শব্দে নয়, পাখিদের ভাষায় কথা বলেন তারা!

প্রতিটি দেশেই মানুষদের নিজস্ব কিছু ভাষা থাকে। যদিও এক দেশের ভাষার সঙ্গে অন্য দেশের ভাষার কোনো মিল পাওয়া যায় না। তারপরও কোনো মানুষকে পাখিদের ভাষায় কথা বলে মনের ভাব প্রকাশ করার কথা কখনো শুনেছেন কি?

হ্যাঁ, পাখিদের মতো করে  কথা বলে ভাবের আদান প্রদান করে তুরস্কের কৃষ্ণ সাগর অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ। বর্তমানে ভাষাটি বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়ায় এ ভাষাকে উদযাপন করতে উৎসবেরও আয়োজন করা হচ্ছে। ইউনেসকো ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যে তালিকাভুক্ত করেছে। পাশাপাশি সংস্থাটি এও আশঙ্কা প্রকাশ করেছে, মোবাইলের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় ভাষাটি বিলুপ্ত হতে বসেছে।

কয়েক শতাব্দী আগে তুরস্কের গিরেসান প্রদেশের একটি গ্রামের মানুষ এ ভাষার ব্যবহার করা শুরু করে। গ্রামটির নাম কুসকয় (তুর্কিতে পাখির গ্রাম)।

ভাষাটি যাতে হারিয়ে না যায় সে জন্য স্থানীয় স্কুলেও শেখানো হচ্ছে এ ভাষা। গিরেসান বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন অনুষদ এ ভাষাটিকে কোর্স হিসেবে গ্রহণ করেছে।    

পবিত্র কোরআন নিয়ে মহাকাশে যাচ্ছেন এক মুসলিম নভোচারী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ মনিপুরি মুসলিম বিডি

পবিত্র কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন হাজা আল-মানসুরি নামে এক মুসলিম নভোচারী। তিনিই প্রথম আরব্য যুবক যিনি মহাকাশ ভ্রমণে যাচ্ছেন।

হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

জানা গেছে, আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে ৮ দিনের মহাকাশ সফরে তিনি ১০ কেজি পণ্য বহন করতে পারবেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মহাকাশ নভোচারী হাজা আল-মানসুরি এ ভ্রমণে নিজের প্রয়োজনীয় জিনিসের সঙ্গে পবিত্র কোরআনুল কারিম সঙ্গে নিবেন। তার সঙ্গে আরো থাকবে- পারিবারিক ছবি, খাঁটি সিল্কে বোনা সংযুক্ত আরব আমিরাতের পতাকা এবং ‘কিস্সাতি’ (আমার গল্প) নামক একটি গ্রন্থ।

টুইটারে নিজেই এ বিষয় জানিয়েছেন মহাকাশ নভোচারী হাজা আল-মানসুরি

টুইটারে নিজেই এ বিষয় জানিয়েছেন মহাকাশ নভোচারী হাজা আল-মানসুরি

মার্কিন মহাকাশ সংস্থা (নাসা) জানিয়েছে, মহাকাশযান Soyuz MC-15 এর মাধ্যমে এ সফর শুরু হবে। এ সফরে থাকবে তিনজন নভোচারী। হাজা আল-মানসুরির সফর সঙ্গী হিসেবে থাকছেন নভোচারী জেসিকা মেয়ার ও রাশিয়ান কমান্ডার ওলেগ স্ক্রিপোচকার।

সহযাত্রীদের সঙ্গে হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

সহযাত্রীদের সঙ্গে হাজা আল-মানসুরি। ছবি সংগৃহীত

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘মোহাম্মদ বিন রশিদ স্পেস সেন্টারের’ সহকারী মহাপরিচালক সালেম আল মেরি বলেন, ‘এটিই প্রথম আমাদের মহাকাশ কর্মসূচী। এই মিশনের মাধ্যমে জাতীয় দক্ষতার বিকাশ ঘটে। এটি আমাদের পৃথিবীতে উন্নত জীবনে সহায়তা করবে।’

জানাজার খাটিয়া বহন করার সময় কালিমা পড়া যাবে কি?


ইসলাম ডেক্স : কুমিল্লা জেলার মুরাদনগরের সোনাকান্দার বাসিন্দা খলিল ভূঁইয়া জানান, ‘আমাদের এলাকায় জানাজার খাটিয়া বহন করার সময় লোকজন উচ্চস্বরে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ও বিভিন্ন কালিমার জিকির করে।’

‘কয়েকদিন আগের ঘটনা। এক জানাজার খাটিয়া নেওয়ার সময় লোকজন সমস্বরে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’-এর জিকির করছিল। এ দেখে আমাদের নতুন ইমাম সাহেব বললেন যে, এভাবে উচ্চস্বরে কালিমা পড়া বিদয়াত। এ কথা বলতেই কিছু লোকজন ইমাম সাহেবের উপর খেপে যায়। তাদের কথা হল, কালিমা পড়ছি এখানে বিদয়াতের কী হল? এ নিয়ে বেশ ঝামেলা সৃষ্টি হয়।’

