সালমান শাহ’র চলচ্চিত্রের গান গাইবেন সাব্বির-লুইপা

সালমান শাহ, লুইপা ও সাব্বির

আগামী ৬ সেপ্টেম্বর বাংলা চলচ্চিত্রের বরপুত্র সালমান শাহর মৃত্যুবার্ষিকী। তাকে স্মরণে বেসরকারিটি টিভি চ্যানেল বাংলাভিশন আয়োজন করেছে বিশেষ অনুষ্ঠান।


থাকছে ফোনোলাইভ স্টুডিও কনসার্ট ‘মিউজিক ক্লাবে’র বিশেষ পর্ব। যেখানে সালমান শাহ অভিনীত চলচ্চিত্রের গান গাইবেন সংগীতশিল্পী সাব্বির ও লুইপা।
বাংলাভিশন জানায়, সরাসরি সম্প্রচারিত এই অনুষ্ঠানে দর্শকরা ফোন করে অতিথির সাথে কথা বলার পাশাপাশি গানের অনুরোধ করতে পারবেন। এছাড়াও শিল্পীরা কথা বলবেন সালমান শাহকে নিয়ে।

সাব্বির বলেন, ‌‘আমার পছন্দের নায়ক হলেন সালমান শাহ। তার চলচ্চিত্রের গান গাওয়াটা আমার জন্য সম্মানের।’
‘মিউজিক ক্লাবে’-এর  এই পর্বটি সম্প্রচারিত হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা ২৫ মিনিটে। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করছেন নাহিদ আহমেদ বিপ্লব।
সালমান শাহকে বলা হয় ৯০ দশকের শ্রেষ্ঠ নায়ক। টেলিভিশনেও তার অভিনীত বেশ কিছু নাটক জনপ্রিয়তা পায়। ১৯৯৩ সালে সালমান শাহ অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ মুক্তি পায়। একই ছবির মাধ্যমে নায়িকা মৌসুমী ও গায়ক আগুনের অভিষেক হয়।
এরপর মাত্র চার বছরে সালমান শাহ সর্বমোট ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন, যার সবকটিই ছিল ব্যবসাসফল। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর তিনি না ফেরার দেশে চলে যান। তার মৃত্যুর রহস্য আজও কাটেনি। মামলা চলছে এখনও।

৮ দিনের চীন সফরে গেলেন অধ্যাপক মোঃ রফিকুর রহমান!

ক্ষমতাসীন চীনা কমিউনিস্ট  পার্টির  আমন্ত্রণে  আজ  মঙ্গলবার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক আইনমন্ত্রী আব্দুল মতিন খসরু  এমপি-র  নেতৃত্বে  ২০ সদস্য বিশিষ্ট  প্রতিনিধি  দলের  অন্যতম  সদস্য  হিসাবে সিলেটে  বিভাগের  প্রবীণ রাজনীতিজ্ঞ  আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয়  নির্বাহী   কমিটির   সদস্য   অধ্যাপক    মোঃ রফিকুর  রহমান ঢাকা  ত্যাগ   করেছেন ।  
আগামী ১২ ই সেপ্টেম্বর তিনি দেশে ফিরবেন।

সফরে যাওয়ার আগে  কমলগঞ্জের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে  সাক্ষাৎ  ও  মতবিনিময়  করে  সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।


গতকাল সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দলটির সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য আবদুল মতিন খসরু।

এ সফরের প্রতিনিধি দলে আওয়ামী লীগের ১০ জন কেন্দ্রীয় নেতা, দুজন ঢাকা মহানগর পর্যায়ের নেতা, সংসদ সদস্য ও সাংবাদিক রয়েছেন।


আবদুল মতিন খসরুর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে রয়েছেন তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর, ক্রীড়া সম্পাদক হারুনুর রশীদ, উপপ্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অধ্যাপক মোঃ রফিকুর রহমান, দীপংকর তালুকদার, অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ, অ্যাডভোকেট এ বি এম রিয়াজুল কবীর কাওছার, আমিরুল ইসলাম মিলন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামাল চৌধুরী, উত্তরের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক নাজমুল আলম, আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ ও তরুন কান্তি দাস, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক ও বাসন্তি চাকমা এবং চার সাংবাদিক।


এর মধ্যে তরুণ কান্তি দাস চায়না আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি বলেন, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে দুইটা কনফারেন্সে যোগ দিতে যাচ্ছি আমরা। সেখানে চীন সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে দেখা করে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে চীনকে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে জোরালো আহ্বান জানানো হবে।

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ক্বীন ব্রীজ পরিদর্শনে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত

ডেস্ক নিউজ:: এটি অন্য যে কোন দেশের চেয়ে লম্বা পায়ে হাটার ব্রীজ- আর্ল রবার্ট মিলার বাংলাদেশে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ক্বীন ব্রীজ পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ক্বীন ব্রীজ পরিদর্শনে আসেন।  এসময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ক্বীন ব্রীজের উত্তর পাড়ে গাড়ী থেকে নেমে পায়ে হেটে ব্রীজের দক্ষিণ পাড় পর্যন্ত ঘুরে দেখেন। পরে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার আলী আমজদের ঘড়ি দেখে মুগ্ধ হন। বলেন, ক্বীন ব্রীজের সাথে আলী আমজদের ঘড়ি সৌন্দর্য বাড়িয়েছে। রাষ্ট্রদূত আলী আমজদের ঘড়ির সায়রন শুনে মুগ্ধ হয়ে ঘড়ির প্রশংসা করেন।তিনি বলেন, ক্বীন ব্রীজের ম্যারামত কাজ চলছে শুনে দেখতে এসেছি। ক্বীন ব্রীজ দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া ও এর সৌন্দর্য বাড়ানোর প্রদক্ষেপে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ভূয়শী প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, এটি অন্য যে কোন দেশের চেয়ে লম্বা পায়ে হাটার ব্রীজ। সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ক্বীন ব্রীজ একটি ঐতিহ্যবাহী ব্রীজ। এই ব্রীজ ব্রীটিশদের তৈরী। রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার সিলেট সফরে আসলে তিন ব্রীজ সফরে আসেন। ব্রীজের দুই পাড় ঘুরে দেখেন তিনি। বলেন, ব্রীজের রক্ষনাভেক্ষনে তার সরকারের সহায়তা থাকবে। 

এসময় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী ও সরকারের যুগ্ম সচিব বিধায়ক রায় চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী নুর আজিজুর রহমান, প্রকৌশলী শামছুল হক পাঠোয়ারী সহ সিসিকের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

তাহেরীর বিরুদ্ধে করা মামলা খারিজ

মূল্যবোধ ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার অভিযোগে বক্তা ও দাওয়াতে ইমানি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান মুফতি মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন আত-তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসসামছ জগলুল হোসেন মামলা খারিজের আদেশ দেন।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার আবেদনকারী ঢাকা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী সদস্য মো. ইব্রাহিম খলিল।

তিনি বলেন, তাহেরীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন দুদিন অপেক্ষমান রেখে আজ খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।

রোববার বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনাল আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালতে এ মামলার আবেদন করেছিলেন আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল। ধর্মীয় অনুভূতি ও মূল্যবোধের ওপর আঘাত সৃষ্টির অভিযোগে এ মামলার আবেদন করা হয়েছিল।

রোববার বেলা পৌনে ২টায় আদালতের পেশকার মামলাটি বিচারকের সামনে উপস্থাপন করেন। এর পর বিচারক ফৌজদারি কার্যবিধির ২০০ ধারা মোতাবেক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

জবানবন্দিতে বাদী বলেন, ‘৩১ আগস্ট সকাল ১০টায় আমি চেম্বারে এসে দেখি মেঘনা টিভি সিএম নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলে ওয়াজে ইসলামকে ব্যঙ্গ করা হচ্ছে। সেই ওয়াজ করছিলেন মুফতি গিয়াস উদ্দিন তাহেরী। ওয়াজে তাহেরী বলেন, ‘খান, ঢেলে দেই,’ যা সম্পূর্ণ অশ্লীল শব্দ।

বাদী বলেন, ‘চিশতি বিডি নামের আরেকটি ইউটিউব চ্যানেলে তাহেরী বলেছেন, ‘কিছু কিছু ইউটিউবার ধান্ধাবাজ।’

বাদী বলেন, এ ছাড়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, আসামি একটি ওয়াজে বলেন, ‘ইউনিভার্সিটির কিছু মাইয়া আছে। হেরা মডেলিং করে। তোমরার কপালে বেহেশত নেই।’

বাদী বলেন, বিজ্ঞ আদালত আসামির এ বক্তব্য গোটা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। কে বেহেশতে যাবে আর কে যাবে না, সেটি একমাত্র ধর্ম অনুযায়ী আল্লাহই জানেন।

বাদী আরও বলেন, তাহেরীর ‘বসেন বসেন বইসা যান, ঢেলে দেই’ এসব বাক্য ওয়াজে ব্যবহার করে তিনি ইসলাম ধর্মকে ব্যঙ্গ করেছেন। জিকিরের সময় এ রকম শব্দ উচ্চারণ ইসলামের কোথাও উল্লেখ নেই।

ইসলামের রীতিনীতি অনুযায়ী তাহেরীর এসব কর্মকাণ্ড মুনাফেকির শামিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পাকিস্তানের গোপন ছক ফাঁস করে দিলো ভারতীয় সেনার হাতে আটক দুই জঙ্গি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক- সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকার। এই ধারায় জম্মু-কাশ্মীরকে বিশেষ স্বশাসিত মর্যাদা দেয়ার উল্লেখ রয়েছে। আর এই ধারা প্রত্যাহার করে নেয়ায় উত্তাল গোটা কাশ্মীর।

৩৭০ ধারা তুলে দেয়া মানে কাশ্মীর বিশেষ মর্যাদা হারাবে। একই সঙ্গে জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখকে আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গড়ার সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। লাদাখে কোনও বিধানসভা থাকবে না।

ভারতীয় গণমাধ্যম ওয়ান ইন্ডিয়া জানায়, কাশ্মীর ইস্যুতে ব্যাকফুটে থাকা পাকিস্তান বিভিন্নভাবে চেষ্টা করে চলেছে ভারতকে পর্যুদস্ত করতে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে পাকিস্তান এই মর্মে সাহায্য চেয়েও খালি হাতে ফিরে আসে। আর ঠিক এমন পরিস্থিতিতেই ভারতের গুজরাত, তামিলনাড়ু উপকূল দিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের মতো ঘটনা ঘটে।

