শহীদ মুরসীর ছোট ছেলে আব্দুল্লাহ মুরসী ইন্তেকাল করেছেন

মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট শহীদ মুহাম্মাদ মুরসীর ছোট ছেলে আব্দুল্লাহ মুরসী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি কায়রোর হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন বলে পরিবারের সূত্র দিয়ে নিশ্চিত করেছে আনাদোলু এজেন্সি।

মুরসীর বড় ছেলে আহমেদ মুরসী জানান, আব্দুল্লাহ তার বন্ধুর সাথে কায়রোতে গাড়িতে করে কোথায় যাচ্ছিল। হঠাৎ অস্বস্তি অনুভব করলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় আবদুল্লাহকে। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করে কর্তব্যরত চিকিৎসকগণ।

মুহাম্মাদ মুরসীর ৪ ছেলে ও ১ মেয়ের মধ্যে আব্দুল্লাহ মুরসী সবচেয়ে ছোট। তিনি মিশরের রাজধানী কায়রোতে জন্ম গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, মিশরের ইতিহাসে প্রথম জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদ মুরসী গত ১৭ জুন স্বৈরশাসক ইহুদিবাদী ইসরাইলের দোষর আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির কারাগারে বন্দী অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

মুরসী ছিলেন ইসলামী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের  প্রথম সারির নেতা। ২০১২ সালে ব্রাদারহুডের  প্রার্থী হিসেবে তিনি জনগণের ভোটের মাধ্যমে মিসরের প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব  গ্রহণ করেন।

ক্ষমতা গ্রহণের এক বছরের মাথায় ২০১৩ সালে, তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইহুদিবাদী ইসরাইলের দোষর আবদেল ফাত্তাহ আল সিসির নেতৃত্বে এক রক্তক্ষয়ী সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে অবৈধভাবে মুহাম্মাদ মুরসীকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

ক্ষমতাচ্যুত করার পর মুরসীকে কারাবন্দি করে পশ্চিমাদের সমর্থন পাওয়া সিসির সরকার। এরপর রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তিসহ তথাকথিত বিভিন্ন অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা হয় তাকে।

মৃত্যুর আগ থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে জানানো হয়েছিল কারাগারে মুরসির শারীরিক অবস্থা মোটেও ভালো নয়, কারাগারে তার মৃত্যুও হতে পারে। ডায়াবেটিস আক্রান্ত মুরসীকে পর্যাপ্ত চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে না বলে পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছিল।

ব্রিটিশ রাজনীতিক ও আইনজীবীদের একটি প্যানেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলার ফলে মুরসীর শারীরিক অবস্থা যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তাতে তিনি অকালে মারা যেতে পারেন। তবে এসব বক্তব্যকে মোটেও গুরুত্ব দেয়নি মিশরের বর্তমান সরকার।

মুসলিম ব্রাদারহুড এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান সাবেক প্রেসিডেন্ট মুরসীর মৃত্যুতে মিসরের স্বৈরশাসক আব্দেল ফাত্তাহ সিসি’কে দায়ী করেছেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই মাঠে নামছে বাংলাদেশ

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আজ বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় একমাত্র টেস্ট সিরিজে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

আফগানদের বিপক্ষে একমাত্র টেস্ট ম্যাচ দিয়ে কোচ অধ্যায় শুরু হচ্ছে রাসেল ডমিঙ্গোর। এই সিরিজে টাইগার ড্যাসিং ওপেনার তামিম ইকবাল ছুটিতে থাকায় একদশের অটোমেটিক চয়েস হিসাবে দেখা যাবে সাদমান ইসলামকে। তার সাথে সঙ্গী হিসাবে দেখা যাবে আরেক মারকুটে ওপেনার সৌম্য সরকারকে। আর তিন নম্বর ব্যাটিং পজিশনে থাকছে মুমিনুল হক সৌরভ। চার ও পাঁচ ব্যাটিং পজিশনে পর্যায়ক্রমে মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। সাইলেন কিলার খ্যাত মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ছয় নম্বরে আর সাতে লিটন দাস কিংবা মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে খেলাতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।

ভারতের বিপক্ষে আগামী নভেম্বরে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশীপের মিশন শুরু করবে বাংলাদেশ তাই বলা চলে আফগানদের বিপক্ষে এই সিরিজটি প্রস্তুতি সরূপ। ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে স্পিন এবং পেস বোলাররাও অনেক সুবিধা পাবেন। তবে এই সিরিজে স্পিনই হবে ম্যাচের ফল নির্ধারক। তাই রশিদ খানদের সামলাতে বাংলাদেশের একাদশে বেশ কিছু নতুন চমক থাকতে পারে।

