সাহিত্য সেবা সমিতির সাহিত্য সম্মাননা পাচ্ছেন তাহের সাজবম!

কাছাড় থেকে জামির হোসেন :

৩০ নভেম্বর মণিপুরি সাহিত্য সেবা সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাওরেম সমরজিত সাহিত্য সম্মাননা নাম ঘোষণা করেন।

কাছাড়ের তাহির সাজবম এর লেখা কবিতার বই ” লাক্কনি অমুক হন্না (আসব আবার ফিরে) জন্য এই বছর ২০১৯ এর মণিপুরি সাহিত্য সেবা সমিতির সাহিত্য সম্মাননা তার নাম ঘোষণা করা হয় ।

তাহের সাজাবমঃ তিনি ১৩ মার্চ ১৯৬৪ সালে ভারতের কাছাড়ের সিংগার বন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পেশায় বর্তমানে এলাহাবাদ ব্যাংকের সিনিয়র ম্যানেজার তাহের সাজবম। এছাড়াও মণিপুরি ভাষার জনপ্রিয় কবি তাহের আলী সাজবম। মণিপুর ভাষায় তাঁর লিখিত কাব্যগ্রন্থ amamba maraksida ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত হয়৷ তিনি অল ইন্ডিয়া রেডিও এর স্বীকৃত গীতিকার এবং khorirol ম্যাগাজিনের প্রাত্তন সম্পাদক। বর্তমানের তিনি নাহারল সাহিত্য মারুপ আসামের এর সভাপতি৷

দেশের কোনো ডাক্তার নন, আমেরিকা থেকে এসে হাসপাতালের হাল ধরলেন ডাক্তার দম্পতি (ভিডিও)

রফিকুল ইসলাম জসিম

টানা ৩২ বছর টাংগাইল জেলার মধুপুর উপজেলার কালিয়াকৈরে গ্রামের দরিদ্র মানুষদের চিকিৎসা দেয়ার পর মারা যান ডাক্তার ভাই হিসাবে পরিচিত ডাক্তার এড্রিক বেকার। দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হলে অনেকেই চেয়েছিলেন, উনাকে ঢাকাতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দিতে। তিনি ঢাকা যাননি। তার তৈরি করা হাসপাতালেই তিনি ২০১৫ সালে মারা যান। তাকে কবর দেওয়া হয়েছে সেই গ্রামেই, যেখানে তিনি থাকতেন। মৃত্যুর পূর্বে তিনি চেয়েছিলেন, এই দেশের কোনো মানবতাবাদী ডাক্তার যেন গ্রামে এসে তার প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের হাল ধরে। কিন্তু হানিফ সংকেতের ইত্যাদিতে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুসারে, এ দেশের একজন ডাক্তারও তার সেই আহ্বানে সাড়া দেননি। দেশের কেউ সাড়া না দিলেও সূদর আমেরিকা থেকে ছুটে এসেছেন আরেক মানবতাবাদী ডাক্তার দম্পতি জেসিন এবং মেরিন্ডি।

যে দেশে যাওয়ার জন্য দুনিয়ার সবাই পাগল, সে দেশ থেকে তিনি ছুটে এসেছেন। শুধু নিজেরা যে এসেছেন তা নয়, নিজেদের সন্তানদেরও সাথে করে নিয়ে এসেছেন। ভর্তি করে দিয়েছেন গ্রামেরই স্কুলে। গ্রামের শিশুদের সাথে খেলছে। ডাক্তার জেসিন কী সুন্দর করে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

ডাঃ জেসন এবং মেরিণ্ডা দম্পত্তি আমাদের এক বিশাল লজ্জায় ফেলে দিলেন!

টানা ৩২ বছর টাঙ্গাইল জেলার মধুপুরগড়ে অবস্থিত কালিয়াকৈরে গ্রামের দরিদ্র মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেয়ার পর মারা যান নিউজিল্যান্ডের অধিবাসী ৭৪ বছর বয়স্ক ডাক্তার এড্রিক বেকার। গ্রামের সবার কাছেই যিনি ডাক্তার ভাই হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

দূরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত হলে অনেকেই চেয়েছিলেন- উনাকে ঢাকাতে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা দিতে। তিনি ঢাকা যাননি। তাঁর তৈরি করা মধুপুরের ওই হাসপাতালেই তিনি ২০১৫ সালে মারা যান এবং হাসপাতালের পাশেই তাকে সমাহিত করা হয়।
মৃত্যুর পূর্বে তিনি চেয়েছিলেন- এই দেশের কোনো মানবতবাদী ডাক্তার যেন গ্রামে এসে তাঁর প্রতিষ্ঠিত এই হাসপাতালের হাল ধরে। ডা: বেকার তার শেষ ইচ্ছা পোষণ করে গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, প্রতি বছর বাংলাদেশে কয়েক হাজার ছেলেমেয়ে ডাক্তার হয়ে বের হচ্ছে। এদের মধ্য থেকে অন্তত একজন ডাক্তার চলে আসবেন আমাদের এই গরিবের হাসপাতালে। নিজেকে নিয়োজিত করবেন গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবায়।

কিন্তু হানিফ সংকেতের গতকালের ইত্যাদিতে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুসারে – ডাঃ বেকারের মৃত্যুর ৪ বছর হয়ে গেলেও এ দেশের একজন ডাক্তারও তাঁর সেই আহ্বানে সাড়া দেয়নি।

দেশের কেউ সাড়া না দিলেও তাঁর আহ্বানে সূদর আমেরিকা থেকে ছুটে এসেছেন- আরেক মানবতাবাদী ডাক্তার দম্পতি জেসিন এবং মেরিন্ডি। যে দেশে যাওয়ার জন্য দুনিয়ার সবাই পাগল। শুধু নিজেরা যে এসেছেন তা না। নিজেদের সন্তানদেরও সাথে করে নিয়ে এসেছেন। ভর্তি করে দিয়েছেন গ্রামেরই স্কুলে। গ্রামের শিশুদের সাথে খেলছে। ডাক্তার জেসিন কী সুন্দর করে লুঙ্গি পরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

অথচ আমরা সুযোগ পেলেই গ্রাম থেকে শহরে ছুটি। শহর থেকে বিদেশ পাড়ি দেই। শিশু জন্মের পর থেকেই চিন্তা থাকে কত দ্রুত সন্তানকে আধুনিক মিডিয়াম ইংরেজি স্কুলে বাচ্চাকে পড়াবো। লুঙ্গি পরাতো আমাদের রুচির সাথে আজ বড়ই বেমানান। লুঙ্গি পরতে পারিনা বলতে পারলে- আমাদের আভিজাত্যের পারদ শুধু একটুকু না অনেকটুকুই বাড়ে।

সেই জায়গায় ডাঃ এড্রিক বেকারের মতো ডাঃ জেসন এবং মেরিণ্ডা দম্পত্তি আমাদের এক বিশাল লজ্জায় ফেলে দিলেন।

তারা বলেন, ‘প্রথমে ভাষা শিখতে শুরু করি। ভাত আর পাঙ্গাশ মাছ খাওয়া রপ্ত করেছি। বাঙালি পোশাক পরতে আমরা দুজনেই ভালোবাসি। ডাক্তার ভাই যে পদ্ধতিতে হাসপাতাল চালাতেন, আমরা সে পদ্ধতিই অনুসরণ করছি। এখানে সবাই আন্তরিক।

এই দম্পতিরও ইচ্ছে বাংলাদেশের দরিদ্র মানুষের চিকিৎসা সেবা করতে চান জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত, মরতে চান এই দেশের মাটিতেই….

সংগৃহীত….

চাকমা স্বামী -স্ত্রী দুইজনই বিসিএস ক্যাডার

রফিকুল ইসলাম জসিম

এসিল্যান্ড চন্দনাইশ উপজেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট(ভূমি কমিশনার) নিবেদিতা চাকমা এবং
চট্টগ্রাম জেলার সহকারী পুলিশ কমিশনার কীর্তিমান চাকমা দুজনই বিসিএস ক্যাডার স্বামী -স্ত্রী সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।
নিবেদিতা চাকমা ঢাকা হলিক্রস স্কুল এন্ড কলেজ থেকে পাশ করার পর শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং পরে বিসিএস পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে সরকারী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন।
আর অন্যদিকে কীর্তিমান চাকমা ছিলেন ছোটকাল থেকে একজন খুবই মেধাবী ছাত্র,তিনি ক্লাশ ফাইভ এবং ক্লাস এইটে ট্যালেন্টফুলে ভিত্তি লাভ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে রাঙ্গামাটির সনামধন্য প্রতিষ্ঠান “মোনঘর আবাসিক উচ্চ বিদ্যালয়” থেকে কৃত্বিতের সাথে এসএসসি পাশ করে পরে জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ন্ন হয়ে সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে যোগদান করেন।
তাদের দম্পতি এমন সাফল্য অর্জন করায় তারা যেন ভবিষ্যতে সুখ ও সম্বৃদ্ধি লাভ করে দেশের সেবায় এবং জুম্মদের সেবায় নিরলস ভাবে কাজ করতে পারে এই কামনা করছি!

