রফিকুল ইসলাম জসিম :
ভারতের মণিপুর রাজ্যের মণিপুরি ভাষার চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম ক্লাব মণিউড। মণিউড ক্লাবের চলচ্চিত্রেের অভিনয় শিল্পীদের সঙ্গে বাংলাদেশের মণিপুরি মুসলিম “পাঙাল” সমাজের নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জের আদমপুর বাজারে তেতই গাঁও রসিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে হলরুমে ভারতের মণিপুরের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, অভিনেতা ও বিশিষ্টজনের সাথে গতকাল ১৩ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায় বাংলাদেশি মণিপুরি মুসলিম পাঙাল সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন৷

মতবিনিময় সভায় তেতই গাঁও রসিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল মতিন সাহেবের সভাপতিত্বে বামডো’র সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল হক স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মণিউড ক্লাবের সভাপতি থাংজম অরুনকুমার, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লোকেন্দ্র সিংহ, জনপ্রিয় অভিনেতা গোকুল সিংহ, কমলগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মণিপুরি মুসলমানদের ইতিবৃত্ত বইয়ের লেখক হাজী মো আব্দুস সামাদ, মণিউড চলচ্চিত্রের মণিপুরি মুসলিম “পাঙাল” অভিনয়শিল্পী মোহাম্মদ ফিরোজ।

উল্লেখ্য, ভারতে মণিপুরিদের বৃহত্তম চলচ্চিত্র পরিবেশক মণিউড। মণিপুরি সিনেমা হিসাবে মণিউডকে আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এর চলচ্চিত্রের কথোপকথন বা সংলাপ সাধারণত নিরলংকার মণিপুরি ভাষাতে লেখা হয়ে থাকে, যা সর্বাধিক সম্ভাব্য শ্রোতারা বুঝে।

মণিউড সকল চলচ্চিত্রে প্রায়শই তারকাদের ত্রিকোণী প্রেম এবং ক্রুদ্ধ বাবা-মা, পারিবারিক বন্ধন, আত্মাহুতি, দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, অপহরণকারী, কুমারী খলনায়ক, দীর্ঘস্থায়ী আত্মীয় এবং ভাগ্যবর্গের মাধ্যমে বিভক্ত ভাইবোন, নাটকীয় বিপর্যয় ভাগ্য এবং সুবিধাজনক কাকতালীয়তা লক্ষ্য করা যায়।