টাইগারদের সম্ভাব্য একাদশ: সাকিব আল হাসান (অধিনায়ক), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (সহ-অধিনায়ক), সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন কুমার দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান ও তাসকিন আহমেদ।

আওয়ামী লীগ কখনও ধর্মের বিভাজনে বিশ্বাস করে না

দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ কখনই ধর্মের বিভাজনে বিশ্বাস করে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি নিজেদেরকে নিজেরাই সংখ্যালঘু বলে অবহেলিত মনে না করার আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি সরকার অসৎ উদ্দেশ্যে দেশের জনগণের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ কখনই এতে বিশ্বাস করে না। বরং তারা মনে করে এই দেশ সকলের, এদেশে বসবাসকারী সকল ধর্মাবলম্বীদের।’

শেখ হাসিনা বুধবার বিকেলে তার সরকারি বাসভবন গণভবনে শ্রী কৃষ্ণের জন্মদিন, জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে দেশের সনাতনধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই বাংলার মাটিতে যেহেতু আমরা ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলে এক হয়ে বুকের রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছি। কাজেই এখানে সকল ধর্মের সম্মান ও অধিকার থাকবে।’

তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধকালে যখন সকলে একসঙ্গে যুদ্ধ করেছে এক ভাইয়ের সঙ্গে অপর ভাইয়ের রক্ত মাটিতে মিশে গেছে সে রক্ততো কেউ ভাগ করতে যায়নি, এটা ভাগ হতে পারে না।’

এ সময় ভারতীয় শরণার্থী শিবিরে আশ্রিতদের কে হিন্দু বা কে মুসলমান সেটা দেখা হয়নি। আমরা সেটা ভুলব কীভাবে, বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যে সংবিধান আমাদের দিয়েছিলেন সেই সংবিধানে তিনি কিন্তু সে কথাই বলে রেখেছিলেন। আমাদের যে চার মূলনীতি সেই মূলনীতিতে কিন্তু এ কথাটাই ছিল।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে আমার একটা অনুরোধ থাকবে আপনারা নিজেরা নিজেদেরকে বারবার করে কেন সংখ্যালঘু সংখ্যালঘু বলেন, আমি জানি না।

তিনি প্রশ্ন করেন, আপনারা কি এই রাষ্ট্রের নাগরিক না? আপনারা কি এদেশের মানুষ না? এটা আপনার জন্মভূমি না? তিনি নিজেই এর উত্তরে বলেন, এটাতো আপনাদের জন্মভূমি। তাহলে নিজেরা নিজেরেকে ছোট করে সংখ্যালঘু করে দেখবেন কেন?

‘এখানে সকলের সমান অধিকার রয়েছে’ উল্লেখ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, ‘আপনারা জানেন আমার বাবার (বঙ্গবন্ধু) আদর্শ অনুসরণ করেই আমরা সকল পদক্ষেপ নিচ্ছি ।’

খাদ্যমন্ত্রী সাধনচন্দ্র মজুমদার এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। ঢাকার রামকৃষ্ণ মঠ এবং রামকৃষ্ণ মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী পূর্ণাতমানন্দা মহারাজ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত, জন্মষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি গৌরাঙ্গ দে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জি, জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বিমল কান্তি দে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার, মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি সভাপতি শৈলেন্দ্র নাথ মজুমদার, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত পাল, জন্মষ্টমী উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেবাশিষ পালিতও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষকতা মানে ধর্মহীনতা নয়। ধর্ম নিরপেক্ষতার অর্থটাই হচ্ছে যার যার ধর্ম সে স্বাধীনভাবে পালন করবে।
তিনি বলেন, সংবিধানের চার মূলনীতিতে যে জাতীয়তাবাদের কথা বলা হয়েছিল সেটাও ছিল প্রতিটি ধর্ম, বর্ণ, জাতি যার যার নিজের অধিকার, সেই অধিকার নিয়ে তারা চলবে। সেটাই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুও বলে গিয়েছিলেন। আর যে কারণে বাংলাদেশে সকল ধর্মীয়রা এক হয়ে কাজ করতে পারে।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ অথবা ‘ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার’ বলে আমরা যে স্লোগান দিচ্ছি, আমরা আজকে কিন্তু তা প্রমাণ করেছি কারণ প্রতিটি অনুষ্ঠানই ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকলেই কিন্তু উদযাপন করছে, যেটা আজকে আমরা করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, আমরা যেমন মসজিদভিত্তিক শিক্ষা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিয়েছি, সেখানে ধর্মীয় এবং প্রাকপ্রথমিক শিক্ষার ব্যবস্থাও আমরা নিয়েছি। একইসঙ্গে মন্দিরেও আমরা সেই ব্যবস্থা নিয়েছি এবং এটা আপনারা জানেন যে প্রতিটি উপজেলার মন্দিরে হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের আওতায় মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম চালু করে দিয়েছি।