মণিপুরি মুসলিম ফ্রন্টের দ্বিবার্ষিক অনুষ্ঠানে গুনিজন ও কৃর্তি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা!

রেজাউল করিম, জিবিবাম ::

১৭ নভেম্বর (রবিবার) মণিপুরি মুসলিম ফ্রন্টের দ্বিবার্ষিক অনুষ্ঠানে রয়্যাল এডুকেশন ট্রাস্টের সহযোগীতায় ভারতে অসমের সোনাইর ডলুগ্রামে রয়্যাল পাবলিক স্কুলে গুনিজন ও কৃর্তি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

মণিপুরি মুসলিম ইয়ুথ ফ্রন্টের সভাপতি আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অসম বিধানসভার উপাধ্যক্ষ তথা সোনাইর বিধায়ক আমিনুল হক লস্কর। বিশেষ অতিথি সোনাইর সাবেক বিধায়ক কতুব আহমেদ মজুমদার, ধলাইর রেঞ্জার মুজিবর রহমান চৌধুরী।

সংবর্ধনা সভায় বক্তব্য রাখেন, সিকন্দর আলী, আব্দুল বারি, এস তাহের আলী, জিবিবামের রেজাউল করিম, বিজিবি নেতা রামেশ্বর শর্মা, ডাঃ আবুল খায়ের চৌধুরী প্রমুখ

কৃতি শিক্ষার্থী ও গুণিজন সম্মাননা প্রদানকালে প্রধান অতিথি বলেন, সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যেমন শিক্ষার প্রয়োজন রয়েছে, ঠিক তেমনি বাস্তব জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা জন্য শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম। পরে রয়্যাল এডুকেশন ট্রাস্টের পক্ষে থেকে গুণিজণ ও ছাত্রছাত্রীদের উপহার তুলে দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়৷

কমলগঞ্জে মনিপুরি অভিনয় শিল্পীদের সাথে পাঙালদের মতবিনিময়!

রফিকুল ইসলাম জসিম :

ভারতের মণিপুর রাজ্যের মণিপুরি ভাষার চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যতম ক্লাব মণিউড। মণিউড ক্লাবের চলচ্চিত্রেের অভিনয় শিল্পীদের সঙ্গে বাংলাদেশের মণিপুরি মুসলিম “পাঙাল” সমাজের নেতৃবৃন্দের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়৷

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জের আদমপুর বাজারে তেতই গাঁও রসিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে হলরুমে ভারতের মণিপুরের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, অভিনেতা ও বিশিষ্টজনের সাথে গতকাল ১৩ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যা ৭ টায় বাংলাদেশি মণিপুরি মুসলিম পাঙাল সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন৷

মতবিনিময় সভায় তেতই গাঁও রসিদ উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুল মতিন সাহেবের সভাপতিত্বে বামডো’র সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল হক স্বপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মণিউড ক্লাবের সভাপতি থাংজম অরুনকুমার, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য লোকেন্দ্র সিংহ, জনপ্রিয় অভিনেতা গোকুল সিংহ, কমলগঞ্জ উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন মণিপুরি মুসলমানদের ইতিবৃত্ত বইয়ের লেখক হাজী মো আব্দুস সামাদ, মণিউড চলচ্চিত্রের মণিপুরি মুসলিম “পাঙাল” অভিনয়শিল্পী মোহাম্মদ ফিরোজ।

উল্লেখ্য, ভারতে মণিপুরিদের বৃহত্তম চলচ্চিত্র পরিবেশক মণিউড। মণিপুরি সিনেমা হিসাবে মণিউডকে আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এর চলচ্চিত্রের কথোপকথন বা সংলাপ সাধারণত নিরলংকার মণিপুরি ভাষাতে লেখা হয়ে থাকে, যা সর্বাধিক সম্ভাব্য শ্রোতারা বুঝে।