জানাজার সময়ে উচ্চস্বরে জিকির করা প্রসঙ্গে খলিল ভূঁইয়া প্রশ্ন করেছেন, এ ব্যাপারে কুরআন-হাদীসের নির্দেশনা কী? এবং এক্ষেত্রে সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়ীগণের আমল কী ছিল? বিস্তারিত দলিল-প্রমাণসহ জানানোর জন্য বিশেষ অনুরোধ রইল।

এই প্রশ্নের উত্তরে রাজধানীর মারাকাযুদ দাওয়া আল ইসলামিয়ার ইফতা বিভাগ থেকে জানানো হয়, ‘রাসুলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সাহাবায়ে কেরাম জানাজা বহনের সময় চুপ থাকতেন। আখেরাতের বিষয়ে চিন্তামগ্ন থাকতেন। ইবনু জুরাইজ রাহ. বলেন-

أَنّ النّبِيّ صَلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلّمَ كَانَ إِذَا تَبِعَ الْجِنَازَةَ أَكْثَرَ السّكُاتَ، وَأَكْثَرَ حَدِيثَ نَفْسِهِ.

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন জানাজার পিছনে চলতেন তখন অধিক চুপ থাকতেন এবং চিন্তায় খুব মগ্ন থাকতেন। -মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হাদীস ৬২৮২; মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস ১১৩১৫

হজরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন- জানাজার পিছনে যেন শব্দ না করা হয় এবং আগুন না নেওয়া হয়। -সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩১৬৩; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস ৯৫১৫

সুনানে কুবরা বায়হাকী ও ইবনুল মুনযিরের আলআওসাতের এক বর্ণনা থেকে জানা যায়, সাহাবায়ে কেরামের আমল ব্যাপকভাবে এমনি ছিল; তাঁরা জানাযার পিছনে যাওয়ার সময় কোনো আওয়াজ করতেন না। -সুনানে কুবরা, বায়হাকী ৪/৭৪; আল আওসাত, ইবনুল মুনযির ৫/৪২২ (৩০৩৪)

এ সমস্ত হাদীস ও আছারের আলোকে ফকীহগণ বলেছেন, জানাযার পিছনে চলার সময় মূল কাজ হল আখেরাতের ফিকিরে থাকা। জিকির করতে চাইলে তা হবে অনুচ্চ স্বরে। এ ক্ষেত্রে জিকির করতে গিয়ে আওয়াজ উঁচু করা মাকরূহ।’

এ প্রশ্নের উত্তর দিতে যেসব তথ্যসূত্র ব্যবহার করা হয়েছে: -বাদায়েউস সানায়ে ২/৪৬; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৩/৩৭; মুখতারাতুন নাওয়াযিল ১/৪০৮; ফাতহুল কাদীর ২/৯৭; ইমদাদুল ফাত্তাহ পৃ. ৬৩৮

আরএম/

শ্রীমঙ্গলে পর্যটন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মনিপুরি মুসলিম বিডি ::মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে পর্যটন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থা ও ট্যুর গাইড কমিউনিটির আয়োজনে এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ারুল হক, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসারইনচার্জ (ওসি) আব্দুস ছালেক, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানা, শ্রীমঙ্গল ট্রাফিক ইনস্পেক্টর রুপন কুমার রায়।শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার আহবায়ক আবু সিদ্দিক মুসা’র সভাপতিত্বে ও ট্যুর গাইড এসোসিয়েশন এর সাধারণ সম্পাদক তাপস দাশের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন  গ্র‍্যান্ড সেলিম রিসোর্টের সত্বাধীকারী সেলিম আহমেদ,  গ্রীনলিফ গেস্ট হাউজের পরিচালক এস কে দাশ সুমন,  এসকেডি আমার বাড়ি রিসোর্ট এর সর্বাধিকারী সজল কুমার দাশ, টি টাউন গেষ্ট হাউজের ব্যবস্থাপক আব্দুল ওয়াহিদ, পরিবেশ কর্মী হৃদয় দাশ শুভ, নিসর্গ নিরব ইকো কটেজের সত্বাধিকারী কাজী সামছুল হক, কমলগঞ্জ জীববৈচিত্র্য রক্ষা কমিটির সভাপতি মঞ্জুর আহমেদ মান্না,শ্রীমঙ্গল ইন হোটেলের সত্বাধিকারী ছায়েদ আলী, ইকো ট্যুর গাইড সাজু মারছিয়াং, বৃষ্টি বিলাশ গেস্ট হাউজের সত্বাধিকারী মো. রাফি, হোটেল রেডিশনের ব্যবস্থাপক নাইম আহমেদ সবুজ প্রমুখ।

