পরিস্থিতির একটা পক্ষ হিসেবে থাকবে, সরকার হিসেবে নয়”।

তালেবানরা বলেছে আমেরিকার সাথে চুক্তি হওয়ার পর তারা সকল আফগান গ্রুপকে সরকারে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবে।

তালেবানদের রাজনৈতিক মুখপাত্র সুহাইল শাহীন বলেন, “অবশ্যই আফগানিস্তানে আমরা একটা ইসলামি সরকার চাই, যেখানে সকল আফগান পক্ষ, সকল জাতিগোষ্ঠি, সকল পর্যায়ের মানুষ অংশ নেবে যাতে এটা একটা শক্তিশালী ইসলামী সরকার হতে পারে”।

এদিকে আফগান তালেবান সোমবার জানিয়েছে যে, কাতারের রাজধানী দোহায় চলমান আলোচনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটা চুক্তির কাছাকাছি চলে গেছেন তারা।

সুহাইল শাহীন বলেন, এ পর্যন্ত কোন পক্ষই চূড়ান্ত পর্যায়ে যায়নি, যদিও আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আলোচনা শেষ হওয়ার আশা করছে উভয় পক্ষ।

শাহীন বলেন, “আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে রাজি হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে আফগান ইস্যু সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে”।

তবে কোন সময়ের মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হবে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানদের মধ্যে নবম দফা আলোচনা শুরু হয়েছে কাতারের রাজধানী দোহাতে। আফগানিস্তানের দীর্ঘ যুদ্ধের ইতি টানার জন্য এই আলোচনা চলছে।

গত রোববার দিনের শুরুতে কিছু মিডিয়া জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানদের মধ্যে একটা চুক্তি হয়েছে এবং দুই পক্ষই কাবুলে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন দূত জালমাই খলিলজাদ ও তালেবান উভয়েই পরে এই রিপোর্টকে নাকচ করে দেন।

দেশে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে আমেরিকা-তালেবান আলোচনার কারণে সেটা চাপা পড়তে পারে।

শনিবার কাবুলে নিযুক্তি শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক জন ব্যাস বলেছেন যে, নির্বাচন নির্ধারিত সময় অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত, যদি শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

জন ব্যাস বলেন, “দুটোই (শান্তি প্রক্রিয়া ও নির্বাচন) আমেরিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার কারণ আফগান জনগণেরও অগ্রাধিকার এটাই। আর প্রতিদিনই বহু আফগান আমাদের জানাচ্ছে যে শান্তিই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার”।

সূত্র : আনাদুলু এজেন্সি

নৃগোষ্ঠীর মানুষদের বিতাড়নের চেষ্টা চলছে: সুলতানা কামাল

‘বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি ও ভাষার অধিকার সুরক্ষা’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেন মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল।

মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল বলেছেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানুষদের ইচ্ছাকৃতভাবে দেশ থেকে বিতাড়নের চেষ্টা চলছে। এটা রাষ্ট্রীয়ভাবেও চলছে আবার অ-রাষ্ট্রীয়ভাবেও চলছে। এখানে রাষ্ট্রের একটা প্রচ্ছন্ন মদদ আছে। আর মদদ আছে বলেই এই বিতাড়ন সম্ভব হচ্ছে।

‘বাংলাদেশের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভূমি ও ভাষার অধিকার সুরক্ষা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন সুলতানা কামাল। রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আজ মঙ্গলবার সকালে এ সেমিনার হয়। আয়োজক ছিল বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের জোট ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০১৯ উদ্‌যাপন কমিটি’।

গত ৯ আগস্ট ছিল আন্তর্জাতিক দিবস। এ উপলক্ষেই ছিল আজকের আয়োজন। এ বছর এ দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল ‘আদিবাসী ভাষা চর্চা ও সংরক্ষণ’।

আজ সুলতানা কামাল বলেন, দেশে নৃগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা দিন দিন কমছে। এই কমে যাওয়ার পেছনে প্রাকৃতিক কোনো কারণ নেই। আছে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক কারণ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল বলেন, রাষ্ট্রীয় নীতির কারণেই ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা কমছে। এসব জাতির মানুষ দেশত্যাগ করছে বা করতে বাধ্য হচ্ছে। অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে তাদের সংখ্যা কমানোর প্রক্রিয়া চলছে। অথচ এই প্রবণতা রুখতে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো পদক্ষেপ দেখছি না।