মণিউড সকল চলচ্চিত্রে প্রায়শই তারকাদের ত্রিকোণী প্রেম এবং ক্রুদ্ধ বাবা-মা, পারিবারিক বন্ধন, আত্মাহুতি, দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, অপহরণকারী, কুমারী খলনায়ক, দীর্ঘস্থায়ী আত্মীয় এবং ভাগ্যবর্গের মাধ্যমে বিভক্ত ভাইবোন, নাটকীয় বিপর্যয় ভাগ্য এবং সুবিধাজনক কাকতালীয়তা লক্ষ্য করা যায়।

এডভোকেট এ.এস.এম আজাদুর রহমান কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ! 

রফিকুল ইসলাম জসিমঃ
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর নিবেদিত প্রাণ, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, তৃনমূলের প্রিয় নেতা, কমলগঞ্জের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রাণ পুরুষ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মুখপাত্র, বিশিষ্ট সমাজ সেবক, শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সভাপতি, মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সংগ্রামী সভাপতি, মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পি.পি, সিনিয়র এডভোকেট জনাব এ, এস, এম আজাদুর রহমান আজাদ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। উল্লেখ্য যে, এস, এম, আজাদুর রহমান আজাদ বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ‘মণিপুরি মুসলিম’ পরিবারের সন্তান। তাঁর জন্মস্থান কমলগঞ্জের দক্ষিন কুমড়াকাপন গ্রামে। তিনি রাজশাহী ইউনিভার্সিটি থেকে আইনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।
দীর্ঘ ১৫ বছর পর গতকাল শনিবার (৯ নভেম্বর) কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়৷ সম্মেলন পরবর্তী কাউন্সিলে আলাপ-আলচনার মাধ্যমে কাউন্সিলররা এই কমিটি গঠন করেন। সন্ধ্যায় জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নেছার আহমেদ এমপি এ কমিটি ঘোষণা দেন। এতে সভাপতি পদে- আছলম ইকবাল মিলন, সাধারণ সম্পাদক পদে এ.এস.এম আজাদুর রহমান আজাদ, সহ-সভাপতি পদে ফজলুল হক বাদশা ও মো: সিদ্দেক আলী, যুগ্ম সম্পাদক পদে আব্দুল হান্নান ও অধ্যক্ষ মো: হেলাল উদ্দিন এর নাম ঘোষণা করা হয়।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পদক আজাদ এক সময় কমলগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং কমলগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করেন। তিনি ছাত্রাবস্থায় স্বৈরাচারী ইরশাদ বিরোধী আন্দোলনে আগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
নতুন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে এডভোকেট এ.এস.এম আজাদুর রহমান আজাদ বলেন, আমাদের উপর আস্থা রেখে নতুন দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, সেই আস্থার প্রতিদান দিতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী গড়ে তুলতে উপজেলা আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করবে।
তিনি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নেতা কর্মীদের আপদে বিপদে সঙ্গী ও নিজের ব্যাক্তি ইমেজ ও তরুনদের ভাবনার সাথে নৈকট্য রেখে চলার নীতির কারণে এলাকার সর্বসাধারণের কাছে জনপ্রিয় ও প্রিয়ভাজন নেতা হিসাবে পরিচিতি লাভ করেছে।

মণিপুরি মুসলিম পাঙালদের নিয়ে রেডিও পল্লী কন্ঠের সাক্ষাৎকার!

রফিকুল ইসলাম জসিম, নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম নৃগোষ্ঠী মণিপুরি মুসলিম পাঙালদের নিয়ে ১ নভেম্বর ( শুক্রবার) মৌলভীবাজারে রেডিও পল্লীকণ্ঠ এফ এম ৯৯.২ মৌলভীবাজার, পরিচালনায় ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচী অনুষ্ঠানের আওতায় ফিল্ড ওয়ার্ক ও মণিপুরি মুসলিম সমাজ প্রতিনিধিদের সঙ্গে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।