সরকারপ্রধান বলেন, সারাদেশে ৬৪৫০টি মন্দিরভিত্তিক শিক্ষাকেন্দ্রের মাধ্যমে প্রতিবছর এক লাখ ৯১ হাজার ২৫০ জনকে প্রাক, প্রাথমিক, বয়স্ক এবং ধর্মীয় গ্রন্থবিদ্যা শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা যেমন ইমামদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি সেই সাথে সাথে সারাদেশে পুরোহিত ও সেবায়েতদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ২৫ হাজার ৫৮১ সেবায়েত-পুরোহিত ও তিন হাজার ৪৩ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার সরকার হিন্দুধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আইন, খ্রিস্টধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আইন এবং বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট আই

এম. সাইফুর রহমানের দশম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

নিজস্ব প্রতিবেন :

সাবেক অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের দশম মৃত্যুবার্ষিকী  ৫ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার)। ২০০৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি নিহত হন।

সিলেটের উন্নয়নের কর্মকান্ডের জন্য মৃত্যুর দশ বছর পরও আলোচিত হন সাইফুর। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্যকে সিলেট বিভাগের উন্নয়নের রুপকার হিসেবে অভিহিত করে থাকেন দলটির নেতাকর্মীরা।

এম সাইফুর রহমান বাণিজ্যমন্ত্রী, পরিকল্পনামন্ত্রী ও একাধিকবার অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয় ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা হিসেবে। তিনি ১৯৭৯ সালে মৌলভীবাজার-৩ আসন থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ আসন এবং ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মৌলভীবাজার-৩ ও সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত হন। অর্থমন্ত্রী হিসেবে সংসদে ১২ বার বাজেট উপস্থাপনের রেকর্ড রয়েছে তাঁর।

বরেণ্য এই রাজনীতিবিদের স্মরণে ‘মরহুম এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদ’ আয়োজন করেছে কোরআন খতম, আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের।

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টায় নগরীর রিকাবীবাজার কবি নজরুল অডিটরিয়ামে ‘মরহুম এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়েছে তার জীবন ও কর্ম বিষয়ক আলোচনা সভা। উক্ত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষক ও বিশিষ্ট কলামিস্ট ড. আসিফ নজরুল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ‘মরহুম এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। উক্ত আলোচনা সভায় সিলেটবাসীকে উপস্থিত থাকতে অনুরোধ জানিয়েছেন ‘মরহুম এম সাইফুর রহমান স্মৃতি পরিষদের আহবায়ক সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

নিজেদের সংখ্যালঘু বলে খাটো করবেন না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সংখ্যালঘু বলে নিজেদের খাটো করবেন না। অন্তত আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় থাকে আমরা ভাগ-বাটোয়ারা করে দেখি না। এই দেশ আপনাদের, এই মাটি আপনাদের, এই জন্মভূমি আপনাদের। বুধবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সব সময় বলি- ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। বঙ্গবন্ধু আমাদের যে সংবিধান দিয়ে গেছেন সেখানেও ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা বলা রয়েছে। ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্মহীনতা নয়। আমি আপনাদের প্রশ্ন করতে চাই, আপনারা কি এই রাষ্ট্রের নাগরিক না? তাহলে নিজেদের ছোট করে দেখবেন কেন?

সকল ধর্মের অনুসারীদের স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশে সব ধর্মের স্বাধীনতা থাকবে। আমাদের সংবিধানের যে চার মূলনীতি সেখানেও তাই বলা আছে। আমাদের ধর্মেও তাই বলা হয়েছে, যার যার ধর্ম সে সে পালন করবে। যে কারণে আমি যখন মসজিদভিত্তিক শিক্ষা বাস্তবায়নের চেষ্টা করলাম, তখন মন্দিরভিত্তিক শিক্ষাও চালু করি। ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি প্রাক-প্রথমিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। আমরা ইমামদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি। সেই সঙ্গে পুরহিত-সেবায়েতের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। খ্রিষ্টান ধর্ম, বৌদ্ধ ধর্ম, হিন্দু ধর্ম কল্যাণ ট্রাস্ট করে দিয়েছি আমরা। ট্রাস্টের পাশাপাশি শারদীয় দূর্গা পূজায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আলাদা করে ২ কোটি টাকা দিয়ে আসছি। আমি আহ্বান জানাতে চাই, আপনারা অনেকেই অর্থশালী আছেন নিজেরাও যদি ট্রাস্টে অনুদান দেন তাহলে অর্থের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। সেই টাকা দিয়ে অসুস্থ-দরিদ্রদের সহায়তা করা যেতে পারে।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হয়েছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু এ দেশের মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলেন। তাদের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছেন। বাবার পাশে ছায়ার মতো ছিলেন আমার মা। তার নিজের জীবনেও কোনো চাহিদা ছিল না। দাদা-দাদী বাবাকে সমর্থন করেছেন। ’৭৫ এ আমরা আপনজন হারিয়েছিলাম, বাঙালি হারিয়েছিল সব আশা-ভরসা। লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। সেই স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করে দেওয়া। বাংলাদেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল এই সব খুনী ও স্বাধীনতাবিরোধী যারা পরবর্তীতে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছিল। বাবার পদাঙ্ক অনুসরণ করে আমি কাজ শুরু করেছিলাম। আজ এ দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সক্ষম হয়েছি। তাদের আশার আলো দেখাতে, তাদের ভেতরে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। আজ তারা উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে।