সুলতানা কামাল বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে সাংবিধানিকভাবে এবং সার্বিকভাবে অস্বীকার করা হচ্ছে। এটা সুখকর সংবাদ না।

সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমরা আজ সংখ্যায় কম হওয়ার কারণে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষকে উদ্বাস্তু করে তুলছি। এক সময় আমরা বিবেকের উদ্বাস্তুতে পরিণত হব। ’

মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের মর্যাদাপূর্ণ জীবন যাপনের অধিকার নিশ্চিত করা। রাষ্ট্রকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে, কী কারণে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে।

আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি নিজামুল হক, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে বা তারা উৎখাত হচ্ছে। দুটোই আইনবিরোধী। প্রশ্ন আসে, এসব জাতির মানুষের ভূমি সুরক্ষায় আইনে থাকা দায়িত্বগুলো জেলা প্রশাসন পালন করছে কি না।
বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, ভূমি সংক্রান্ত সরকারি কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিদের এ সংক্রান্ত জ্ঞান উন্নত করার দরকার আছে। ভূমি সংক্রান্ত নানা আইন আছে মানুষের সুরক্ষার জন্য। অথচ সেগুলো ব্যবহার হয় মানুষকে বিপদে ফেলার জন্য।

আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘আদিবাসী’ শব্দ ব্যবহার করা যাবে না—এমন কোনো সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা নেই। যে কেউ ইচ্ছে করলে এ শব্দ ব্যবহার করতে পারে।

আজকের সেমিনারে দুটি প্রবন্ধ তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে ‘ভূমিই জীবন, ভূমিই পরিচয়, ভূমিই অস্তিত্বের প্রতীক’ শীর্ষক প্রবন্ধ পড়েন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং। আর ‘আদিবাসীদের ভূমি থেকে উচ্ছেদ: কারণ ও করণীয়’ শীর্ষক প্রবন্ধ পড়েন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস।

বক্তব্য দেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত, বেসরকারি সংগঠন নিজের করি’র সমন্বয়কারী খুশী কবির, এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা প্রমুখ।

সাংবাদিক নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক

মনিপুরি মুসলিম বিডি | তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক


এবার সাংবাদিক নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।

গত মঙ্গলবার এ পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এএফপি বলছে, নতুন একটি ফিচার যুক্ত হচ্ছে ফেসবুকে। ‘নিউজ ট্যাব’ নামের ফিচারটিতে নির্বাচিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ খবর দেখানো হবে। এ খবরগুলো নির্বাচন করবে সাংবাদিকদের ছোট্ট একটি দল। এজন্য এ ফিচারটি পরিচালনার জন্য সাংবাদিক নিয়োগ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ফেসবুক।

মোবাইলে ফেসবুক অ্যাপের একটি অংশে ওই নিউজ ট্যাব থাকবে। চলতি বছরই ওই ফিচার পরীক্ষা করতে পারে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুকের নিউজ ট্যাবের অধিকাংশ খবর অ্যালগরিদম অনুযায়ী দেখানো হবে। তবে প্রতিদিনের শীর্ষ খবরগুলো ১০ জন বিখ্যাত সাংবাদিক ঠিক করে দেবেন। ফেসবুকের মূল ফিড থেকে এ নিউজ ট্যাব আলাদা থাকবে।

মাদরাসা ও মসজিদের শহরে পরিণত হচ্ছে নিউইয়র্ক!

মসজিদের শহর হিসেবে পরিচিতি রয়েছে বাংলাদেশের ঢাকা ও তুরস্কের ইস্তাম্বুল শহরের। এবার যোগ হলো আমেরিকার নিউইয়র্কের শহর বাফেলো। এ শহরটিতে দিন দিন মাদরাসা ও মসজিদের সংখ্যা বেড়েই চলছে।

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা ও তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলের আদলেই মাদরাসা-মসজিদের শহরে পরিণত হচ্ছে নিউইয়র্কের বাফেলো শহর। সেখানের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের অধিকাংশ গির্জায় রয়েছে নামাজের ব্যবস্থা। প্রতিদিনই এসব গির্জায় পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ছেন মুসলিমরা। তাতে মুসল্লিদের সমাগম বাড়ছে।