রেডিও পল্লীকণ্ঠ এফ এম ৯৯.২ মৌলভীবাজার উপস্থাপক শামীমা রিতু, লেখিকা শিরিন শীলা ও গনমাধ্যমকর্মী রফিকুল ইসলাম জসিম এর নেতৃত্বে কমলগঞ্জ উপজেলা মাধবপুর ইউনিয়নে শুকুর উল্লার গ্রামের রেডিও পল্লীকণ্ঠের ফিল্ড ওয়ার্ক ভিজিট শেষে আদমপুর বাজারে তেতই গাঁও রসিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে মণিপুরি মুসলিম (পাঙাল) সমাজ প্রতিনিধিদের সাথে সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।

মৌলভীবাজারের “রেডিও পল্লীকন্ঠ” এফ এম ৯৯.২ কর্তৃক মণিপুরি মুসলমানদের সমাজ, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও শিক্ষার ক্রমবিকাশ বিষয়ে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন। সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহন করেন মণিপুরি মুসলমানদের ইতিবৃত্ত বইয়ের লেখক ও বাংলাদেশ মণিপুরি মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বামডো) সম্মানিত উপদেষ্টা, লেখক ও গবেষক হাজী মো. আব্দুস সামাদ। তেতইগাঁও রশিদ উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ মণিপুরি মুসলিম এডুকেশন ট্রাস্টের সভাপতি জনাব আব্দুল মতিন। ভান্ডারী গাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বামডোর উপদেষ্টা, মণিপুরী মুসলিম টিচার্স ফোরামের সভাপতি মো. খুরশেদ আলী।

বাংলাদেশ মণিপুরি মুসলিম ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন বামডোর সাধারণ সম্পাদক ও বিএমইটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাজ্জাদুল হক স্বপন, বাংলাদেশ মণিপুরি মুসলিম এডুকেশন ট্রাস্টের (বিএমইটির) সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল উদ্দিন।

উল্লেখ্য, নারীশিশু ও শিক্ষা নিয়ে কাজ করেন এমন কয়েকজন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিগত বছরগুলোতে পাঙাল নারীর শিক্ষা উন্নয়নে দৃষ্টান্ত স্থাপনে ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে।

সাক্ষাৎকার শেষে রেডিও পল্লীকণ্ঠ এফ এম ৯৯.২ মৌলভীবাজার উপস্থাপক শামীমা রিতুর হাতে তুলে দেন বাংলা ভাষায় প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ মণিপুরি মুসলমানদের ইতিবৃত্ত সৌজন্য বই প্রদান করেন লেখক ও গবেষক হাজী মো. আব্দুস সামাদ।

মনিপুরের স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া সেই দুই নেতার বিরুদ্ধে মামলা

যুক্তরাজ্যে মনিপুরের স্বাধীনতা ও প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা দেওয়া দুই রাজনীতিকের বিরুদ্ধে ভারতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় ভারতের জাতীয় তদন্ত সংস্থা (এনআইএ) একটি তদন্তের জন্যও রাজ্য সরকার অনুরোধ জানিয়েছে কেন্দ্রকে। মঙ্গলবার লন্ডনে নির্বাসিত দুই মনিপুরি নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিত রাজ্যটির স্বাধীনতা ও প্রবাসী সরকার ঘোষণা করেন।

লন্ডনের প্রবাসী সরকারের নাম দেওয়া হয়েছে মনিপুর স্টেট কাউন্সিল। কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ইয়ামবিন বিরেন-কে। আর পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন নরেংবাম সমরজিত। তারা দুইজনই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। তারা দাবি করেন, মনিপুরের মহারাজা লিয়েশেম্বা সানাজায়োবার হয়ে তারা এই ঘোষণা দিয়েছেন।

দুই নেতার বিরুদ্ধে ‘রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার’ অভিযোগে পুলিশের কাছে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মনিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বিরেন সিং। তিনি আরও জানিয়েছেন, রাজ্যের অপরাধ শাখা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে। এছাড়া রাজ্য সরকার বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে ঘটনাটি জানিয়েছে এবং এনআইএ’র তদন্ত চেয়ে অনুরোধ করেছে।

এদিকে, মনিপুরের রাজা লেইশেম্বা সানাজাওবা তার পক্ষ থেকে প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, তার পক্ষ থেকে কাউকে কথা বলার দায়িত্ব তিনি দেননি। তিনি শুধু ব্রিটিশ শাসনামলের কিছু নথি সংগ্রহ করতে বলেছিলেন।