এদিকে, পাকিস্তানি দুই লস্কর জঙ্গি ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়। আর তাদের কাছ থেকেই উঠে আসে একাধিক তথ্য।

জানা গেছে, পাকিস্তানি জঙ্গি খালিল ও নাজিম ভারতে কাশ্মীরে নাশকতার ছক নিয়ে অনুপ্রবেশ করেছিল। তবে তার আগেই ভারতের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে যায় তারা। এক ঝাঁক অনুরপ্রবেশকারী জঙ্গিরা মোট ১০ জনের দল নিয়ে ঢুকেছিল, যার মধ্যে ৭ জন পাকিস্তানি ও ৩ জন আফগানিস্তানের বাসিন্দা।

ওয়ান ইন্ডিয়া আরও জানায়, কাশ্মীরের বুকে হামলার ফের বড়সড় ছক কষছে লস্কর-ই-তৈবা। আর এই নাশকতা ছড়াতে পাকিস্তানি সেনা তাদের ভারতে অনুপ্রবেশে সহায়তা করেছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে তারা।

ভারতীয় সেনার জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়ে জঙ্গি খালিল নাজিম আরও জানিয়েছে, এর আগে তারা পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে প্রশিক্ষণ নিত। সেখানে লস্কর ই তৈবার ক্যাম্পে চলত তাদের প্রশিক্ষণ। আর সেই প্রশিক্ষণ শিবিরে নিজে কে তৈরি করার পরই পাকিস্তানি সেনার মদতে ভারতে নাশকতা ঘটাতে পাঠানো হয় তাদের।

গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে বদলী

তাসলিমুল হাসান সিয়াম, গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম মহোদয় কে নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে বদলী করা হয়েছে।
তার স্থলে ঢাকা মেট্রোপলিটন উপ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বিপিএমকে গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

২ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের (পুলিশ -১ অধিশাখা) উপসচিব ধনজয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই আদেশ

জন্মদিনে স্বামীর নাম বলবেন সানাই!

সানাই মাহবুব। ছবি : সংগৃহীত   বিনোদন ডেস্ক

গত বছর বিয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন সানাই। তারপর আওয়ামী লীগের সাবেক এক মন্ত্রীর সঙ্গে বাগদান হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু কোন মন্ত্রী? তা জানাননি সানাই। তবে এবার তিনি নিজের স্বামীর নাম প্রকাশ করবেন বলে জানিয়েছেন।

সোমবার সানাই মাহবুব একটি অনলাইন সংবাদমাধ্যমকে জানান, আসছে ৮ সেপ্টেম্বর, নিজের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে স্বামীর পরিচয় প্রকাশ করবেন।

সানাই বলেন, ‘আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আমার জন্মদিন উপলক্ষে আমার সমস্ত ফ্যান ফলোয়ার, বন্ধু-সহকর্মীদের অনেক বড় একটা সারপ্রাইজ দিতে যাচ্ছি। জন্মদিন উপলক্ষে গুলশানের একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেখানে সকলের সামনে আমার স্বামীকে পরিচয় করে দেব।’

সানাই আরো বলেন, ‘বিয়ে তো আর লুকিয়ে রাখার জিনিসটা। আজ হোক, কাল হোক সবাই জেনে যাবে। আর আমার বা আমার বর- কারও পক্ষ্যেই কোনো আপত্তি নেই। ফলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বিষয়টা আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানাব।’

ভার্চ্যুয়াল জগতে আলোচিত-সমালোচিত এক নাম সানাই মাহবুব। গাজী মাহবুবের একটি সিনেমায় নাম লেখানোর মধ্য দিয়ে শোবিজে আগমন ঘটে তার। এরপর বেশকিছু গানের ভিডিওতেও উপস্থিত হন তিনি।

সংশ্লিষ্ট বিষয়

ইচ্ছাশক্তিতেই বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন সাখী

রাবেয়া আক্তার সাখী নোয়াখালী সরকারি কলেজে প্রভাষক পদে কর্মরত আছেন। তার জন্ম ২০ আগস্ট ঢাকায়। 
বাবা জয়নাল আবেদীন, মা ফেরদৌসী বেগম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ এবং এমবিএ করেছেন। সম্প্রতি নিজের স্বপ্ন ও সফলতা নিয়ে কথা বলেছেন জাগো নিউজের সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন জাহিদ হাসান—