তিনি বলেন, এই দেশ আপনাদের। ১৯৯১ সালে মন্দির ভাঙা হয়েছে। আমরা ছুটি গিয়েছি। ঢাকার মন্দিরগুলোও ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে বৌদ্ধ ধর্মের লোকজনও রেহাই পায়নি। বিএনপির কাজই ছিল ধ্বংসাত্মক। সব সময় বিভেদ সৃষ্টির চেষ্টা করেছে।

রোহিঙ্গা সমাবেশে গোপন সহায়তা সংস্থাদের

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিরোধী উস্কানি এবং সমাবেশ আয়োজনে গোপন সহায়তার অভিযোগে আন্তর্জাতিক দুইটি সংস্থাকে এনজিও ব্যুরো রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ সারাদেশে সবধরণের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে চিঠি পাঠিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কাছে। একই সঙ্গে সংস্থা ২ টির ব্যাংক লেনদেনও স্থগিত করা হয়েছে। সংস্থা ২ টি হচ্ছে আল মারকাজুল ইসলামী ও আদ্রা।

বুধবার দুপুরে এ সংক্রান্ত একটি চিঠি পাওয়ার তথ্য স্বীকার করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো.আশরাফুল আবসার।

গত ২২ আগস্ট দ্বিতীয় দফার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ ভেস্তে যাওয়ার জন্য সরকারি প্রশাসনসহ বিভিন্ন মহল থেকে কিছু এনজিও সংস্থার অপতৎপরতাকে দায়ী করা হয়। এছাড়া প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া গত ২৫ আগস্ট বিশাল সমাবেশের আয়োজন করে রোহিঙ্গারা।

জেলা প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ নিয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত চালানো হয়। এতে রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রত্যাবাসন বিরোধী উস্কানির ইন্ধন এবং সমাবেশ আয়োজনের গোপন সহায়তার জন্য কয়েকটি বেসরকারি সংস্থার অপতৎপরতার অভিযোগ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে তদন্ত প্রতিবেদন এনজিও ব্যুরোর সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আশরাফুল আফসার বলেন, আন্তর্জাতিক ২ টি সংস্থাকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ সারাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার তথ্য জানিয়ে বুধবার দুপুরে এনজিও ব্যুরোর পাঠানো একটি চিঠি জেলা প্রশাসন কার্যালয়ে পৌঁছে।

এতে আল মারকাজুল ইসলামী ও আদ্রা’র সবধরণের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ব্যাংক লেনদেন বন্ধ রাখারও নির্দেশনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

এনজিও ব্যুরো’র চিঠির বরাত দিয়ে আশরাফ বলেন, আন্তর্জাতিক এ সংস্থা ২ টির বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রত্যাবাসন বিরোধী উস্কানি এবং গত ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গা সহিংসতার ২ বছর পূর্তিতে বিশাল সমাবেশ আয়োজনে গোপন সহায়তার অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগে সংস্থা ২ টির সবধরণের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে এনজিও ব্যুরো।

নির্দেশনা মত প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক

ডেঙ্গুর কাছে হার মানল ভিকারুননিসার অস্মিতা

ডেঙ্গুর কাছে হার মানল ভিকারুননিসার ছাত্রী অস্মিতা। ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গুজ্বর কেড়ে নিল ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী অস্মিতার প্রাণ। টানা ছয় দিন লাইফসাপোর্টে থেকে মৃত্যুর কাছে হার মানেন প্রতিভাবান এ শিক্ষার্থী।

বুধবার সকাল ৭টায় ঢাকা মিলেনিয়াম হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে অস্মিতা। অস্মিতা ঢাকার আজিমপুরে পরিবারের সঙ্গে থাকত। সম্প্রতি সে, তার বাবা-মা ও একমাত্র ছোটবোন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়।

তাদের প্রথমে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অস্মিতার রক্তের প্লাটিলেট কমে গেলে ২৮ আগস্ট তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ঢাকা মিলেনিয়াম হাসপাতালে। সেখানে ছয় দিন লাইফসাপোর্টে ছিল সে। সেখানে আজ সকালে মৃত্যুর কাছে হার মানে অস্মিতা।