আফ্রিকায় একসঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করলেন ৪৭৩ জন

মনিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


এক সঙ্গে ৪৭৩ জন ইসলাম গ্রহণ করেছেন পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায়। নওমুসলিমরা সবাই দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নালরাগু প্রদেশের ইয়াবালা গ্রামের বাসিন্দা।

আফ্রিকার ‘রেসালাতে তাওসিয়া’ ইন্সটিটিউটের সদস্যদের দাওয়াত ও তাবলিগের ফলে ইয়াবালা গ্রামের এ লোকেরা ইসলাম গ্রহণ করেন।

ঘানার এ ইয়াবালা গ্রামের মোট বাসিন্দার সংখ্যা ১২০০। এদের মধ্যে আগে ৩২০ জন ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। আর এ দফায় ইসলাম গ্রহণ করলেন ৪৭৩ জন। সে হিসেবে ৭৯৩ জন ইসলাম গ্রহণ করেছেন।

আফ্রিকার দেশগুলোতে ‘রেসালাতে তাওসিয়া’ ইন্সটিটিউট ইসলামের প্রচার-প্রসারে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। তাদের দাওয়াত ও তাবলিগের মেহনতেই ইসলামের সুমহান আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে দলে দলে মানুষ ইসলাম গ্রহণ করছেন।

দাওয়াত ও তাবলিগের ধারক সংগঠন ‘রেসালাতে তাওসিয়া’ ইন্সটিটিউট। এ ইন্সটিটিউটে ইসলামের প্রচার-প্রসারে নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষার ক্লাসের আয়োজন করে চলেছেন সংগঠনটি।

নও মুসলিম অধ্যুষিত ইয়াবালা গ্রামের এখনো কোনো মসজিদ নির্মাণ হয়নি। নেই কোনো পুরনো মসজিদও। নও মুসলিমদের উদ্যোগেই মসজিদ নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মসজিদ নির্মাণে মুসলমানরা আর্থিকভাবে সহায়তাও করেছেন।

প্রকৃতি ও প্রতিকূলতায়: বয়স ৪৩, দেশ ৪৭, জেলা ৬৪

 

হেরিটেজ ট্রাভেলার এলিজা বিনতে এলাহি। ছবি: সংগৃহীত

প্রকৃতি ও প্রত্নতত্ত্ব-এই দু’টির মোহ যেন মানুষকে প্রতিনিয়ত আকৃষ্ট করে রাখে। আর এ কারণেই হয়তো ৪৩ বছর বয়সে ৪৭টি দেশ ঘুরে অদম্য এক বাঙ্গালী নারী হার মানিয়েছেন নানা প্রতিকূলতাকে। বলছি পেশায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, নেশায় প্রত্নতাত্ত্বিক হেরিটেজ ট্রাভেলার এলিজা বিনতে এলাহি’র গল্প। যিনি আজ বুধবার চট্টগ্রাম জেলায় সম্পন্ন করেছেন বাংলাদেশের ৬৪ জেলা ভ্রমণ।

মূলত নিজ দেশের প্রকৃতি ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বকে তুলে ধরাই ছিল এলিজার এই ভ্রমণের মূল উদ্দেশ্য। সংগ্রহ করছেন প্রাকৃতিক ও প্রাচীনতম ইতিহাস এবং ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর তথ্য, ভিডিও এবং স্থিরচিত্র।

“ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষার্থী হলেও ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্বের প্রতি অনুরাগ ছিল ছোটবেলা থেকেই,” বেঙ্গল ডিসকাভার-কে বলছিলেন এলিজা বিনতে এলাহি।

৬৪ জেলা পরিভ্রমণ শেষে বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মিরসরাই মঘাদীয়া জমিদার বাড়িতে এলিজা

তিনি জানান, এই ভ্রমণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের প্রতি জেলায় পেয়েছেন বিশ্বমানের বহু স্থাপনা। এসব নিয়ে বই, স্থিরচিত্র এবং তথ্যবহুল ছবির অ্যালবামও প্রকাশ করতে চান তিনি। এবারের মতো ভ্রমণ সমাপ্ত হলেও পরবর্তীতে বিশদ গবেষণার জন্য আবারো বের হবেন বলে জানিয়েছেন এই ভ্রমণপিয়াসী।

“আমার পড়াশোনার বিষয় কখনও ইতিহাস বা প্রত্নতত্ত্ব ছিল না। নিজ ইচ্ছের তাগিদ বা শখের বিষয়কে আমি পড়াশোনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করেছি,” বলেন এলিজা বিনতে এলাহি।

২০১৬ সালে ঢাকার বলধা গার্ডেন দিয়ে এলিজার বাংলাদেশ ভ্রমণ শুরু। ব্যক্তিগত অর্থায়নে ‘কোয়েস্ট: এ হেরিটেজ জার্নি অব বাংলাদেশ’ পরিচালিত হচ্ছে এলিজার ভ্রমণ প্রকল্পটি।