আপনার শৈশব-কৈশোর কেমন কেটেছে?
রাবেয়া আক্তার সাখী: ছেলেবেলা খুব সুন্দর ও আনন্দময় কেটেছে। উচ্ছ্বল ও দুরন্ত স্বভাবের ছেলেবেলা সবাই বার বার ফিরে পেতে চায়। আমার শৈশবের বেশ কিছুটা সময় কেটেছে চট্টগ্রামে। প্রথম স্কুলযাত্রাও শুরু হয় এ শহরের ছায়াতলে। তাই চট্টগ্রাম শহরটার প্রতি আমার অন্যরকম দুর্বলতা কাজ করে। ছেলেবেলা থেকেই পড়াশোনা করেছি মনে আনন্দ নিয়ে। কোনরকম প্রেসার বা চাপ মনে করিনি।

sakhi-in

পড়াশোনায় কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল কি?
রাবেয়া আক্তার সাখী: পড়াশোনায় তেমন একটা প্রতিবন্ধকতা ছিল না। বাবা-মায়ের ইচ্ছে ছিল, আমরা দুই বোন পড়াশোনা করে নিজেদের এমন জায়গায় নিয়ে যাবো; যেখানে পরনির্ভরশীলতা বলে কোন শব্দ থাকবে না। নিজস্ব পরিচয় থাকবে, যেন বাবা-মা গর্ব করতে পারে। আমার বড় বোন এখন গাইনি চিকিৎসক আর আমি বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডার।

বিসিএসের স্বপ্ন দেখেছিলেন কখন থেকে?
রাবেয়া আক্তার সাখী: সত্যি বলতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় বিসিএস নিয়ে কোন স্বপ্ন ছিল না। লক্ষ্য ছিল বিবিএ আর এমবিএতে একটা ভালো সিজিপিএ ধরে রাখার। বিবিএতে (ব্যবস্থাপনা) ৩.৫৫ এবং এমবিএতে (মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) ৩.৭৩ ছিল। চাকরির দুনিয়ায় পা রাখার পর বিসিএসের প্রতি ঝোঁক বেড়ে যায়। তখন থেকেই বিসিএসের স্বপ্ন দেখা শুরু করি।

sakhi-in

বিসিএস যাত্রার গল্প শুনতে চাই—
রাবেয়া আক্তার সাখী: বিসিএস যাত্রা শুরু হয় হঠাৎ করেই। এমবিএ শেষ করার পর একদিন হঠাৎ আমার চাচা-ই প্রথম বলেছিলেন, ‘আমার ইচ্ছে—মা, তুমি বিসিএস ক্যাডার হও’। এরপর বাবাও একদিন বললেন, বাবাও চায় আমি যাতে ক্যাডার হই। সাথে ছিল আমার নিজের স্বপ্ন পূরণের নেশা। বিসিএস যাত্রার শুরুটা বেশ কষ্টসাধ্য মনে হতো। এতো বড় সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই। কিন্তু যখন প্রতিদিন নতুন নতুন তথ্য ভান্ডারে প্রবেশ করতাম আর নতুন সব তথ্য জানার সুযোগ পেতাম; তখন বিসিএস পড়াশোনা আত্মতৃপ্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। নিজেকে গতকালের চেয়ে বেশি জ্ঞানী মনে হতো। রুটিন করে টার্গেট নিয়ে পড়াশোনা করতাম। কোন বিষয় কোন দিন পড়বো বা কতদিনের মধ্যে শেষ করবো। তবে হ্যাঁ, মজার বিষয় ভেবে জানার জন্য প্রতিটি বিষয় পড়তাম।

sakhi-in

যারা ক্যাডার হতে চান, তাদের উদ্দেশে পরামর্শ—
রাবেয়া আক্তার সাখী: এ ক্ষেত্রে আমার নিজের কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারি- পরিশ্রম, ধৈর্য, সাধনা এবং মেধার সমন্বয়ে বেরিয়ে আসে এক একজন বিসিএস ক্যাডার। তাই শব্দগুলোর তাৎপর্য ধারণ ও বহন করতে হবে। পড়াশোনার কোন বিকল্প নেই। যত বেশি আত্মতৃপ্তি নিয়ে পড়াশোনা করা যাবে, আত্মবিশ্বাস তত গুণ বেড়ে যাবে। আত্নবিশ্বাসী ব্যক্তির সাফল্য অনেকাংশেই নিশ্চিত থাকে। তবে পড়াশোনার পাশাপাশি পড়াশোনায় কৌশল প্রয়োগ দক্ষতাও সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে আনে। ইংরেজি গ্রামার, বাংলা ব্যাকরণ, গণিত, বিজ্ঞানে বেসিক ইম্প্রুভ করতে হবে। বেসিক ভালো হলে কোন প্রশ্নেই পরীক্ষার্থীকে আটকানো যায় না। সাম্প্রতিক খোঁজ-খবর এবং রিটেনে স্ট্যান্ডার্ড প্যাটার্নে লেখার জন্য যে কোন ইংরেজি এবং বাংলা পত্রিকা পড়ার অভ্যাস প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখে। বিসিএসের ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার পরও পরীক্ষার দিনের সময়ের মূল্যায়ন করতে পারার দক্ষতার উপরও ক্যাডার হওয়া নির্ভর করে। সবশেষে বলবো, স্বপ্ন শুধু দেখার জন্য নয়। নিজের সাধ্যের সবটুকু দিয়ে জয়ের চেষ্টা করা। চেষ্টায় কোন ত্রুটি না থাকলে স্বপ্ন জয় অবশ্যই হবে।

sakhi-in

কারো কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন কি?
রাবেয়া আক্তার সাখী: অনুপ্রেরণা পেয়েছি আমার বাবা, মা, চাচাসহ কাছের কিছু বন্ধু-বান্ধবীর কাছ থেকে। তবে সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পেয়েছি নিজের ইচ্ছাশক্তি থেকে। ব্যক্তির ইচ্ছাশক্তিই পারে ক্যারিয়ারে সফলতা বয়ে আনতে।

আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
রাবেয়া আক্তার সাখী: আপাতত একজন যোগ্য শিক্ষক হতে চাই এবং সুশিক্ষিত ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তুলে দেওয়ার দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট থাকতে চাই। বর্তমান কর্মদক্ষতা এবং কর্মস্পৃহাই নির্ধারণ করে নেবে আমার ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা।

ব্রাজিলে প্রতিদিন গড়ে ৬ জন ইসলাম গ্রহণ করছেন!