৩ নভেম্বর কমলগঞ্জে ইন্দো-বাংলা কালচারেল এক্সচেঞ্জ অনুষ্ঠান

রফিকুল ইসলাম জসিম

বাংলাদেশ পোরৈ অপোকপা মরুপ এর আয়োজনে ও ইপসা এর সহযোগিতায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ইন্দো-বাংলা কালচারেল এক্সচেঞ্জ অনুষ্ঠান আগামী রবিবার ৩ নভেম্বর উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের হোমেরজান ইমা লইমরেন সিদাবী মন্দিরে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে জওহরলাল নেহেরু মণিপুর ড্যান্স একাডেমি, ওয়ার্ল্ড থাং টা ফেডারেশন এবং লোক সংগীত শিল্পী দোনা নারেঙবাম ও লানসানা চানুসহ শিল্পীরা মণিপুরী সাংস্কৃতিক পরিবেশনা উপস্থাপন করবেন।

অনুষ্ঠানে সম্মানিত মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বেগম নাজিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সিলেট বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক (উপ-সচিব) সন্দ্বীপ কুমার সিংহ, কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো: রফিকুর রহমান, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশেকুল হক, ইন্টারন্যাশনাল পিস এণ্ড সোস্যাল এ্যাডভান্সমেন্ট, মণিপুর এর সভাপতি জয়চন্দ্র কনথৌজাম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) আশরাফুজ্জামান, সাধনা সংস্কৃতি কেন্দ্রের শিল্পনির্দেশক ও পরিচালক লুবনা মরিয়ম, কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, জওহরলাল নেহরু মণিপুর ড্যান্স একাডেমির পরিচালক এল উপেন্দ্র শর্মা এবং আদমপুরস্থ মণিপুরী কালচারাল কমপ্লেক্স এর আহবায়ক জয়ন্ত কুমার সিংহ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ পোরৈ অপোকপা মরুপ এর সভাপতি কংখাম নীলমণি সিংহ।

মণিপুরের জঙ্গি হামলার আশঙ্কা-সতর্কতা জারি! 

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ সাংবিধানিক মর্যাদা তুলে নেওয়ার প্রায় তিন মাস পরে ওই রাজ্য এখন আর রাজ্য থাকল না।জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নামে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে এর আলাদা পরিচিতি দাঁড়াল। গতকাল বুধবার সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুসারে, দুটি অঞ্চল হিসেবে সেখানে কেন্দ্রের আইন জারি হয়।

জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ নামে নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে এর আলাদা পরিচিতি দাঁড়াল। গতকাল বুধবার সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুসারে, দুটি অঞ্চল হিসেবে সেখানে কেন্দ্রের আইন জারি হয়।

আজ বৃহস্পতিবার নয়াদিল্লিতে রুদ্ধদ্বার বৈঠক বহু প্রতীক্ষিত নাগা শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত পর্বটি হওয়ার অপেক্ষা।

নয়াদিল্লিতে বেলা ১১টার পর থেকেই নাগা শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত বৈঠক শুরু হচ্ছে বলেই জানা যায় গণমাধ্যমে।

এদিকে নাগা শান্তি চুক্তি ঘিরে উত্তর পূর্বাঞ্চলের নাগাল্যান্ড ও মণিপুরের পরিস্থিতি উত্তপ্ত। এই চুক্তির একটি ভাগে বৃহত্তর নাগালিম অর্থাৎ স্বশাসিত নাগা এলাকা গঠনের কথা বলা হয়েছে। আর সেটা করা হবে মণিপুরের কিছু অংশ কেটে নিয়ে। এই কারণে মণিপুরে ছড়িয়েছে ক্ষোভ।

ভারতের মণিপুর রাজ্যেকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করলেন প্রদেশটির রাজনৈতিক নেতারা। একই সাথে তারা প্রবাসী সরকারও গঠন করেছেন। মণিপুর রাজ্য কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ইয়ামবেন বীরেন এবং বিদেশ ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী নরেংবাম সমরজিৎ এই ঘোষণা দেন।

২৯ অক্টোবর, মঙ্গলবার লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে মনিপুর রাজ্যের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আল-জাজিরা ও ভারতের গণমাধ্যম দি নিউজ এমন খবর প্রকাশ করেছে।

মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। আশঙ্কা, মায়ানমার সীমান্তের দিক থেকে হামলা চালাতে পারে এনএসসিএন খাপলাং শিবিরের জঙ্গিরা। সেনাবাহিনি, অসম রাইফেলসের জওয়ানরা রুট মার্চ শুরু করেছেন।