অস্মিতা সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার অলঙ্কারী ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের বিশিষ্ট কবি, ছড়াকার ও সংগঠক হেনা নুরজাহানের মেয়ে। তার বাবা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী আমানত মাওলা টিপু।

অস্মিতার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার মামা বিশ্বনাথের কামালপুর গ্রামের হিমেল আহমেদ। তিনি জানান, ঢাকার আজিমপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দুদফা জানাজা শেষে অস্মিতার লাশ সিলেটে নিয়ে যাওয়া হবে৷ সেখানে জানাজা শেষে অস্মিতাকে হজরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ কবরস্থানে দাফন করা হবে।

‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’র শুটিং আবার বন্ধ

‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়ালের দৃশ্য জি বাংলার জনপ্রিয় সিরিয়াল ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’র শুটিং আবার বন্ধ হলো। প্রযোজক সুব্রত রায় আর তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সুব্রত রায় প্রোডাকশনসের কাছ থেকে বকেয়া পারিশ্রমিক পাওয়ার ব্যাপারে আশ্বাস পেয়ে গত ২৯ আগস্ট শুটিং ফ্লোরে ফিরেছিলেন সিরিয়ালটির শিল্পী ও কলাকুশলীরা। কিন্তু এবার বকেয়া পারিশ্রমিক না পেয়ে গতকাল মঙ্গলবার শুটিং ফ্লোরে ক্যামেরা ঢুকতে দেয়নি ক্যামেরা পারসন আর টেকনিশিয়ানরা। তাঁরা ধর্মঘট শুরু করেছেন।

‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়ালের ক্যামেরা পারসন আর টেকনিশিয়ানরা অভিযোগ করেছেন, সম্প্রতি সুব্রত রায় প্রোডাকশনস থেকে তাঁদের চেক দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁরা ব্যাংকে গিয়ে জানতে পারেন, যে হিসাব নম্বরের চেক দেওয়া হয়েছে, সেখানে কোনো অর্থ নেই। ব্যাংক থেকে ফিরে এসে সকালেই ক্ষুব্ধ ক্যামেরা পারসন আর টেকনিশিয়ানরা শুটিং বন্ধ করে দেন। ফলে, গতকাল দিনে ও রাতের উভয় শিফটেই কোনো শুটিং হয়নি। শুটিং ফ্লোরে এক মুহূর্তের জন্যও আলো জ্বলেনি।

জানা গেছে, বকেয়া পারিশ্রমিক না পাওয়া পর্যন্ত শুটিং বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এদিকে ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’র শুটিং বন্ধ থাকলে পুরোনো পর্বগুলো প্রচার করবে জি বাংলা কর্তৃপক্ষ। ঠিক কবে থেকে আবার নিয়মিত শুটিং শুরু হবে, সে ব্যাপারে কিছুই জানা যায়নি।

‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়ালের দৃশ্য

‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ সিরিয়ালের দৃশ্য ভারতের কলকাতার সিরিয়ালপাড়ার খবর, প্রযোজক সুব্রত রায় আর তাঁর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান সুব্রত রায় প্রোডাকশনসের কাছে ১৪ কোটি রুপি বকেয়া পাবেন শিল্পী ও কলাকুশলীরা। কিন্তু কবে এবং কীভাবে এই বকেয়া পরিশোধ করা হবে, সে ব্যাপারে তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি। এ কারণে গত ২৩ আগস্ট শুটিং থেকে সবাই সরে দাঁড়ান। এর ফলে জি বাংলার ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণি’ ও ‘সৌদামিনীর সংসার’ আর স্টার জলসার ‘দেবী চৌধুরাণী’ এবং আরও কয়েকটি সিরিয়ালের নিয়মিত সম্প্রচার থেমে যায়।

তখন বকেয়া আদায়ের জন্য প্রযোজক সুব্রত রায়ের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন আর্টিস্ট ফোরাম। শেষ পর্যন্ত তাদের বৈঠকে যুক্ত হয় কয়েকটি টিভি চ্যানেলের কর্তৃপক্ষ। চ্যানেলগুলো থেকে বকেয়া পরিশোধের ব্যাপারে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেওয়া হয়।

আবারো খুল্লাম খুল্লা পোশাকে হাজির ফারিয়া

উপস্থাপিকা থেকে বিজ্ঞাপনের মডেল হিসেবে কাজ করার পর চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে আবির্ভূত হন। সেখানেই থেমে থাকেননি, গান সম্পর্কিত কোনো অভিজ্ঞতা না থাকলেও নায়িকা থেকে গায়িকা বনেও গিয়েছেন। বলছি এই সময়ের আলোচিত নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার কথা। পর্দায় ক্যারিয়ার শুরু হবার পর থেকেই কাজের খবরে যতটা না আলোচিত হয়েছেন তার চেয়ে বেশি সমালোচিত পোশাক বিতর্ক নিয়ে।