মণিপুরি মুসলিম বিডি | অনলাইন ডেস্ক


ল্যাটিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলে জনপ্রিয়তার ইসলাম। প্রতিনিয়ত বাড়ছে মসজিদ ও মুসলমানের সংখ্যাও। বর্তমানে দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা প্রায় ১৭ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫ থেক ৬ শতাংশ।

শতাংশের হারে দেশটিতে মুসলমানের সংখ্যা কম মনে হলেও সুসংবাদ হলো ব্রাজিলে দ্রুত গতিতে বাড়ছে মুসলমান ও মসজিদের সংখ্যা।

১৫০০ খ্রিস্টাব্দে ব্রাজিলে প্রথম ইসলামের আগমন ঘটে। ১৯৫৮ সালে এক বক্তৃতায় ব্রাজিলিয়ান ইতিহাসবিদ জোয়াকিন দেশটিতে ইসলামের আগমনের ব্যাপারে তথ্য তুলে ধরেন।

ঐতিহাসিক তথ্য মতে, বিখ্যাত পর্তুগিজ পরিব্রাজক ও আবিষ্কারক আলভারেস কারবাল যখন ব্রাজিল উপকূলে যে জাহাজ ভেড়ান, সে জাহাজে বেশকিছু সুদক্ষ, কর্মঠ ও পারদর্শী মুসলিম নাবিক ছিলেন। এদের মধ্যে শিহাবুদ্দিন বিন মাজেদ একজন।

শিহাবুদ্দিন বিন মাজেদ-এর হাত ধরেই ব্রাজিলে ইসলামের পদযাত্রা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে ব্রাজিলের সাওপাওলোতে প্রতি মাসে গড়ে ৬ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করছেন বলে এক প্রতিবেদনে ওঠে এসেছে।

১৭ লাখ মুসলমান অধ্যুষিত ব্রাজিলে বর্তমানে মসজিদের সংখ্যা প্রায় ১৩০টি। ব্রাজিলের প্রতিটি শহরেই রয়েছে মসজিদ। যেখানে ২০০০ সালে মসজিদ ৪০টির মতো সেখানে এ সংখ্যা ৪ গুণেরও বেশি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৩০-এ। তাছাড়া মসজিদের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় রয়েছে অনেক মক্তব, মাদরাসা ও ইসলামিক স্কুল।

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরিওতে রয়েছে সবচেয়ে বড় ইসলামিক সেন্টার। রয়েছে ইসলামিক স্কুল ও বড় মসজিদ। সাওপাওলোতে রয়েছে সবচেয়ে বড় মুসলিম কমিউনিটি।

এনআরসির মধ্য দিয়ে বিজেপি মুসলিমদের তাড়াতে চেয়েছিল : আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী

মণিপুরি মুসলিম বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক


ভারতের বর্তমান হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার এনআরসির মধ্য দিয়ে আসাম রাজ্য থেকে মুসলিমদের তাড়াতে চেয়েছিল বলে মন্তব্য করেছেন আসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা তরুণ গগৈ।

এনআরসি নিয়ে বিজেপি’র ভূমিকা সম্পর্কে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ বলেন, ‘ওরা একবার বলছে এনআরসি’র কথা, একবার বলছে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের কথা। ওরাই চায়নি যে একটা ঠিকঠাক এনআরসি প্রকাশিত হোক। কারণ, ওরা মুসলিমদের তাড়াতে চেয়ে এটা করেছিল। কিন্তু মুসলিমদের নাম থাকল আর হিন্দুদের নামই বাদ চলে গেল। এবার ওদেরই খুঁজে বের করতে হবে, এর জন্য কারা দায়ী।’

সোমবার গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আসামে ধর্মের ভিত্তিতে রাজনীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তরুণ গগৈ বলেন, ‘আমরা মুসলিম তোষণ করে তাদের ভোটে ক্ষমতায় থেকেছি, এই অভিযোগ তো আমার বিরুদ্ধেই উঠেছে। কিন্তু মোদি এখানে এসে কী বলেছেন? বলেছেন, এখানে লাখ লাখ মুসলিম আছে, যারা এখানে এসে অসমীয়াদের ভাত কেড়েছে, জমি কেড়েছে, চাকরি কেড়েছে। আমরা ক্ষমতায় আসলে এদের ফেরত পাঠিয়ে দেবো। এখন কী প্রমাণিত হল? এটাই প্রমাণিত হল যে, এদের মুখে হিন্দুত্বের বুলি শুধুই ক্ষমতার জন্য, হিন্দুদের ভালোর জন্য নয়। তাহলে ওরা হিন্দুদের চাকরি নিশ্চিত করত। তা পারেনি।’