বাফেলো শহরের প্রতিটি মুসলিম পরিবারই তাদের স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের নিয়ে মসজিদে নামাজ আদায়ে শামিল হচ্ছেন। প্রতি শুক্রবার নারীরাসহ পরিবারের অধিকাংশই নামাজ পড়তে যাচ্ছে এসব মসজিদে।

নিউজিল্যান্ড ঘটনার পর থেকে শুক্রবার প্রত্যেক মসজিদে বাফেলোর মেয়র এবং সিটির পুলিশ কমিশনার রেগুলার পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশের নজরদারিও বৃদ্ধি করেছে। যাতে মুসল্লিদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা না ঘটে।

২ হাজার ৫২৫ বর্গকিলোমিটারের এ শহরটিতে বর্তমানে ১৭টি জামে মসজিদ রয়েছে। চারটি ইবাদতখানাসহ বৃহৎ পরিসরে চারটি উচ্চ শিক্ষার মাদরাসাও রয়েছে। এ ছাড়া কুরআন হেফজের লক্ষ্যে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি হেফজখানা।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, বাফেলোর পুরনো জেলখানাটিই এখন যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ আবাসিক/অনাবাসিক নারী মাদরাসায় পরিণত হয়েছে। যেখানে ইসলামি শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশটির শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত সিলেবাসও পড়ানো হয়। মাদরাসার অধিকাংশ শিক্ষক ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

বাফেলোজুড়েই বসবাস করছে এশিয়ার অধিকাংশ মুসলিম দেশের মানুষ। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও ইয়েমেনের মুসলিমদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। আরও আছে সৌদি আরব, আরব আমিরাত ও ভারতের মুসলিম জনসংখ্যাও।

উল্লেখ্য, শহরটিতে বর্তমানে যে সব মসজিদ রয়েছে তার অধিকাংশই আগে গির্জা ছিল। এসব গির্জা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় এবং দেখভালের অভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে বছরের পর বছর। যাতে ক্ষতির মুখে পতিত হচ্ছিল ভবনগুলো। পাশাপাশি বাফেলো সিটি হারাচ্ছিল মোটা অংকের রাজস্ব। অন্যদিকে বাফেলোতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়া এবং তাদের চাহিদা থাকায় সিটি কর্তৃপক্ষ নামেমাত্র থাকা এসব গির্জা লিজ প্রদান করে মসজিদের জন্য।

সম্প্রতি দেলেবান ও বেলী রোডের কর্নারে সববৃহৎ গির্জাটি যখন মসজিদের জন্য সিটির কাছ থেকে লিজ নেয়া হলো, তখন বিভিন্ন মিডিয়া বিশেষ করে (ফ্রক নিউজ, এবিসি নিউজ) খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকদের একটি সাক্ষাৎকার নিয়ে তা প্রকাশ করে। যাতে তাদের অধিকাংশের মতামত ছিল এরকম যে, ‘আমরা আগে রোববার প্রার্থনা করতাম, সেখানে মুসলিম ফ্রেন্ডরা শুক্রবার প্রার্থনা করবে। পার্থক্য শুধু এটাই। আমরা গডকে ডাকতাম আর ওরা আল্লাহকে ডাকবে। এতে সমস্যা কোথায়?

শহরটির যেসব গির্জা এখন মসজিদে পরিণত হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো-
মসজিদ-এ-জাকারিয়া, মসজিদ আল তাকওয়া, মসজিদে জুমা, মসজিদে নোমান, মার্কাস মসজিদ, মসজিদ আল ইয়ামা, মসজিদ জামা, মসজিদ আল নূর, মসজিদ আল গুদাম, মসজিদ এট জ্যাফরিয়া, বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, মসজিদ বিলাল, মসজিদ দারুস সালাম, মসজিদ-ই-মাহদি, মসজিদ তাওহীদ, মসজিদ মুকাররাম জামে মসজিদ, সেন্ট্রাল পার্ক জামে মসজিদ উল্লেখযোগ্য।