সর্বদাই তাকে খোলামেলা পোশাকে দেখা যায়। এ নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। কিন্তু বিতর্কের হাওয়া গায়েই মাখেন না ফারিয়া। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উন্মুক্ত ময়দানে শরীর প্রদর্শনী যেনো দিন দিন বেড়েই চলেছে। ট্রলের শিকার হয়েও দিব্যি খুল্লাম খুল্লা পোশাকে হাজির হচ্ছেন।
একজন তারকা কাজ করেন ভক্তদের জন্য। কিন্তু ফারিয়ার ভক্তরা দিন দিন তার এমন আচারনে ক্ষেপে উঠেছে। যা ইচ্ছে তাই লিখছে তার কমেন্টস বক্সে। তারপরও থামছেন না। তাহলে কি ভক্তদের ভালোলাগা, মন্দ লাগার কোনো মূল্য নেই ফারিয়ার কাছে? এমন প্রশ্ন এখন ভক্তদের মুখে মুখে। কেউ কেউ বলছেন ফারিয়া অশ্লীলতার চরম শিখরে পৌচ্ছে গেছে।

মঙ্গলবার আবারো একটি খোলামেলা ছবি প্রকাশ করেছেন ইনস্ট্রাগ্রামে। দুই ঘন্টায় সেখানে লাভ রিঅ্যাক্ট পড়েছে ২৬ হাজারের উপরে। আর কমেন্টস করেছেন এক হাজারের অধিক। কমেন্টস ঘেঁটে দেখা গেছে কেউ তাকে নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্য করেনি। বরং সবাই নেতিবাচক মন্তব্যে ভাসিয়ে দিচ্ছেন। যদিও তার বিপরীতে নুসরাত ফারিয়া কোনো প্রতিবাদ জানাননি।
এদিকে, ‘ভয়’ নামের কলকাতার নতুন একটি ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ফারিয়া। থ্রিলার ধাঁচের সিনেমাটিতে তার বিপরীতে অভিনয় করবেন অঙ্কুশ হাজরা। এছাড়া নুসরাত ফারিয়ার অভিনীত মুক্তির অপেক্ষায় ‘শাহেনশাহ’ ছবিটি। এই ছবির মাধ্যমে প্রথমবার শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি।

রোহিঙ্গা তরুণী রাহী এখন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ছাত্রী!

নিউজ ডেস্ক::
ইন্টারনেটে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা জার্মানীর ডয়চে ভেলে কর্তৃক প্রচারিত দেড় মিনিটের একটি ভিডিওেেত দেখা যায়
রোহিঙ্গা তরুণী রহিমা আকতার ওরফে রাহী খুশির উখিয়ার কুতুপালং শরনার্থী শিবিরে একটি এনজিওর কর্মী হিসেবে তার স্বদেশী রোহিঙ্গাদের সাক্ষাতকার নিচ্ছেন। ভিডিওটিতে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯২ সালে রোহিঙ্গা তরুণী রহিমা আকতার ওরফে রাহী খুশির পরিবার একইভাবে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিলো। সেখানে বলা হয়,রোহিঙ্গা শরনার্থীদের সন্তানরা বৈধভাবে বাংলাদেশের কোনো স্কুলে পড়তে পারে না। তাই রোহিঙ্গা পরিচয় লুকিয়ে এবং ঘুষ দিয়ে কক্সবাজারের একটি স্কুলে ভর্তি হয়েছিলেন খুশি। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রোহিঙ্গা পরিচয় লুকিয়ে এবং ঘুষ দিয়ে ভর্তি হওয়া সেই স্কুলটি হলো,কক্সবাজার শহরের বৈল্যাপাড়ার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি।
জানা গেছে, খুশি কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমি থেকে এসএসসি ও কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন।বর্তমানে তিনি কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী। কক্সবাজারের ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এলএলবি অনার্স পড়ছেন।
এই রোহিঙ্গা তরুণী রহিমা আকতার ওরফে রাহী খুশি, বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিক পত্রিকার সংগঠন বন্ধুসভার জেলা কমিটির অর্থ সম্পাদক। এছাড়াও ওমেনলার্নিংথসেন্টার, মার্কিফাউন্ডেশন কক্সবাজার সরকারি কলেজের স্কাউটসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত।
সম্প্রতি বার্তাসংস্থা ডয়চে ভেলে খুশির দেড় মিনিটের ভিডিওটি ইন্টারনেটে প্রচার করলে তার রোহিঙ্গা পরিচয় ফাঁস হয়ে যায়। তার সহপাঠিরাও রীতিমতো বিস্মিত খুশী একজন রোহিঙ্গা এবং সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী।
ফেসবুকে সুজন দত্ত লিখেছেন, আমি আজ জানতে পেরেছি যে খুশি একজন রোহিঙ্গা। এতদিন জানতাম না বিষয়টি।
তাহামিদুল মুনতাসির লিখেছেন, ও মাই গড! এই মেয়েটা রোহিঙ্গা!! সে বিবিসি মিডিয়া নামে একটা এনজিওতে চাকরি করে সম্ভবত। কয়দিন আগে ছিনতাইকারী মেরে পেপার হেডলাইন হয়েছিল।
আরিফ শিকদার বাপ্পী লিখেছে, তথ্য বহুল আলোচিত এটি, আশাকরি এর গুণে প্রশংশিত নাহয়ে এখনি প্রতিবাদ করা প্রয়োজন। কক্সবাজার সহ দেশের সকল প্রতিষ্টানের ভর্তি বাণিজ্যে লিপ্ত না হয়ে দেশের স্থার্থে কঠোর হওয়া দরকার।