তরুণ বাবু বলেন, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের আগে যারা এসেছিল, আমরা তাদের নাগরিকত্ব দিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের পরে তো বেশিরভাগ হিন্দু বাঙালিই চলে এসেছে। তাদের সবাই নাগরিকত্ব পেয়েছে। ওরা কিন্তু আমাদের ভোট দেয়নি। তখনও ওদের জন্য লড়েছি। আর আজও ওরা ভোট দেয় না। তবু লড়ব।

এনআরসি বিজেপির জন্য বুমেরাং হয়েছে মন্তব্য করে তরুণ গগৈ বলেন, যে হিন্দু বাঙালিরা ভোট দিয়ে ওদের এনেছিল (বিজেপিকে), তাদের বেশিরভাগের নাম নেই। হিন্দিভাষী, গোর্খা, মুসলিম অনেকেরই নাম নেই। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, এই নাম বাদ যাওয়ার তালিকায় সংখ্যাগুরু অংশই হিন্দু বাঙালি। প্রকৃত নাগরিক খুঁজতে হিন্দুবিরোধ, মুসলিম বিদ্বেষ বা খ্রিস্টান বিরোধিতা করলে চলবে না বলেও মন্তব্য করেন অসামের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈ।

পার্সটুডে

ডিসেম্বরে আসছে ফেরদৌস পূর্ণিমার ‘গাঙচিল’

ডিসেম্বরে বড়পর্দায় আসছেন ফেরদৌস ও পূর্ণিমা। মুক্তি পাচ্ছে তাদের চলচ্চিত্র ‘গাঙচিল’। এমনটাই জানালেন সিনেমাটির নির্মাতা নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৫০ শতাংশ কাজ হলো।এগুলো এডিটিংয়ের জন্য আমরা পাঠিয়ে দেব। আর আগামী দুই মাসের মধ্যে সিনেমার সব কাজ শেষ হবে। আশা করছি ডিসেম্বরেই এটি পর্দায় আসবে। ’

এ সিনেমায় নায়ক ফেরদৌস সাংবাদিক চরিত্রে অভিনয় করছেন আর নায়িকা পূর্ণিমাকে দেখা যাবে একজন এনজিওকর্মীর চরিত্রে। ১৯ আগস্ট থেকে নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে এর তৃতীয় লটের কাজ শুরু হয়েছে। মাঝে কয়েক দিন বিরতি দিয়ে সেখানেই চতুর্থ ও পঞ্চম লটের কাজ হবে।

‘গাঙচিল’-এর গল্প সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের একই নামের উপন্যাস থেকে নেওয়া। মন্ত্রীর নিজ নির্বাচনী এলাকার একটি গ্রামের নাম গাঙচিল। মূলত এ গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার প্রতিদিনের চিত্র নিয়ে উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।চিত্রনাট্য লিখেছেন মারুফ রেহমান ও প্রিয় চট্টোপাধ্যায়। সিনেমায় অতিথি হিসেবে একটি চরিত্রে অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। এতে আরও অভিনয় করেছেন তারিক আনাম খান, আনিসুর রহমান মিলন প্রমুখ।

ফেরদৌস বলেন, ‘গত সপ্তাহে নোয়াখালীতে সিনেমাটির দৃশ্যধারণে অংশ নিয়েছি। চেয়ারম্যানের ক্ষমতার লড়াইয়ে দৃশ্যগুলো বেশ সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছেন নির্মাতা। ওখানকার মানুষের জীবনের নানা বিষয় ‘গাঙচিল’ সিনেমায় উঠে আসবে। এতে আমার অভিনীত ‘সাগর’ চরিত্রটি একজন সাংবাদিকের। অসহায় মানুষকে পুঁজি করে ক্ষমতার লড়াইয়ের বিরুদ্ধে সে প্রতিবাদ করে। সব মিলিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা বেশ ভালো ছিল। ’

পূর্ণিমা বলেন, ‘সিনেমাটি নিয়ে আমি খুব আশাবাদী। অনেক যত্ন নিয়ে কাজটি করছি। অনেক সময় দিচ্ছি এর পেছনে। এরই মধ্যে বেশ কিছু সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছি। আমি চাই না গাঙচিল মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত অন্য সিনেমায় নিজেকে যুক্ত করতে। এতে এই সিনেমায় অভিনয়ের প্রতি মনোযোগ কমে যাবে। দর্শক সিনেমাটি কীভাবে গ্রহণ করছে তা দেখেই পরবর্তী সিনেমাগুলো নির্বাচন করব। ’

আর ক্যারিয়ারের এ পর্যায়ে এসে ফেরদৌস তার ক্যারিয়ার ভাবনা নিয়ে বলেন, ‘অনেক ধরনের সিনেমায় কাজ করেছি। এখন বুঝেশুনে অভিনয় করতে চাই। এমন কাজ করতে চাই যেটা আগামী প্রজন্মও যেন মনে রাখে। অনেক পেয়েছি। তাতেই আমি খুশি। ক্যারিয়ারে কিছু ভুল হয়তো ছিল। সেগুলো তখন ভুল মনে হয়নি। এখন মনে হচ্ছে। নামিদামি ও নবীন নির্মাতাদের সঙ্গে অনেক কাজ করেছি। তাদের কাছ থেকে কিছু না কিছু শিখেছি। এগুলোই চলার পথের পাথেয়। ’