অতিরিক্ত সেলফি পোস্ট আত্মকেন্দ্রিক ও একাকিত্বের লক্ষণ

ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টজুড়ে শুধুই সেলফি? অতিরিক্ত সেলফি পোস্ট করার অভ্যাসকে কিন্তু মোটেও ভাল চোখে দেখছেন না ওয়াশিংটন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদরা। সাম্প্রতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সেলফি পোস্ট করলে তাঁকে কম আকর্ষণীয় মনে করতে পারেন অন্যরা। সেলফি ভরা সোশ্যাল মিডিয়া গ্যালারি দেখে সেই ব্যক্তি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও ধরে নেয় মানুষ।
সেলফি আর অন্য কারও তুলে দেওয়া ছবি, এই দুই ধরনের পোস্ট আছে এমন ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নিয়ে সমীক্ষা করা হয়। তাতেই উঠে আসে এমন তথ্য। দুটি পর্যায়ে সমীক্ষাটি করা হয়। প্রথমে ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রীর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট নির্বাচন করেন মনোবিদরা। তারপর সেই অ্যাকাউন্টগুলির স্ক্রিনশট নেওয়া হয়। এরপর সেই স্ক্রিনশট দেখানো হয় ১১৯ জন ছাত্রছাত্রীকে। ৩০টি অ্যাকাউন্টের ছবি দেখিয়ে আত্মসম্মান, সাফল্য, একাকিত্ব ইত্যাদি বিষয়ে আন্দাজ করে নম্বর দিতে বলা হয় ওই ১১৯ জন ছাত্রছাত্রীদের।
সমীক্ষার শেষে দেখা যায়, প্রচুর সেলফি আছে, এমন অ্যাকাউন্টগুলির বিষয়ে নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছেন বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রীরা। অতিরিক্ত সেলফি আত্মকেন্দ্রিকতা, আত্মবিশ্বাসের অভাব ও একাকিত্বের লক্ষণ বলে মত প্রকাশ করেছেন অনেকেই।

তেতই গাঁও রসিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০১২ ব্যাচের পুনর্মিলনী স্মৃতিচারণ


ওয়াশিংটন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিদ ক্রিস বেরির মতে, সেলফির তুলনায় পোজ দিয়ে তোলা ছবিকেই বেশি পছন্দ করে সমাজ। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “৩০টির মধ্যে দুটি প্রোফাইল প্রায় একইরকম ছিল। দুটি প্রোফাইলেই ব্যবহারকারী তাঁর বেড়াতে যাওয়ার, সাফল্যের ছবি দিয়েছেন। এক জনের ছবি সেলফিতে, অপরজনের ছবিগুলি পোজ দেওয়া। দ্বিতীয় ব্যক্তিকেই পছন্দ করেছেন সকলে।” বেরি জানান, সেলফি দেওয়া ব্যক্তিকে আত্মকেন্দ্রিক ও নেতিবাচক বলে মনে করেছেন সকলেই। তিনি বলেন, “এর থেকে প্রমাণ হয়, কোনও ব্যক্তির সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল দেখেই তার মানসিকতার আন্দাজ করে সমাজ।”

স্বাধীনতার পর নতুন পতাকা পেলো মুসলিম রাষ্ট্র বাংসামোরো

মনিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

বাংসামোরোর মুসলিমরা পেলো এবার নতুন পতাকা। চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি গণভোটের মাধ্যমে বাংসামোরো অঞ্চল লাভ করে স্বায়ত্তশাসন। ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মুসলিম জনপদ এটি। সংসদ সদস্যদের রায়ে বাংসামোরোর সরকারি পতাকা অনুমোদিত হয়েছে।

গত শনিবার (২৪ আগস্ট) ফিলিপাইনের সংসদে অধিকাংশ সংসদ সদস্যের রায়ে বাংসামোরোর অফিসিয়াল পাতাকা অনুমোদিত হলো। সংসদ সদস্য লানাঙ্গ আলী তার ফেসবুক পেজে সরকারি পতাকা লাভে শুকরিয়া আদায় করেছেন।

তিনি ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! ৭ নম্বর বিলের মাধ্যমে বাংসামোরোর অফিসিয়াল পতাকা অনুমোদন দেয়া হয়েছে।’ স্ট্যাটাসের সঙ্গে নতুন পতাকার একটি ছবিও যুক্ত করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ফিলিপাইন দখল করলে অধিকার হারান বাংসামোরোর মুসলিমরা। এরপর দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের অধিকার আদায়ে আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছিল। এমন প্রেক্ষাপটে এ বছরের শুরুর দিকে গনভোটের মাধ্যমে স্বাধীন ভূখণ্ডের স্বীকৃতি পায় বাংসামোরো।