সুত্র: সমুদ্রকন্ঠ

কূটনীতিকদের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছি: ড. কামাল

কূটনীতিকদের কাছে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেছি বলে মন্তব্য করেছেন ড. কামাল হোসেন। আজ বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খানের গুলশানের বাসায় বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বৈঠকে জাতীয় ঐক্য ফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে গণফোরামের ড. কামাল হোসেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসসির আ স ম রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরীসহ কয়েকজন উপস্থিত আছেন। কূটনীতিকদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, ডেনমার্ক, নেদারল্যান্ডসসহ অন্তত দশটি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

তারা ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলার, ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত, কানাডার উপ-রাষ্ট্রদূত ও জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেন।

দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রীর দেরি, চলে গেলেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত

রাজধানীর মহাখালীতে অবস্থিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আজ (বুধবার) বেলা ১১টায় একটি অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা ছিল। ভূমিকম্প প্রস্তুতি কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চারটি পৃথক সমঝোতা স্মারক সইয়ের এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যথাসময়ে উপস্থিত হন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

এর মধ্যে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত রবার্ট ক্যাথারটন ডিকসন, সুইডিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত শার্লোটা সিল্টার, ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জী। কিন্তু অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান ও মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ্ কামাল যথাসময়ে উপস্থিত হননি।

lazy

অলস সময় কাটাচ্ছেন বিদেশি অতিথি

১১টার অনুষ্ঠান যখন দুপুর ১টাতেও শুরু হচ্ছিল না, তখন আয়োজকদের একজনকে সুইডিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত শার্লোটা সিল্টার জানান, তিনি দুপুর দেড়টার পর আর থাকতে পারবেন না।

তাদের এই কথোপকথনের মাঝে আয়োজকদের আরেকজন এসে জানান, প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান দুপুর ১২টার দিকে সাভার থেকে রওনা দিয়েছেন। তিনি দেড়টার আগে কিছুতেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না।

guest

গল্প করে সময় কাটাচ্ছেন আগতরা

প্রধান অতিথি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমানের উপস্থিতি ছাড়া অনুষ্ঠান শুরুর সুযোগ না থাকায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শার্লোটা সিল্টারকে বক্তব্য দিতে বলা হয়। দুপুর ১টা ১৮ মিনিটের দিকে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত বক্তব্য দিতে শুরু করেন। শুরুতেই তিনি বলেন, ‘অনুষ্ঠান দেরিতে শুরু হওয়ায় আমার আগে বক্তব্য দেয়ার সুযোগ হলো।’ বক্তব্য শেষে বিদায় নেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত।

অনুষ্ঠান শুরু হতে দেরি হওয়ায় আগত অন্য অতিথিরা বিরক্তি প্রকাশ করেন। অলস সময় কাটাতে গণমাধ্যমকর্মীসহ আগত অতিথিদের কেউ কেউ বসার জায়গাতেই ঘুমোতে শুরু করেন। আগত বিদেশি অতিথিদেরও একজন মাথায় হাত দিয়ে ঝিমুতে থাকেন।

sleep

অপেক্ষায় থাকতে থাকতে ঘুমিয়েও যান অনেকে

সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের নিজস্ব প্রতিবেদক নাজমুল সাঈদ। তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের এই প্রোগ্রাম বেলা ১১টায় শুরু হওয়ার কথা ছিল। এখন দুপুর ১টা পার হয়ে গেছে। কিন্তু অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কোনো খোঁজ-খবর নেই। এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় আমার আরেকটা প্রোগ্রাম ছিল, এই প্রোগ্রামের জন্য আমি সেই প্রোগ্রামেও যোগ দিতে পারলাম না। এতে আমার ও আমার অফিস, উভয়েরই ক্ষতি হলো। আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সময়ের বিষয়ে আরও যত্নশীল হওয়া উচিত। আমার মতো এখানে অনেকেই বিরক্ত।’