কোনওভাবেই মণিপুরের কোনও অংশ কাটা যাবে না বলে ইতিমধ্যেই রাজ্য জুড়ে আন্দোলনে নেমেছে বিভিন্ন সংগঠন। এর জেরে মণিপুরি ও নাগাদের মধ্যে জাতিগত সংঘাত তৈরির সম্ভাবনাও প্রবল। ফলে চূড়ান্ত সতর্কতা জারি। পাশাপাশি উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও জারি হয়েছে বিশে, সতর্কতা।

ভারত থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা মণিপুর, বিস্মিত স্বয়ং রাজাই

ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন মণিপুর রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা করা হল লন্ডনে। ব্রিটেনে রাজধানীতে বসে মণিপুরের রাজার প্রতিনিধি হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা স্বাধীন রাষ্ট্রের ঘোষণা করলেন। তবে এই বিষয়ে তাঁর কিছুই জানা নেই, এবং এই ঘটনায় তিনি বিস্মিত বলে জানিয়েছেন মণিপুরের প্রাক্তন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা।

মঙ্গলবার লন্ডনে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে মণিপুরের দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ইয়েমবেন বীরেন ও নারেংবাম সমরজিৎ নিজেগদের মণিপুরের রাজার প্রতিনিধি হিসেবে দাবি করে ‘মণিপুর স্টেট কাউন্সিল’ গঠনের কথা ঘোষণা করেন। তাঁরা নিজেদের যথাক্রমে কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী এবং বিদেশ বিষয়ক ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দাবি করেন। ২০১৯ সালে এই দুইজনকে ব্রিটেন রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছিল।

তাদের দাবি ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীনতা লাভ করেছিল মণিপুর। তবে ভারতের সঙ্গে যোগ দেয়নি। ১৯৪৬ সালের ২৭ ডিসেম্বরই ব্রিটিশ রাজ ভারত থেকে মণিপুরকে বিচ্ছিন্ন করেছিল। কিন্তু ১৯৪৯ সালে সেই আইন লঙ্ঘন করে ভারত মণিপুর রাজ্যকে কব্জা করেছিল। কাজেই স্বাধীন মণিপুর রাষ্ট্রের গঠন হেছিল অনেকদিন আগেই। সেই রাষ্ট্রকেই পুনরুদ্ধার করতে চাইছে তারা। তাঁরা জানিয়েছেন এখন ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কাছে তাঁরা স্বাধীন মণিপুর রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য আবেদন জানাবেন। তারপর রাষ্ট্রসঙ্ঘের দ্বারস্থ হবেন।

এদিকে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা স্বয়ং। যেভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তাতে তিনি বিস্মিত। জানিয়েছেন কড়া ভাষায় এর নিন্দা করছেন তিনি। সমাজে এতে করে নেতিবাচক প্রভাব বাড়বে বলে মত দিয়েছেন তিনি।

বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে রাজ্য প্রশাসনও। মুখ্য়মন্ত্রী এন বীরেন সিং জানিয়েছেন, ওই দুই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতার বিরুদ্ধে রাজ্য প্রশাসন রাষ্ট্রে বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা অভিযোগে মামলা করেছে। ক্রাইম ব্রাঞ্চের বিশেষ শাখা বিষয়টি দেখছে। বিশদ তথ্যাদি পেলে মামলাটি ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি বা এমনআইএ-র হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

স্বাধীনতা ঘোষণার বিষয়ে জানতেন না মনিপুরের রাজা, দাবি ভারতীয় গণমাধ্যমের

লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ইয়াম্বেন বাইরেন ও পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নারেংবাম সমরজিত রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবায়ের পক্ষ থেকে মনিপুরকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করেন (ছবি : দ্য হিন্দুস্থান টাইমস)

লন্ডনে এক সংবাদ সম্মেলনে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ইয়াম্বেন বাইরেন এবং পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নারেংবাম সমরজিত বুধবার রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবার পক্ষে ভারত থেকে মনিপুরকে স্বাধীন বলে ঘোষণা করেছেন। তবে এর কিছুক্ষণের মধ্যেই উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য। মনিপুরের স্বাধীনতা ঘোষণার সঙ্গে নিজের সংশ্লিষ্টতার কথা অস্বীকার করেছেন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা।