চলচ্চিত্র শিল্পের বর্তমান অবস্থা কেমন জানতে চাইলে ফেরদৌস বলেন, ‘কিছুটা রুগ্ণ। যখন কেউ রুগ্ণ হয় আমরা তাকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করি। রুগ্ণতা মানে তো শেষ হয়ে যাওয়া নয়। অনেক কঠিন রোগ থেকেও মানুষের মুক্তি হয়। আমার মনে হয় চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে। আশার কথা হচ্ছে, বাংলাদেশে সব শিল্পকলা একাডেমিতে একটি করে সিনেপ্লেক্স হবে। এর কার্যক্রম অনেকটা এগিয়েছে। এটা হলে চলচ্চিত্রের সুদিন ফিরবে বলে আমি মনে করি। ’

ফেরদৌস-পূর্ণিমা জুটি নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুলের ‘জ্যাম’ নামের আরেকটি সিনেমার কাজও প্রায় শেষ করেছেন। এছাড়া ফেরদৌসের হাতে রয়েছে আরিফুর জামানের ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’, ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ আর ‘সেভ লাইফ’ সিনেমাগুলো। এছাড়া নতুন কয়েকটি চলচ্চিত্রের ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে।

ফেরদৌস-পূর্ণিমা জুটিকে এখন চ্যানেল আইয়ের পর্দায়ও দেখা যাচ্ছে। তারা ‘মাসুদ রানা’ চলচ্চিত্রের অভিনয়শিল্পী খোঁজার রিয়েলিটি শো ‘কে হবে মাসুদ রানা’র প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করছেন।

মসজিদে ‘আল আকসা’ সম্পর্কে কিছু তথ্য

মসজিদে আল আকসা বা বাইতুল মুকাদ্দাস বলেও অনেকের কাছে পরিচিত । এটি হলো ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। জেরুজালেমের পুরনো শহরে এর অবস্থান।

> মক্কার মসজিদে হারামের পরেই পবিত্র কোরআনে যে মসজিদটির নাম উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি হলো মসজিদে আল আকসা।
 
এটিই সে স্থান, যেখান থেকে রাসূল (সা.) মেরাজের রাতে ঊর্ধ্বাকাশে গমন করেছিলেন। কোরআনুল কারিমের সূরা ইসরার প্রথম আয়াতে বলা হয়েছে-

‘পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাত্রি বেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত, যার চারদিকে আমি পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি যাতে আমি তাঁকে কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দেই। নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল।’

> তিনটি পবিত্রতম মসজিদের মধ্যে এটি অন্যতম। রাসূল (সা.) মসজিদে আকসায় ভ্রমণের জন্য মুসলমানদের উৎসাহিত করেছেন। রাসূল (সা.) বলেছেন,‘তিনটি মসজিদ ছাড়া আর কোথাও জিয়ারতের উদ্দেশ্যে ভ্রমণ করো না। মসজিদ তিনটি হলো মসজিদে হারাম, মসজিদে নববী এবং মসজিদে আকসা।’ (সহীহ বুখারী)

> মসজিদে আকসা পৃথিবীতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ। পবিত্র কাবাঘর নির্মাণের চল্লিশ বছর পর এটি নির্মিত হয়। হজরত আবু যর (রা.) থেকে বর্ণিত একটি হাদিস থেকে এ সম্পর্কে জানা যায়। তিনি একবার রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, পৃথিবীর বুকে প্রথম মসজিদ কোনটি?

রাসূল (সা.) উত্তরে মসজিদে হারামের কথা উল্লেখ করেন। এরপর তিনি রাসূল (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন এর পরে নির্মিত মসজিদ কোনটি। রাসূল (সা.) উত্তরে মসজিদ আল-আকসার কথা বলেন। মসজিদ দুইটির নির্মাণের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান জানতে চাইলে রাসূল (সা.) জবাবে বলেন, এদের মধ্যে ব্যবধান চল্লিশ বছরের।

> পবিত্র কাবার দিকে নামাজের কেবলা নির্ধারিত হওয়ার পূর্বে নামাজের জন্য মুসলমানদের কেবলা হিসেবে মসজিদে আকসা নির্ধারিত ছিলো।

> মিরাজের রাতে রাসূল (সা.) সকল নবী-রাসূলকে নিয়ে আল-আকসা মসজিদে দুই রাকাত নামাজ আদায় করেছিলেন। রাসূল (সা.) এর ইমামতিতে এই নামাজ আদায় করা হয়।

এই মসজিদের এক রাকাত নামাজ পঞ্চাশ হাজার রাকাত নামাজের সমান। রাসূল (সা.) এর এক হাদীসে বলা হয়েছে- ‘একজন ব্যক্তির তার নিজ ঘরে আদায় করা নামাজের পুরস্কার ওই নামাজের সমান, নিকটস্থ মসজিদে নামাজের পুরস্কার পঁচিশ গুণ, জুমা মসজিদের নামাজ পাঁচশত গুণ, আল- আকসা মসজিদে পঞ্চাশ হাজার গুণ, মসজিদ নববীতে পঞ্চাশ হাজার গুণ এবং মসজিদ আল-হারামে এক লক্ষ গুণ পুরষ্কার রয়েছে।’ (ইবনে মায্হা)