বিরক্তি প্রকাশ করে আয়োজকদের একজন জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা আসলে বুঝতে পারছি না মন্ত্রী মহোদয় কখন আসবেন। এদিকে অনুষ্ঠানে আমরা রাষ্ট্রদূতদের দাওয়াত দিয়েছি। অনুষ্ঠান শুরু করতে না পারাতে আমরাই তাদের কাছে ছোট হয়ে গেলাম।’

wait

দুপুর ১টার দিকে চলে যাওয়ার কথা বলছেন সুইডেনের রাষ্ট্রদূত

সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা ছিল রংপুর সিটি করপোরেশন, টাঙ্গাইল পৌরসভা, রাঙ্গামাটি পৌরসভা এবং সুনামগঞ্জ পৌরসভার সঙ্গে। এতে সভাপতিত্ব করার কথা ছিল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শাহ্ কামালের।

ঘটনাস্থলে অবস্থান করে দেখা যায়, ৩ ঘণ্টা দেরি করে দুপুর ২টায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমানে উপস্থিত হন। তখন অনুষ্ঠান শুরু হয়।

সিলেটের সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

ফেঞ্চুগঞ্জে যাত্রীবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত হয়ে সারাদেশের সঙ্গে সিলেটের রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টায় উপজেলার মাইজগাঁও ও মোগলাবাজারের মধ্যবর্তী স্থানে সিলেটগামী যাত্রীবাহী জালালাবাদ ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়।

জানা যায়, চট্টগ্রাম থেকে সিলেটগামী ট্রেনটি উল্লেখিত স্থানে পৌঁছালে পেছনের দিকের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এতে কারও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে এই পথে আপাতত ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে সিলেট রেল স্টেশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার সজীব কুমার মালাকার জানান, খবর পেয়ে সিলেট থেকে উদ্ধারকারী রিলিফ ট্রেন ফেঞ্চুগঞ্জ গেছে। উদ্ধার কাজ শেষ হতে ঘণ্টা খানেক সময় লাগতে পারে।

শ্রীমঙ্গলে কলার আড়তে মিলল ‘কালনাগিনী’

মণিপুরি মুসলিম বিডি : মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গল উপজেলায় কলার আড়ত থেকে বিপন্ন একটি কালনাগিনী সাপ পাওয়া গেছে।

সোমবার সাপটিকে শ্রীমঙ্গলে এক কলার আড়ত থেকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে একই দিনে তা অবমুক্ত করা হয় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শ্রীমঙ্গলের নতুন বাজার দক্ষিণ রোডে সুশান্ত বাবুর কলার আড়তে একটি সাপ দেখে উপস্থিত লোকজন ভয় পেয়ে যায়। পরে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনে খবর দিলে ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক সঞ্চিত দেব সাপটিকে উদ্ধার করেন।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় সাপটি লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে নিয়ে যাই। বিট কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন এ বিরল প্রজাতির সাপটিকে অবমুক্ত করেন। এই সাপটি দেখতে খুবই সুন্দর।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষক ড. কামরুল হাসান বলেন, কালনাগিনী’ সাপ ভালো গাছ বাইতে পারে এবং প্রয়োজনে লাফ দিয়ে অন্য গাছে যেতে পারে। এরা সামান্য পরিমাণে বিষাক্ত। তবে এই বিষ মানুষের তেমন ক্ষতি করে না।

তিনি বলেন, এই সাপকে কলার আড়তে পাওয়ার অর্থ – কলার বনের মধ্যে এই সাপটি ছিল। তারপর কলা ছড়ি কেটে বাজারে নিয়ে আসলে ওই কলার ছড়ির ভেতর সাপটি থেকে যায়।

ভুয়া ১০০ টাকার নোটের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্যাটেলাইটের ছবিযুক্ত ১০০ টাকার একটি নোটের ছবি ফেসবুকে অনেকে পোস্ট করছেন। এটিকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বাজারে ছাড়া নতুন নোট বলে দাবিও করা হচ্ছে।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি ভুয়া। এরকম কোনো নোট বাজারে ছাড়া হয়নি, বা ছাড়ার পরিকল্পনাও নেই।

এ ব্যাপারে যোগাযোগ করলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র আনোয়ারুল ইসলাম জানান, বর্তমানে কাগুজে সব নোটে বঙ্গবন্ধুর ছবি যুক্ত আছে। তবে প্রধানমন্ত্রীর ছবিযুক্ত কোনো নোট বাজারে ছাড়া হয়নি।

Design a site like this with WordPress.com
Get started