বুধবার (৩০ অক্টোবর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য হিন্দুস্থান টাইমস’ প্রকাশিত এক খবরে বলা হয়েছে, যে রাজার নামে ভারত থেকে মনিপুর রাজ্যকে স্বাধীন বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সে রাজাই এই বিষয়ে কিছু জানেন না। এমনকি এমন ঘোষণায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রাজা লেইসেম্বা সানাজাওবা।

বুধবার প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তার বরাত দিয়ে এই খবর প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমটি।

‘দ্য হিন্দুস্থান টাইমসের’ দাবি- ওই ভিডিও বার্তায় রাজা লেইসেম্বা জানান, লন্ডনে বসে ইয়ামবিন বিরেন এবং নারেংবাম সমরজিত নামের যে দুইজন মনিপুর নিয়ে বিতর্কিত দাবি করেছেন তাদের অনুরোধে কিছু কাগজে স্বাক্ষর করেছিলেন তিনি। লন্ডনে কিছু ঐতিহাসিক দলিল ও ছবি নিয়ে গবেষণার জন্য ওই কাগজে রাজার স্বাক্ষর দরকার বলে জানিয়ে তার থেকে সই নেওয়া হয়েছিল।

ওই ভিডিও বার্তায় লেইসেম্বা আরও বলেন, স্থানীয় একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ফেরার পর ভারত থেকে মনিপুরের স্বাধীন হওয়ার খবরটি জানতে পারেন তিনি। এটা শুনে তিনি খুবই বিস্মিত হয়েছেন।

ভারত ভেঙে স্বাধীনতা ঘোষণা করল মণিপুর রাজ্য!

ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির মনিপুর রাজ্য। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে এ ঘোষণা দেয়ার পাশাপাশি তারা প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা দেন।

ওই দুই নেতা দাবি করেন, তাদের এ ঘোষণা রাজা লেইশেম্বা সানাজাওবার পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, লন্ডনে বসবাসরত দুই মনিপুরী নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিৎ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ‘প্রবাসী মনিপুর সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিরেনকে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ও সমরজিৎ নবগঠিত সরকারের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাজ্যে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে কিংবা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মুখ খোলেননি মনিপুরী রাজাও।

নরেংবাম সমরজিৎ বলেন, তারা জাতিসংঘে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা চালাবেন।

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন দেশের কাছে স্বাধীনতার স্বীকৃতি চাইব… জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার জন্য। আমরা আশা করছি, অনেক দেশ আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে।

মনিপুর ভারতের সবচেয়ে ছোট রাজ্যগুলোর একটি। এর জনসংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ।

ভারত ভেঙ্গে স্বাধীনতা ঘোষণা করল মনিপুর রাজ্য!

ভারত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির মনিপুর রাজ্য। মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) যুক্তরাজ্যে এ ঘোষণা দেয়ার পাশাপাশি তারা প্রবাসী সরকার গঠনের ঘোষণা দেন।

ওই দুই নেতা দাবি করেন, তাদের এ ঘোষণা রাজা লেইশেম্বা সানাজাওবার পক্ষ থেকে দেয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়, লন্ডনে বসবাসরত দুই মনিপুরী নেতা ইয়ামবিন বিরেন ও নরেংবাম সমরজিৎ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে ‘প্রবাসী মনিপুর সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিরেনকে মনিপুর স্টেট কাউন্সিলের মুখ্যমন্ত্রী ও সমরজিৎ নবগঠিত সরকারের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

এ বিষয়ে এখনো যুক্তরাজ্যে ভারতীয় হাইকমিশন থেকে কিংবা ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। মুখ খোলেননি মনিপুরী রাজাও।

নরেংবাম সমরজিৎ বলেন, তারা জাতিসংঘে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির জন্য চেষ্টা চালাবেন।

তিনি বলেন, আমরা বিভিন্ন দেশের কাছে স্বাধীনতার স্বীকৃতি চাইব… জাতিসংঘের সদস্য হওয়ার জন্য। আমরা আশা করছি, অনেক দেশ আমাদের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেবে।

মনিপুর ভারতের সবচেয়ে ছোট রাজ্যগুলোর একটি। এর জনসংখ্যা প্রায় ২৮ লাখ।

Design a site like this with WordPress.com
Get started