তিনি বলেন, যত দেশ ঘুরেছি সব থেকে প্রাকৃতিকভাবে বেশি সমৃদ্ধ আমাদের বাংলাদেশ। বিশেষ করে পাহাড়ি অঞ্চলের ঝিরি-ঝর্ণা আমাকে বেশ আকৃষ্ট করেছে। আমি মনে করি দেশের প্রকৃতি সংরক্ষণে আমাদের নাগরিকদের আরো বেশি সচেতন হতে হবে। কারণ আমি দেখেছি, পর্যটকরা বেশি পরিমাণে দূষণ করে থাকেন।

“যেখানে আমি পাখির শব্দ শুনবো, যেখানে আমি ঝর্ণার পানির মিষ্টি শব্দ শুনবো সেখানে পর্যটকরা গান-বাজনা, চিৎকার-চেচামেচি করেন। আমরা প্রকৃতির ছন্দগুলোকে উপভোগ করছি যেন…,” নিজ অভিজ্ঞতা থেকে বলেন এলিজা।

এর আগে ১৯৯৯ সাল থেকে এশিয়া ও ইউরোপের দেশগুলো ভ্রমণ শুরু করেন এলিজা বিনতে এলাহী। গেলো ২০ বছরে ভ্রমণ করেন এশিয়া ও ইউরোপের ৪৭টি দেশ। ভ্রমণে বিভিন্ন দেশের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর খুঁটিনাটি বিষয় পরিদর্শন করেন তিনি। অচিরেই অবশিষ্ট্য দেশগুলো ভ্রমণের ইচ্ছে আছে, জানান এলিজা।

ওই দেশগুলো ভ্রমণের সময় সংগ্রহ করেন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের নানা তথ্য-উপাত্ত। এশিয়া ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে ইতিমধ্যে তার দুটি প্রকাশনা রয়েছে। এর একটি ‘এলিজাস ট্রাভেল ডায়েরি’ আরেকটি ‘এলিজাস ট্রাভেল ডায়েরি-২’।

ইতিমধ্যে নেদারল্যন্ডস এর দি হেগ ইউনিভার্সিটি অফ অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস-এ কম্যুনিকেশন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধীনে ‘বাংলাদেশে হেরিটেজ ট্যুরিজম’-এর ওপর গবেষণা সমাপ্ত করেছেন।

“গবেষণাকর্ম ও হেরিটেজ ভ্রমণে মনে হয়েছে, বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর ঐতিহাসিক অনেক গুরুত্ব রয়েছে। যা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে শিক্ষা-গবেষণার পাশাপাশি দেশে পর্যটনশিল্প বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে,” উল্লেখ করেন এই অদম্য হেরিটেজ ট্রাভেলার।

এলিজা জানান, ৬ এপ্রিল ১৯৭৬ সালে জন্ম তার। ব্যক্তিগত জীবনে এক সন্তানের জননী, স্বামী পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তবে পরিবার কখনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। বরং পরিবার থেকেই পাচ্ছেন সবচে বেশি অনুপ্রেরণা। তিনি জানান, এক মাস বিরতির পর আরো ৫০টি দেশ ভ্রমণে বেরিয়ে পড়বেন তিনি। এভাবে পুরো বিশ্ব দেখে এসে আরো বিস্তর গবেষণা পর তুলে ধরবেন বিস্তারিত তথ্য-উপাত্ত।

সূত্র : বেঙ্গল ডিসকাভার

সালমার ‘মন মাঝি’ গানে অভিনেত্রী অহনা!

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী সালমার গাওয়া জনপ্রিয় গান ‘মন মাঝি’। গানটি প্রকাশ হয় ২০১৭ সালে। তখন সেই গানটির লিরিকাল ভিডিও খুব জনপ্রিয় হয়েছে। এবার ‘মন মাঝি’ গানের মিউজিক ভিডিও নিয়ে হাজির হয়েছেন সালমা।

মিউজিক ভিডিওতে মডেল হিসেবে দেখা যাবে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী অহনাকে। হৃদয় ছোঁয়া গল্পের চমৎকার একটি চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এখানে অহনার বিপরীতে আছেন নবাগত মডেল রোমিও।

এছাড়া ‘মন মাঝি’ নামে গানের মিউজিক ভিডিওতে মডেল হয়েছেন রিফাত চৌধুরী জিদান ও শিশু শিল্পী আজান। মিউজিক ভিডিওটি নির্মাণ করেছেন আহমেদ শাকিল নিশান।

গানটির কথা ও সুর করেছেন জিয়া উদ্দিন আলম। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন রেজয়ান শেখ। ‘মন মাঝি’ মিউজিক ভিডিওটি আজ বুধবার (২৮ আগস্ট) জিসান মাল্টিমিডিয়া অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হয়েছে।