> ৬৩৭ ঈসায়ীতে হজরত ওমর (রা.) জেরুজালেম জয় করার পর রোমানদের ধ্বংসস্তুপ থেকে মসজিদটি পুনঃনির্মাণ করেন।

১১৮৭ খ্রিস্টাব্দে খ্রিস্টান ক্রুসেডারদের হাত থেকে পুনরায় মসজিদটি সুলতান সালাহউদ্দিন আইয়ুবী মসজিদটি উদ্ধার করেন এবং ক্রুসেডারদের আবর্জনা থেকে তিনি এই মসজিদ আবাদ করেন।

২ কোটি’র মাইলফলক অতিক্রম করল ‘লোকাল বাস’

ইউটিউবে প্রকাশিত ‘বন্ধু তুই লোকাল বাস’ গানটি ২ কোটি ভিউয়ের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে প্রকাশের ১ সপ্তাহের মধ্যে ১০ লাখ ভিউসের মাইলফলক অতিক্রম করে গানটি দেশিয় সংগীত ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড তৈরি করে।

২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর গানচিল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ পাওয়ার পর তুমুল সাড়া ফেলেছিল গানটি।

গানটির কথা লিখেছেন গোলাম রাব্বানী ও লুৎফর হাসান।সুর করেছেন করেছেন লুৎফর হাসান, সংগীতায়োজনে ছিলেন প্রিতম হাসান। কণ্ঠ দিয়েছেন মমতাজ।

গানটির এমন সফলতায় গানটির গীতিকার গোলাম রাব্বানী বলেন, আমি ইচ্ছা করলেই এক জীবনে দুই কোটি মানুষের ঘরে যেতে পারব না স্বশরীরে। কিন্তু এই গানের মাধ্যমে তা সম্ভব হয়েছে। আমার সৃষ্টি আমাকে দুই কোটি মানুষের কাছে নিয়ে গেছে। তবে বাস্তবে গানটি আরও বেশি মানুষের কাছে গেছে। ভিনদেশি মানুষকেও আমি আনন্দ নিয়ে গাইতে শুনেছি ‘বন্ধু তুই লোকাল বাস’।

গানটির মিউজিক ভিডিওর মডলে হয়েছিলেন মুমতাহিনা টয়া, সৌমিক, প্রীতম হাসান, সংগীত পরিচালক অদিত ও শাফায়াত হোসেন।

https://www.youtube.com/watch?v=p537fHTnW8s বন্ধু তুই লোকাল বাস

কমলগঞ্জে ৩ দিনব্যাপী ফলদ বৃক্ষমেলা শুরু

‘পরিকল্পিত ফল চাষ, যোগাবে পুষ্টিসম্মত খাবার’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী ফলদ বৃক্ষমেলা-২০১৯ উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) বেলা ২টায় কৃষি অফিস চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিতা কেটে তিন দিনব্যাপী ফলদ বৃক্ষমেলার শুভ উদ্বোধন করা হয়।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেকুল হকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরকারি অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

উপজেলা স্কাউট সম্পাদক মোশাহিদ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কমলগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম মোসাদ্দেক আহমদ মানিক, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আনিছুজ্জামান, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিলকিস বেগম,পরিদর্শক (তদন্ত) সুদিন চন্দ্র দাশ, রহিমপুর ইউপির চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল, কাউন্সিলর মো. আনোয়ার হোসেন, প্রেসক্লাব সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।

কমলগঞ্জে তিনদিনের ফলদ বৃক্ষ মেলায় দেশীয় নানান ফল ও ফলদ বৃক্ষের চারার ১২টি স্টল বসেছে। মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত কৃষকদের মাঝে একটি করে দেশীয় ফলদ বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

মৌলভীবাজারের ডলি কানাডায় বিরোধী দলীয় ডেপুটি হুইপ

মণিপুরি মুসলিম বিডি :

কানাডার অন্টারিওর প্রাদেশিক সংসদে বিরোধী দলীয় ডেপুটি হুইপ হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপিপি (মেম্বার অব প্রভিন্সিয়াল পার্লামেন্ট) ডলি বেগম। তিনি প্রাদেশিক পরিষদে অফিসিয়াল বিরোধী দল এনডিপির ‘আর্লি লানিং অ্যান্ড চাইল্ড কেয়ার ক্রিটিক’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তিনি বিরোধী দলীয় ডেপুটি হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কানাডায় এই প্রথম কোনো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনৈতিক এই ধরনের দায়িত্ব পেলেন। ডলি বেগমই প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রথম জনপ্রতিনিধি হওয়ার ইতিহাস গড়েছিলেন।

কনজারভেটিভ প্রিমিয়ার ডাগ ফোর্ডের গণবিরোধী নানা পদক্ষেপের বিরুদ্ধে খোলামেলো বক্তব্য রেখে ডলি বেগম ইতিমধ্যে অন্টারিওর প্রভিন্সিয়াল রাজনীতিতে আলোচনায় আসেন। অন্টারিওর পার্লামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন ডলি বেগম।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মনুমুখ ইউনিয়নের বাজরাকোনা গ্রামের সন্তান ডলি বেগম। তার দাদা মো. সুজন মিয়া ছিলেন মনুরমুখ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান।

Design a site like this with WordPress.com
Get started