আজ জাতীয় কবির ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী

মনিপুরি মুসলিম বিডি | নিজস্ব প্রতিনিধি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার । বাংলা সাহিত্যে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিত নজরুল ১৯৭৬ সালের ২৭ আগস্ট (১৩৮৩ বঙ্গাব্দের ১২ ভাদ্র) তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) ইন্তেকাল করেন। তার ইচ্ছা অনুসারে কবিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন উত্তর পাশে কবর দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পরই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে সপরিবারে কবি নজরুলকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। ‘জাতীয় কবি’র মর্যাদা দিয়ে বাংলাদেশে তার বসবাসের ব্যবস্থা করেন। ধানমন্ডিতে কবির জন্য একটি বাড়ি দেয়া হয়। ঐ বাড়িটিতেই নজরুল ইনস্টিটিউট স্থাপন করা হয়েছে।

জাতীয় কবি নজরুল ১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। পিতার নাম কাজী ফকির আহমেদ ও মাতা জাহেদা খাতুন।

বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি ছিলেন একাধারে কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগতকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতা ও গান শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধে তার গান ও কবিতা ছিল প্রেরণার উৎস।

কবি কাজী নজরুল ইসলাম আজীবন ছিলেন আপসহীন। সত্যকে সত্য বলেছেন, মিথ্যাকে মিথ্যা। দৃঢ় কণ্ঠে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। কাজী নজরুল ইসলামের সৃষ্টি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কথা সবারই জানা।

ব্রিটিশ সরকারকে উৎখাতের আন্দোলনে এ কবিতা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে মুখে মুখে। এক সময় কবিকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯২৩ সালের ৭ জানুয়ারি নজরুল বিচারাধীন বন্দি হিসেবে আত্মপক্ষ সমর্থন করে এক জবানবন্দি প্রদান করেন। চিফ প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট সুইনহোর আদালতে দেয়া ওই জবানবন্দি বাংলা সাহিত্যে রাজবন্দির জবানবন্দি নামে বিশেষ সাহিত্যিক মর্যাদা লাভ করেছে।

কবির জীবনকাল ৭৭ বছরের। ১৯৪২ সালে অসুস্থ হয়ে বাকশক্তি হারানোর আগ পর্যন্ত তিনি সৃষ্টিশীল ছিলেন। এ সময়ের মধ্যে কবি শিল্প-সাহিত্যকে যা দিয়েছেন, তা বাংলা তথা বিশ্ব পরিমণ্ডলে অমূল্য এক সম্পদ। তাই কাজী নজরুল ইসলাম এখনও প্রাসঙ্গিক।

নজরুল ইসলাম ছিলেন একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সঙ্গীতজ্ঞ, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ এবং সৈনিক। দারিদ্র্যের কারণে মাত্র ১০ বছর বয়সেই পরিবারের ভার বহন করতে হয়েছে তাকে। ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কিছুদিন কাজ করার পর তিনি পেশা হিসেবে বেছে নেন সাংবাদিকতা।

সাম্রাজ্যবাদবিরোধী কবি তৎকালীন ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সোচ্চার ভূমিকা রাখেন। কারাবন্দি থাকা অবস্থায় তিনি রচনা করেন ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’। বন্দিদশায় তার হাতে সৃষ্টি হয়েছে গান, কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস, ছোটগল্পসহ অসংখ্য রচনা।

১৯২১ সালের ডিসেম্বরে কুমিল্লা থেকে ফেরার পথে নজরুল দুটি বৈপ্লবিক সাহিত্যকর্ম সৃষ্টি করেন- একটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও অপরটি ‘ভাঙ্গার গান’, যা বাংলা পদ্য ও গণসঙ্গীতের ধারাকে সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছিল।

১৯২২ সালে তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমে বাংলাকাব্য জগতে নতুন দিনের সূচনা হয়। এ কাব্যগ্রন্থের ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘বিদ্রোহী কামাল পাশা’, ‘শাত-ইল-আরব’, ‘আগমনী’, ‘খেয়াপারের তরণী’সহ প্রতিটি কবিতাই বাংলা কাব্যে নতুন বাঁক সৃষ্টি করেছিল।