জনপ্রিয় ক্লোজআপ তারকা সালমা এই মিউজিক ভিডিও নিয়ে বলেন, ‘মন মাঝি’ গানটি আমার ১১তম একক অ্যালবামের টাইটেল ট্র্যাক। গানটি প্রকাশ হয় ২০১৭ সালে ভালোবাসা দিবসে উপলক্ষে। তখন এটি শ্রোতাদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলতে সক্ষম হয়। আশা করি ‘মন মাঝি’ গানের ভিডিওটিও হিট হবে।’

অ্যালবামের গানগুলো ছিল ‘মন মাঝি’, ‘দরদ’ এবং ‘কে যে যখন’ শিরোনামের তিনটি গান। গানগুলো লিখেছেন জাহিদ আকবর, মাহমুদ মানজুর এবং জিয়াউদ্দিন আলম। সুর-সংগীত করেছেন নাজির মাহমুদ, রেজয়ান শেখ এবং মুশফিক লিটু।

গানটি দেখুন

এলএ/এমকেএইচ

কমলগঞ্জে বুনিয়াদী প্রশিক্ষণে ৫ বিসিএস কর্মকর্তা

মনিপুরি মুসলিম বিডি : বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ৬৯ তম বুনিয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্সের অংশ হিসেবে বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তাগণ জেলার সংযুক্তি অংশ হিসাবে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে কমলগঞ্জ পৌরসভায় বুধবার সকাল ১১টায় ৪ কর্মকর্তা পরির্দশন করেন এবং মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় সরকারের কার্যক্রম স্বচক্ষে অবলোকন করেন। আগত কর্মকর্তারা হলেন টিম লিডার-মো: কায়েছুর রহমান ,সহকারী কমিশনার,জেলা প্রশাসকের কার্যালয় বান্দরবান,মো:রিদুয়ানুল ইসলাম,সহকারী কমিশনার ,জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ভোলা, মো: মাহবুব আলম মাহবুব,সহকারী কমিশনার জেলা প্রশাসকের কার্যালয় লালমনিরহাট, উম্মে কুলসুম রুবি ,সহকারী কমিশনার, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঝালকাটি, শিল্পী রানী মোদক সহকারী কমিশনা, জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পঞ্চগড়। কমলগঞ্জ পৌরসভায় আগত বিসিএস কর্মকর্তাদেও স্বাগত জানান কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমেদ। তারা বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ ও অফিসের কার্যক্রম ঘুরে ঘুরে দেখেন। বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ েেকন্দ্রের ৬৯ তম বুনিয়াদী প্রশিক্ষন র্কোস চলবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের কার্যক্রম পরিদর্শণের মাধ্যমে সম্যক ধারণা লাভ।

ডিসেম্বরের মধ্যেই পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের আশঙ্কা

মনিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


রেলমন্ত্রী শেখ রশিদ আহমদ আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলতি বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বরের মধ্যেই পাক-ভারত যুদ্ধ হতে পারে।

বুধবার রাওয়ালপিন্ডিতে একটি অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।

শেখ রশিদ বলেন, ভারত পাকিস্তানের মধ্যে প্রায় ১০টির মতো যুদ্ধ বা যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল। আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বরের সময়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি দেখছি এর মধ্যে ভারতের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ হতে পারে। এ জন্য সব মতভেদ ভুলে এখন একসঙ্গে চলতে হবে।

তিনি বলেন, নব্য হিটলার নরেন্দ্র মোদির কারণে গত ২৩ দিন যাবত কাশ্মীর থেকে বারুদের গন্ধ আসছে। তরুণদের সংগ্রামই কাশ্মীরিদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এ ব্যাপারে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। তারা এ ব্যাপারে উদ্যোগী হলে সেখানে গণভোটের ব্যবস্থা করতেন।

শেখ রশিদ আহমদ আরও বলেন, ভারতের ২৫ কোটি মুসলমান এখন পাকিস্তানের দিকে চেয়ে আছে। কাশ্মীরি জনগণের সঙ্গে এখনই আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলতে হবে। অন্যথায় ইতিহাস আমাদের ক্ষমা করবে না।

যেভাবে আমেরিকার গির্জাগুলো মসজিদে রূপান্তরিত হচ্ছে

মনিপুরি মুসলিম বিডি | অনলাইন ডেস্ক


আমেরিকার নিউইয়র্কের শহর বাফেলোতে দিন দিন মাদরাসা ও মসজিদের সংখ্যা বাড়ছে। বাফেলো শহরের প্রতিটি মুসলিম পরিবারই তাদের স্কুলপড়ুয়া ছেলেমেয়েদের নিয়ে মসজিদে নামাজ আদায়ে শামিল হচ্ছেন। প্রতি শুক্রবার নারীরাসহ পরিবারের অধিকাংশই নামাজ পড়তে যাচ্ছে এসব মসজিদে।

২ হাজার ৫২৫ বর্গকিলোমিটারের এ শহরটিতে বর্তমানে ১৭টি জামে মসজিদ রয়েছে। চারটি ইবাদতখানাসহ বৃহৎ পরিসরে চারটি উচ্চ শিক্ষার মাদরাসাও রয়েছে। এ ছাড়া কুরআন হেফজের লক্ষ্যে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি হেফজখানা।

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য যে, বাফেলোর পুরনো জেলখানাটিই এখন যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ আবাসিক/অনাবাসিক নারী মাদরাসায় পরিণত হয়েছে। যেখানে ইসলামি শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি দেশটির শিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত সিলেবাসও পড়ানো হয়। মাদরাসার অধিকাংশ শিক্ষক ইসলামি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

বাফেলোজুড়েই বসবাস করছে এশিয়ার অধিকাংশ মুসলিম দেশের মানুষ। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, পাকিস্তান ও ইয়েমেনের মুসলিমদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। আরও আছে সৌদি আরব, আরব আমিরাত ও ভারতের মুসলিম জনসংখ্যাও।

উল্লেখ্য, শহরটিতে বর্তমানে যে সব মসজিদ রয়েছে তার অধিকাংশই আগে গির্জা ছিল। এসব গির্জা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় এবং দেখভালের অভাবে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে থাকে বছরের পর বছর। যাতে ক্ষতির মুখে পতিত হচ্ছিল ভবনগুলো। পাশাপাশি বাফেলো সিটি হারাচ্ছিল মোটা অংকের রাজস্ব। অন্যদিকে বাফেলোতে মুসলিম জনগোষ্ঠীর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়া এবং তাদের চাহিদা থাকায় সিটি কর্তৃপক্ষ নামেমাত্র থাকা এসব গির্জা লিজ প্রদান করে মসজিদের জন্য।

সম্প্রতি দেলেবান ও বেলী রোডের কর্নারে সববৃহৎ গির্জাটি যখন মসজিদের জন্য সিটির কাছ থেকে লিজ নেয়া হলো, তখন বিভিন্ন মিডিয়া বিশেষ করে (ফ্রক নিউজ, এবিসি নিউজ) খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকদের একটি সাক্ষাৎকার নিয়ে তা প্রকাশ করে। যাতে তাদের অধিকাংশের মতামত ছিল এরকম যে, ‘আমরা আগে রোববার প্রার্থনা করতাম, সেখানে মুসলিম ফ্রেন্ডরা শুক্রবার প্রার্থনা করবে। পার্থক্য শুধু এটাই। আমরা গডকে ডাকতাম আর ওরা আল্লাহকে ডাকবে। এতে সমস্যা কোথায়?

শহরটির যেসব গির্জা এখন মসজিদে পরিণত হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো-
মসজিদ-এ-জাকারিয়া, মসজিদ আল তাকওয়া, মসজিদে জুমা, মসজিদে নোমান, মার্কাস মসজিদ, মসজিদ আল ইয়ামা, মসজিদ জামা, মসজিদ আল নূর, মসজিদ আল গুদাম, মসজিদ এট জ্যাফরিয়া, বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, মসজিদ বিলাল, মসজিদ দারুস সালাম, মসজিদ-ই-মাহদি, মসজিদ তাওহীদ, মসজিদ মুকাররাম জামে মসজিদ, সেন্ট্রাল পার্ক জামে মসজিদ উল্লেখযোগ্য।

আজাদ কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তান-ভারত গোলাগুলি, নিহত ২

মনিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


পাকিস্তান-ভারত সেনাবাহিনীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় আজাদ কাশ্মীরে দু’জন নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছে।

এমন দাবি করেছে পাকিস্তান। দেশটি বলেছে, ভারতীয় বাহিনীর হামলায় আজাদ কাশ্মীরে বেশ কয়েকজন হতাহত হন।

এদিকে, নয়াদিল্লির দাবি, ইসলামাবাদ আগে হামলা চালালে তারাও পাল্টা জবাব দিয়েছে।

এ অবস্থায় জম্মু-কাশ্মীরের পাশাপাশি আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের বাসিন্দারাও।

জম্মু-কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন বাতিলের প্রতিবাদে মঙ্গলবারও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের মুজাফারাবাদে বিক্ষোভ হয়। এতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা ভারতের বিজেপি সরকারের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

প্রতিটি গ্রাম পরিকল্পিতভাবে সাজাতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

 

মনিপুরি মুসলিম বিডি ডেস্ক- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সকল নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতের পাশাপাশি জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণের মাধ্যমে সব গ্রামকে পরিকল্পিতভাবে সাজাতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বুধবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায় ‘ভূমি অধিগ্রহণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ’ প্রকল্পের ওপর উপস্থাপনা প্রত্যক্ষকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

রাজধানীতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলী এম খলিলুর রহমান এর উপস্থাপনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কেবল উপজেলা পর্যায়ে নয় ইউনিয়ন, ওয়ার্ড এমন কি সব গ্রামে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে তাঁর সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আবাদি জমি রক্ষার কথা মাথায় রেখে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘অধিক জনসংখ্যার বাংলাদেশে খুব অল্প সংখ্যক ভূমি রয়েছে। আমাদেরকে খাদ্য, নিরাপত্তা, চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এসব কিছু বিবেচনা করে আমরা অর্থনীতিকে শক্তিশালী করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রামীণ পর্যায়ে নিয়ে যেতে চায়, যাতে করে মানুষকে শুধু কর্মসংস্থানের জন্য রাজধানীতে আসতে না হয়। তারা যেন তাদের নিজ নিজ এলাকাতেই কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যেকোনো উন্নয়নের জন্য অবশ্যই প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। নদী, খাল ও জলাধার রক্ষা করতে হবে। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে এবং নদীপথ সংরক্ষণ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, মাশরাফি বিন মর্তুজা এমপি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান, টুঙ্গিপাড়া পৌরসভা মেয়র, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের ৫ জন চেয়ারম্যান, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সরকারি প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইটি) ৩৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ভূমি অধিগ্রহণ ও জীব-বৈচিত্র সংরক্ষণ পরিকল্পনা’ শীর্ষক চার বছর মেয়াদী প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

‘ঢেলে দেই’ বক্তা তাহেরী নজরদারিতে

বর্তমান সময়ের আলোচিত-সমালোচিত দুটি শব্দ ‘ঢেলে দেই’। ইউটিউব, ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ট্রল হচ্ছে এই দুটি শব্দ নিয়ে। আর এই ‘ঢেলে দেই’ শব্দের বক্তা মুফতি গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরী।

বাংলাদেশের সার্চ ট্রেন্ড বলছে, চলতি মাসের (আগস্ট) ১৮ থেকে ২৪ তারিখ পর্যন্ত গুগলে ‘ঢেলে দেই’ শব্দ দুটি সার্চ করেছেন প্রায় শতভাগ বাংলাদেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী।

তাহেরীর বেশ কয়েকটি ওয়াজে দেখা গেছে, হাতে একটি চায়ের কাপ নিয়ে তাতে চুমুক দেন। এরপর বলেন, ‘কেউ কথা কইয়েন না, একটু চা খাব? খাই একটু? আপনারা খাবেন? ঢেলে দেই? (মুচকি হেসে আবারও) ঢেলে দেই? … ‘ভাই পরিবেশটা সুন্দর না? কোনো হইচই আছে? আমি কি কাউকে গালি দিয়েছি? কারোর বিরুদ্ধে বলতেছি? এরপরও সকালে একদল লোক বলবে, তাহেরী বালা (ভালো) না।’

বক্তব্যের মধ্যে অশ্লীল ভঙ্গিও করেন তিনি। সেই সঙ্গে নাচ-গানসহ আরও বিনোদনমূলক কথাবার্তা। ওয়াজের সময় এভাবে বিনোদন দিয়ে বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে তাহেরী।

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, প্রতিটি ওয়াজ মাহফিল আয়োজনের জন্য স্ব স্ব জেলার ডিসি কার্যালয়ের অনুমতিপত্র, থানা পুলিশসহ কয়েকটি দফতরে অবগত করতে হয়। তাহেরীর বিষয়ে ওয়াজ মাহফিলে অশ্লীল কথা ও অশ্লীল ভঙ্গি করার বিষয়টি ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরে এসেছে। এরপর থেকে দেশের কয়েকটি জেলায় তার ওয়াজ মনিটরিং করার জন্য মৌখিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বেধে দেয়া কিছু নিয়ম মেনে ওয়াজের বক্তারা কথা বলছেন কি-না, সেটিও নজরদারির নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জিকিরের সময় নেচে-গেয়ে ‘বসেন বসেন, বইসা যান’ বলায় সমালোচিত হন তাহেরী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে নিয়ে তৈরি হয়ে নানা ট্রল ও ভিডিও। এরপর কিছুদিন ওয়াজ বন্ধ রেখেছিলেন তিনি। তবে ‘ঢেলে দেই’ শব্দ দুটি দিয়ে আবারও আলোচনায় তিনি।

কাশ্মীর সীমান্তে স্পেশাল কমান্ডো পাঠিয়েছে পাকিস্তান; সতর্ক অবস্থানে ভারত

মনিপুরি মুসলিম বিডি | অনলাইন ডেস্ক


কাশ্মীর নিয়ে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কাশ্মীর সীমান্তে শতাধিক স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ (এসএসজি) কমান্ডো পাঠিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির এই পদক্ষেপের পরই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় সেনারা।

ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার বরাত দিয়ে দেশটির একটি সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, সীমানায় স্যার ক্রিক এলাকায় পাকিস্তানি কমান্ডোরা ঘাঁটি গেড়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জাতীর উদ্দেশ্যে দেয়া ভাষণ দেন ইমরান খান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কাশ্মীরের বিশেষ সুবিধা বাতিল করে ঐতিহাসিক ভুল করেছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। তার ভাষায়, এখন এটা হলো কাশ্মীরি জনগণের সামনে ঐতিহাসিক সময়। ভারতের কাছ থেকে বহু দশকের স্বাধীনতার স্বপ্ন অর্জনের সময় এটা তাদের। ইমরান খান বলেন, তিনি কাশ্মীরিদের একজন দূত হয়ে কাজ করবেন। প্রতিটি ফোরামে তুলে ধরবেন কাশ্মীর ইস্যু। প্রতি সপ্তাহে কিছু সময় বের করে কাশ্মীরিদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিক্ষোভ করার আহ্বান জানান তিনি পাকিস্তানিদের প্রতি।

সূত্র : সময় টিভি

সকল পক্ষকে সাথে নিয়ে আফগানিস্তানে একটি শক্তিশালী ইসলামী সরকার গঠন করতে চায় তালেবান

মনিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


সকল পক্ষকে নিয়ে আফগানিস্তানে একটা ইসলামী সরকার গঠন করা হবে বলে জানিয়েছে তালেবান। দোহাতে আফগান তালেবানদের রাজনৈতিক অফিসের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন এ কথা জানান।

আমেরিকার সাথে প্রায় এক বছর ধরে আলোচনা চালিয়ে আসছে তালেবানরা কিন্তু আফগান সরকারের সাথে আলোচনার ব্যাপারে তারা রাজি হননি।

আমেরিকার সাথে আলোচনার পর আফগান সরকারের সাথে তালেবানরা আলোচনায় বসবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে শাহীন জোর দিয়ে বলেন, “অবশ্যই তারা সকল আফগান পক্ষের সাথে আলোচনা করবেন। এদের মধ্যে আফগান প্রশাসনও থাকবে। তবে সেখানে তারা সঙ্ঘাত পরিস্থিতির একটা পক্ষ হিসেবে থাকবে, সরকার হিসেবে নয়”।

তালেবানরা বলেছে আমেরিকার সাথে চুক্তি হওয়ার পর তারা সকল আফগান গ্রুপকে সরকারে অংশগ্রহণের আহ্বান জানাবে।

তালেবানদের রাজনৈতিক মুখপাত্র সুহাইল শাহীন বলেন, “অবশ্যই আফগানিস্তানে আমরা একটা ইসলামি সরকার চাই, যেখানে সকল আফগান পক্ষ, সকল জাতিগোষ্ঠি, সকল পর্যায়ের মানুষ অংশ নেবে যাতে এটা একটা শক্তিশালী ইসলামী সরকার হতে পারে”।

এদিকে আফগান তালেবান সোমবার জানিয়েছে যে, কাতারের রাজধানী দোহায় চলমান আলোচনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে একটা চুক্তির কাছাকাছি চলে গেছেন তারা।

সুহাইল শাহীন বলেন, এ পর্যন্ত কোন পক্ষই চূড়ান্ত পর্যায়ে যায়নি, যদিও আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আলোচনা শেষ হওয়ার আশা করছে উভয় পক্ষ।

শাহীন বলেন, “আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে রাজি হয়েছে এবং শান্তিপূর্ণভাবে আফগান ইস্যু সমাধানের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে”।

তবে কোন সময়ের মধ্যে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার হবে, সে ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকার করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানদের মধ্যে নবম দফা আলোচনা শুরু হয়েছে কাতারের রাজধানী দোহাতে। আফগানিস্তানের দীর্ঘ যুদ্ধের ইতি টানার জন্য এই আলোচনা চলছে।

গত রোববার দিনের শুরুতে কিছু মিডিয়া জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও তালেবানদের মধ্যে একটা চুক্তি হয়েছে এবং দুই পক্ষই কাবুলে একটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ব্যাপারে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন দূত জালমাই খলিলজাদ ও তালেবান উভয়েই পরে এই রিপোর্টকে নাকচ করে দেন।

দেশে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে আমেরিকা-তালেবান আলোচনার কারণে সেটা চাপা পড়তে পারে।

শনিবার কাবুলে নিযুক্তি শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক জন ব্যাস বলেছেন যে, নির্বাচন নির্ধারিত সময় অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত, যদি শান্তি প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়।

জন ব্যাস বলেন, “দুটোই (শান্তি প্রক্রিয়া ও নির্বাচন) আমেরিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। শান্তি আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার কারণ আফগান জনগণেরও অগ্রাধিকার এটাই। আর প্রতিদিনই বহু আফগান আমাদের জানাচ্ছে যে শান্তিই তাদের প্রধান অগ্রাধিকার”।

সূত্র : আনাদুলু এজেন্সি

Design a site like this with WordPress.com
Get started