সঙ্গীত রচনায় নজরুল অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন। তিনি প্রায় চার হাজার গান রচনা ও সুর করেছেন।

বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবিকে সম্মানসূচক ডি. লিট উপাধি প্রদান করে। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ সরকার কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব দেয়। একই বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে পদকে ভূষিত করা হয় কবিকে।

কাশ্মীরে শিশু খাদ্য থেকে শুরু করে ওষুধ সরবরাহ পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছে ভারত; সর্বত্র হাহাকার

মনিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


ভারতের বন্দীদশায় থাকা কাশ্মীরিরা মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। পুরো কাশ্মীরে মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট সেবা সহ সবরকমের প্রয়োজনীয় সেবা বন্ধ করে রেখেছে ভারত সরকার।

কাশ্মীরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র প্রবেশ বন্ধ করে রেখেছে ভারতীয় সেনারা। এতে করে সেখানে ওষুধ ও শিশু খাদ্যের মত পণ্যগুলোর তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

বেঁচে থাকার জন্য ওষুধ মিলছে না। বাচ্চাদের বেবি ফুড অমিল। এমনকী জীবনরক্ষাকারী ওষুধ না পেয়ে হাহাকার শুরু হয়েছে। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মায়ের প্রেসক্রিপশন নিয়ে একাধিক ওষুধের দোকানে গেছেন সাজিদ আলি কিন্তু খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। সাজিদের মা, ৬৫ বছর বয়সী সুরাইয়া বেগমের ওষুধ কিনতে বেরিয়ে ছিলেন ছেলে। কিন্তু উপত্যকায় যানবাহন চলছে না। স্থানীয় হাসপাতাল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে চড়ে শ্রীনগরে পৌঁছেছিলেন সাজিদ আলি। কিন্তু ৩ ঘণ্টা ধরে খোঁজার পরে শ্রীনগরেও ওষুধ মেলেনি। অবশেষে শ্রীনগর বিমানবন্দর থেকে নয়াদিল্লির টিকিট কেটে দিল্লি থেকে এক মাসের ওষুধ নিয়ে ফিরেছেন আলি।

অন্যদিকে ৫ আগস্ট থেকে স্তব্ধ কাশ্মির উপত্যকা। শেষ হয়ে আসছে নিত্যপ্রয়োজনীয় ওষুধের সরবরাহ। ৫ আগস্ট জম্মু–কাশ্মির থেকে প্রত্যাহার করা হয় ৩৭০ ধারা। দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু–কাশ্মীর ও লাদাখ। সেই সিদ্ধান্তের পর থেকেই বন্ধ দোকানপাট, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের সরবরাহ ব্যাহত। ওষুধের সরবরাহ নেই।

গত ৫ আগস্ট থেকে নতুন কোনো সরবরাহ আসেনি। কেবলমাত্র কিছু অ্যান্টিবায়োটিক পড়ে রয়েছে বলে জানান, জনৈক এক বিক্রেতা। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসের মত রোগ নিয়ে দুরদুরান্ত থেকে এসে ফিরে যাচ্ছেন মানুষ। বাবার জন্য ইনসুলিন পাচ্ছেন না মোহম্মদ ইসমাইল নামের যুবক। অনন্তনাগের খুশি বেগমের হাঁপানি বাড়ার পর ইনহেলার পাওয়া যায়নি। হাসপাতালে যেতে যেতেই মারা গেছেন তিনি।

ইএফএফ এএওয়াই ফার্মাসি ডিস্ট্রিবিউটরের কর্ণধার মনসুর আহমেদ জানালেন, মাত্র ৩০ শতাংশ স্টক পড়ে রয়েছে। নয়াদিল্লি থেকে কোনো নতুন স্টক আসছে না। গত ৩০ বছরেও এই ধরনের ওষুধের অভাবে কাশ্মিরে হয়নি। গ্রামীণ অঞ্চলে বেবিফুডের মতো প্রাথমিক দ্রব্যেরও জোগান না থাকায় হাহাকার শুরু হয়েছে। সরকারি হাসপাতালে বেড়েছে রোগী সংখ্যা, কারণ সমস্যা একটাই ওষুধ নেই।

সূত্র : আজকাল

Design a site like this with WordPress.com
Get started